বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নির্যাতিত নেতাকর্মীদের ভুলে গিয়ে আত্মীয়স্বজনকে প্রশ্রয় না দিতে মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদেরকে (এমপি) অনুরোধ করেছেন ছাত্রদলের কেন্দ্রীয় সভাপতি রাকিবুল ইসলাম রাকিব। আজ রবিবার (৩১ মে) রাজধানীর খামারবাড়ি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশে (কেআইবি) বিএনপির প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমানের ৪৫তম মৃত্যুবার্ষিকীর আলোচনা সভায় তিনি এই অনুরোধ করেন। সভায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।
মন্ত্রী-এমপিদের উদ্দেশ্যে রাকিবুল ইসলাম বলেন, আপনারা সেই দিনগুলোর কথা কখনো ভুলে যাবেন না। বিএনপি-ছাত্রদল-যুবদল ও স্বেচ্ছাসেবক দলে অসংখ্য নির্যাতিত নেতাকর্মী রয়েছে। যারা বিগত সাড়ে ১৫ বছর শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে আপনাদের আগলে রেখেছিলেন। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীন রাজনীতিকে বুকে ধারণ করে আপনাদের আগলে রেখেছিল। আগামীতে তাদের যেন আপনারা আগলে রাখেন। কোনো আত্মীয়স্বজনকে প্রশ্রয় দেবেন না। আবারও আমি বলছি, কোনো আত্মীয়স্বজনকে আপনারা প্রশ্রয় দেবেন না। আজকে এখানে অনেক এমপি ও মন্ত্রী মহোদয় উপস্থিত রয়েছেন, অপ্রাসঙ্গিক হলেও আপনাদের সেই নিবেদন রাখছি।
তিনি বলেন, বিগত সাড়ে ১৫ বছর ছাত্রদল, যুবদল, স্বেচ্ছাসেবক দল, বিএনপির নেতাকর্মীরা আপনাদের আগলে রেখেছিল। আগামীতে সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের আদর্শকে বুকে ধারণ করে দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার আপসহীনতা বুকে ধারণ করে তার সুযোগ্য উত্তরসূরী জনাব তারেক রহমানের নেতৃত্বে আমরা সকল ষড়যন্ত্র মোকাবেলা করবো।
তিনি আরও বলেন, ২০২৩ ও ২০২৪ সালের মাত্র ছয় মাসের ব্যবধানে আমরা বৃহৎ দুটি আন্দোলন মোকাবেলা করেছি। বিশেষ করে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর পরবর্তী যে বাস্তবতায় বাংলাদেশে ছিল। সেদিন একমাত্র এই বাংলাদেশে বাংলাদেশের জাতীয় ছাত্রদলসহ এই বিএনপির নেতাকর্মীরা বিরোধিত ভূমিকা পালন করেছিল বিধায় খুনি হাসিনার সেই একটি একপেশে নির্বাচন হয়েছিল।
‘‘পরবর্তীতে জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান ছয় মাস পরেই। ২০২৩ সালের ২৮ অক্টোবর থেকে ২০২৪ সালের ৭ জানুয়ারি পর্যন্ত আন্দোলন এবং তার ৬ মাস পর সেই জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থান। যেখানে ছাত্রদলের অসংখ্য নেতাকর্মী যারা রক্ত দিয়েছে। সেই রক্তের উপর দাঁড়িয়ে এই বিএনপি সরকার প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।’’