সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের পে-স্কেলের তথ্য সংগ্রহের খবর ছড়িয়ে পড়েছে। মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের জারি করা একটি নোটিশ প্রচার করে দাবি করা হচ্ছে, বিষয়টি এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের জন্য। তবে এ তথ্যের সত্যতা পাওয়া যায়নি।
বুধবার মাউশির এইচআরএম ইউনিট থেকে এ নোটিশটি সংস্থাটির সব আঞ্চলিক কার্যালয়ে পাঠানো হয়। নোটিশে স্বাক্ষর করেছেন এইচআরএম শাখার উপ-পরিচালক মো. শওকত হোসেন মোল্যা।
জানা গেছে, এইচআরএম শাখা থেকে জারি করা নোটিশটি মূলত মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন নির্ধারণ (পে ফিক্সেশন) কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে চাওয়া হয়েছে। অর্থাৎ আঞ্চলিক কার্যালয়, জেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় এবং উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয়ে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে এই নোটিশ প্রযোজ্য হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের ক্ষেত্রে এই চিঠি প্রযোজ্য হবে না।
এ বিষয়ে মাউশির এইচআরএম শাখার উপ-পরিচালক মো. শওকত হোসেন মোল্যা দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘এটি অভ্যন্তরীণ চিঠি। মাউশির অধীনস্থ প্রতিষ্ঠানে কর্মরত সরকারি চাকরিজীবীদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। এমপিওভুক্ত জনবলের সঙ্গে এই চিঠির কোনো সম্পর্ক নেই।’
এদিকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক বলেছেন, এক প্রজ্ঞাপনে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা পে-স্কেলের আওতায় আসবেন। আলাদা প্রজ্ঞাপন দরকার হবে না।
বুধবার রাজধানীর জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমিতে (নায়েম) নতুন জাতীয়করণকৃত সরকারি কলেজের নন-ক্যাডার শিক্ষকদের ইন্ডাকশন প্রশিক্ষণের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি।
তিনি বলেন, আমরা চেষ্টা করছি ৫ লাখ শিক্ষককে প্রশিক্ষণ দেয়ার। সরকারিকৃত কলেজের শিক্ষকরা বদলির সুবিধা পাবেন। নীতিমালা হচ্ছে। শিক্ষকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, আপনার শুধু শিক্ষক নয়, জাতির বিবেক।