পটুয়াখালীর দুমকিতে নবগঠিত যুবদলের আনন্দ মিছিলে পদবঞ্চিত নেতাকর্মীদের হামলায় সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এতে অন্তত ৫ জন আহত হয়েছেন এবং ৪টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে। আহতদের মধ্যে ৩ জনকে গুরুতর অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে পাগলা এলাকা থেকে নবগঠিত কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে একটি আনন্দ মিছিল বের হয়। মিছিলটি উপজেলা প্রধান ফটকের সামনে পৌঁছালে বিপরীত দিক থেকে সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন ও যুগ্ম আহ্বায়ক জাকির হাওলাদারের নেতৃত্বে পদবঞ্চিত শতাধিক নেতাকর্মী হামলা চালায়। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়।
পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলেও বিক্ষিপ্তভাবে হামলা চলতে থাকে। সংঘর্ষে আহতদের মধ্যে সৈয়দ রিয়াদ (৩১), শাকিল জমাদ্দার (২৭) ও আবদুল ওয়াব (৩২) গুরুতর আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন।
এর আগে নবগঠিত আংশিক কমিটিকে ‘পকেট কমিটি’ আখ্যা দিয়ে তা বাতিলের দাবিতে পদবঞ্চিতরা ঝাড়ু মিছিল ও বিক্ষোভ করেন। গত বুধবার বিকেলে উপজেলা শহরে সাবেক আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন হাওলাদারের নেতৃত্বে শতাধিক নেতাকর্মী এ কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা অভিযোগ করেন, তৃণমূলের মতামত উপেক্ষা করে পক্ষপাতমূলকভাবে কমিটি গঠন করা হয়েছে এবং দ্রুত পুনর্গঠনের দাবি জানান।
নবগঠিত কমিটির সভাপতি জাকির আলম মিলন অভিযোগ করেন, জেলা বিএনপির প্রভাবেই এ হামলার ঘটনা ঘটেছে।
অপরদিকে, হামলার পর নতুন বাজার এলাকায় মিষ্টি বিতরণ করেছেন পদবঞ্চিতরা।
উল্লেখ, সম্প্রতি দুমকি উপজেলা যুবদলের আংশিক কমিটি ঘোষণা করা হয়। এতে সভাপতি হিসেবে জাকির আলম মিলন এবং সাধারণ সম্পাদক হিসেবে মো. জহিদুল ইসলাম রুবেল দায়িত্ব পান। শিগগিরই পূর্ণাঙ্গ কমিটি ঘোষণা করা হবে বলে সংগঠন সূত্রে জানা গেছে।
দুমকি থানার অফিসার ইনচার্জ সেলিম উদ্দিন ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, পরিস্থিতি বর্তমানে নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।