Image description

গাজায় যুদ্ধবিরতি কার্যকরের প্রচেষ্টায় অগ্রগতির ঘোষণা দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে এর মধ্যেই রবিবার টানা দ্বিতীয় দিনের মতো গাজায় বিমান হামলা চালিয়েছে ইসরায়েল। এতে অন্তত ৯জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে। শুধু তাই নয়, ইসরায়েলের জ্বালানিমন্ত্রী এলি কোহেন রবিবার বলেছেন, গাজায় হামলা বন্ধের বিষয়ে কোনো চুক্তি হয়নি।

কোহেনের মতে, গাজার ৭০ শতাংশ এলাকা ইতোমধ্যে নিয়ন্ত্রণে রাখা ইসরায়েলের পুরো ভূখণ্ডের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া প্রয়োজন।

কোহেন প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর নিরাপত্তা মন্ত্রিসভার সদস্য। মন্ত্রিসভার এ ছোট কমিটিই নিরাপত্তা ও কূটনৈতিক নীতিনির্ধারণ তদারকি করে।

ফিলিস্তিনি স্বাস্থ্য কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ইসরায়েলি যুদ্ধবিমান উত্তরাঞ্চলের গাজা সিটি, মধ্যাঞ্চলের দেইর আল-বালাহ এবং দক্ষিণের খান ইউনিসে চালিয়েছে পৃথক হামলা।

চিকিৎসাকর্মীরা জানিয়েছেন, দেইর আল-বালাহে একটি আবাসিক ভবনে বিমান হামলায় এক ব্যক্তি ও তার স্ত্রী নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও চারজন আহত হয়েছেন। অন্যদিকে গাজা সিটিতে একটি আবাসিক ভবনে হামলায় এক শিশুসহ নিহত হয়েছেন দুজন।

খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি এলাকায় ভোরের দিকে একটি বাড়িতে হামলায় বাবা, মা ও তাদের ৯ বছর বয়সী ছেলে নিহত হয়েছেন। উত্তর গাজার জাবালিয়ার কাছে আরেকজন নিহত হয়েছেন।

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী জানিয়েছে, দেইর আল-বালাহে হামলার লক্ষ্য ছিল হামাসের অভিজাত ‘নুখবা’ বাহিনীর দুই কমান্ডার। গাজা সিটি ও জাবালিয়ায় হামলাতেও ‘সামরিক সদস্যদের’ লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছিল। তবে ওই হামলার পরিস্থিতি এখনও পর্যালোচনা করা হচ্ছে বলে জানিয়েছে তারা।

অক্টোবরে যুদ্ধবিরতিতে পৌঁছানোর পর থেকে ইসরায়েলি হামলায় অন্তত এক হাজার ২৩০ জন ফিলিস্তিনি নিহত হয়েছে।

গত বৃহস্পতিবার ট্রাম্প বলেছেন, গত বছর মিসরে হওয়া যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র-সমর্থিত উদ্যোগের অংশ হিসেবে হামাস নিরস্ত্রীকরণে সম্মত হওয়ায় উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে।

যুদ্ধবিরতি তদারকিতে যুক্তরাষ্ট্রের নেতৃত্বাধীন সংস্থা ‘ট্রাম্পস বোর্ড অব পিস’ শুক্রবার ১৫ দফার একটি রূপরেখা প্রকাশ করেছে। এতে চুক্তি বাস্তবায়নের চূড়ান্ত ধাপগুলো তুলে ধরা হয়েছে।