Image description

কয়েক দিনের তীব্র গরমের পর মুষলধারে বৃষ্টি নেমেছে ঢাকায়। এতে শহরবাসীর জীবনে নেমে এসেছে স্বস্তি। তবে বৃষ্টির সময় বেকায়দায় পড়েছেন গন্তব্যে ফেরা মানুষ।

 

রোববার (২৬ এপ্রিল) দুপুরের পর আকাশে জমতে শুরু করে কালো মেঘ। সঙ্গে বইতে থাকে দমকা হাওয়া। অন্ধকার হয়ে বিকেলেই নেমে আসে সন্ধ্যা। এরপর শুরু হয় ঝুম বৃষ্টি। বৃষ্টির সঙ্গে হয়েছে বজ্রপাতও।

 

এদিন বিকেলে রাজধানীর পল্টন, তোপখানা রোড, সচিবালয় ও কাকরাইল এলাকায় ঝুম বৃষ্টি হয়। রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় বৃষ্টি হয়েছে বলেও খবর পাওয়া গেছে।

 

গত কয়েক দিন ধরে ঢাকায় তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের ওপরে। এতে ভ্যাপসা গরমে অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছিলেন রাজধানীবাসী। আজ বৃষ্টির পর তাপমাত্রা ১-২ ডিগ্রি সেলসিয়াস কমতে পারে বলে জানিয়েছে আবহাওয়া অধিদপ্তর।

 

এর আগে দেশের ৩০ জেলার ওপর দিয়ে কালবৈশাখী ঝড় ও বজ্রসহ বৃষ্টিপাত হতে পারে বলে জানিয়েছিল কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ।

 

ফেসবুকে তিনি লিখেছিলেন, শনিবার সন্ধ্যা ৭টার পর থেকে রোববার সকাল ৮টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বিভিন্ন জেলার ওপর দিয়ে বজ্রপাতসহ কালবৈশাখী ঝড় অতিক্রম করার প্রবল আশঙ্কা করা যাচ্ছে।

 

এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে রংপুর, বগুড়া, পাবনা, টাঙ্গাইল, ময়মনসিংহ এবং সিলেট অঞ্চলসমূহের ওপর দিয়ে সন্ধ্যার মধ্যে পশ্চিম অথবা উত্তর-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বেগে কালবৈশাখী ঝড় বয়ে যেতে পারে। সেই সঙ্গে বৃষ্টি অথবা বজ্রসহ বৃষ্টি হতে পারে। এসব এলাকার নৌবন্দরসমূহকে ২ নম্বর নৌ হুঁশিয়ারি সংকেত দেখাতে বলা হয়েছে।

 

 

এর আগে আবহাওয়া অধিদপ্তর এক বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে, আজ দুপুর ১২টা থেকে পরবর্তী ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রংপুর, রাজশাহী, ময়মনসিংহ, ঢাকা ও সিলেট বিভাগের ওপর দিয়ে বিচ্ছিন্নভাবে পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ৬০ থেকে ৮০ কিলোমিটার বা এর চেয়ে অধিক বেগে ঝড়ো হাওয়াসহ কালবৈশাখী বয়ে যেতে পারে। এ সময় কালবৈশাখী ঝড়ের সঙ্গে বজ্রপাত ও বিচ্ছিন্নভাবে শিলাবৃষ্টি হতে পারে।