নোয়াখালীর সেনবাগ থেকে ইসমাইল ভূঁইয়া পিন্টু (৫০) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ১০টার দিকে সেনবাগ পৌরসভার বিন্নাগুনী নামার বাজার এলাকার ভাড়া বাসা থেকে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়। মরদেহের পাশে সেনাবাহিনীর একজন ওয়ারেন্ট অফিসারের পোশাকও পাওয়া গেছে। নিহত ইসমাইল ভূঁইয়া ফেনীর পরশুরামের বাসিন্দা।
সেনবাগ থানার উপপরিদর্শক লতিবুর রহমান বলেছেন, ‘স্থানীয়দের কাছে খবর পেয়ে আমরা ওই বাসায় যাই এবং মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠাই। মরদেহের পাশে সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসারের একটি পোশাক পাওয়া গেছে। পোশাক উদ্ধার করেছে পুলিশ।’
সেনবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মিজানুর রহমান বললেন, ‘খোঁজ নিয়ে জেনেছি, নিহত পিন্টু পরশুরামের উত্তর গুথুমা মাহবুব কমিশনার বাড়ির আব্দুল ওহাবের ছেলে। তিনি গত ২০ বছর ধরে পরিবার থেকে বিচ্ছিন্ন।’
‘পিন্টু ফেনী মডেল থানায় দায়ের করা একটি প্রতারণা মামলার আসামি’— যোগ করেন ওসি।
শুক্রবার দুপুরে এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত তিনি জানান, মরদেহের ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের সদস্যদের কাছে হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছিল।
এদিকে, সংবাদকর্মী আরিফ শুভ্র জানালেন, গত বছরের ২৭ সেপ্টেম্বর ফেনী সদরের লেমুয়া এলাকায় সেনা সদস্য পরিচয়ে বিয়ে করতে গেলে স্থানীয়দের হাতে আটক হন পিন্টু। পরে তাকে ফরহাদনগরের বোগদাদিয়া পুলিশ তদন্তকেন্দ্রে নিয়ে যায় পুলিশ।