Image description

রাজধানীর মিরপুর পীরের বাগ থেকে গ্রেপ্তার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসম্পাদক ও ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহসভাপতি নিবাস মজুমদারকে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলায় পাঁচ দিনের রিমান্ডে পাঠানো হয়েছে।

 

রোববার (২ আগস্ট) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. মঞ্জরুল ইসলাম তদন্ত কর্মকর্তার দশ দিনের রিমান্ড আবেদনের প্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।

 

এর আগে, গত মঙ্গলবার তাকে আদালতে হাজির করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা তেজগাঁও গোয়েন্দা বিভাগের পরিদর্শক মো. মাসুদুর রহমান। তবে ওই দিন রিমান্ড শুনানি না হওয়ায় তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন আদালত এবং রিমান্ড শুনানির জন্য আজকের দিন ধার্য করেন। প্রসিকিউশন বিভাগের এসআই আরিফ রেজা বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

 

এদিন আদালতে আসামি নিবাসের পক্ষে তার আইনজীবী রিমান্ড বাতিল চেয়ে শুনানি করেন। অপরদিকে রাষ্ট্র পক্ষ থেকে এর বিরোধিতা করা হয়। উভয়পক্ষের শুনানি শেষে আদালত তার পাঁচ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।

 

মামলার অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ১৮ জুন সকালে তেজগাঁও শিল্পাঞ্চল থানাধীন শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ সরণির মহাখালী বাস টার্মিনালসংলগ্ন এলাকায় নিবাস মজুমদারসহ নিষিদ্ধ ঘোষিত আওয়ামী লীগ ও ছাত্রলীগের ৩৫ থেকে ৪০ জন নেতাকর্মী অবৈধ মিছিল বের করেন। মিছিলে তারা সরকারবিরোধী স্লোগান দেন এবং ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়ে জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টিসহ রাষ্ট্রবিরোধী নানা কর্মকাণ্ড চালান।

রিমান্ড আবেদনে তদন্ত কর্মকর্তা বলেন, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামি ওই ঘটনার সঙ্গে সক্রিয়ভাবে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়া গেছে। এ ছাড়া তিনি বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও ‘শেখ হাসিনা সৈনিক সেন্ট্রাল’ নামক টেলিগ্রাম গ্রুপের মাধ্যমে নিষিদ্ধঘোষিত সংগঠনের নেতাকর্মীদের সংগঠিত করে দেশকে অস্থিতিশীল করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত ছিলেন।

 

মামলার মূল রহস্য উদ্‌ঘাটন, পলাতক অন্য আসামিদের অবস্থান চিহ্নিত ও গ্রেপ্তার এবং বিস্ফোরণে ব্যবহৃত ককটেলের উৎস সন্ধানে আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ১০ দিনের পুলিশ রিমান্ড প্রয়োজন।

 

গ্রেপ্তার নিবাস মজুমদার (৩৪) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সাবেক সহসভাপতি ও সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার বাড়ি বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলায়।