Image description

ভারতে ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) পর এবার পাকিস্তানেও আত্মপ্রকাশ করেছে ‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’। ভারতের প্রধান বিচারপতির ‘কটাক্ষমূলক’ মন্তব্যের প্রতিবাদে আত্মপ্রকাশ করা প্রতীকী রাজনৈতিক দলটি এখন আলোচনায়।

সোশ্যালে বাড়ছে তাদের ফলোয়াড়। ককরোচ জনতা পার্টির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে কটাক্ষ করেন, ‘বিজেপি নিজেকে বিশ্বের বৃহত্তম পার্টি হিসাবে দাবি করে। কিন্তু ওদের টপকে যেতে আমাদের মাত্র চারদিন লাগল।’

এই পোস্ট করার কয়েকঘণ্টার মধ্যেই দেখা যায়, এক্স থেকে উধাও হয়ে গিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টির অফিসিয়াল হ্যান্ডেল। ভারতে এই সংগঠনের সোশাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট বন্ধ হতেই পাকিস্তানে একের পর এক ককরোচ পার্টি মাথাচাড়া দিয়ে ওঠে সোশাল মিডিয়ায়।

শুরুতে একটি পেজ রীতিমতো নজর কেড়ে নেয়, যার নাম ‘ককরোচ আওয়ামী পার্টি’। এরা নিজেদের বায়োতে স্বীকার করে নেয় ভারতের আন্দোলন থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে তারা এই পেজ চালু করেছে।

বায়োতে লেখা হয়েছে, ‘হ্যাঁ আমরা নকল করেছি। তাতে কিছু যায় আসে না। কারণ আমাদের মূলমন্ত্র একই।’

পাকিস্তানি অ্যাকাউন্ট থেকে জানানো হয়েছে, এটি কোনো ব্যক্তি বা দল নয়। এই সংগঠন পাকিস্তানের সব জেন-জির কণ্ঠস্বর। পাকিস্তানের পার্টির লোগো অনেকটা ভারতের ককরোচ জনতা পার্টির মতোই। তবে এতে রয়েছে সবুজ-সাদা ব্র্যান্ডিং।

সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর একটি মন্তব্যের বিরোধিতা করেই ভারতে সূচনা হয় ককরোচ জনতা পার্টির। একটি মামলার শুনানি চলাকালীন তিনি বেকার ছেলেমেয়েদের ‘আরশোলা’, ‘পরজীবীর সঙ্গে তুলনা করেন। অভিযোগ তোলেন, বেকার ছেলেমেয়েরা যখন কিছু করতে পারে না, সাংবাদিকতা, তথ্য কর্মীর মতো সমাজসেবামূলক এবং আইনের পেশায় প্রবেশ করে।

বিতর্ক ছড়ানোর পর বিচারপতি জানিয়েছেন, তার বক্তব্যের ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। যদিও তার মন্তব্যের ভিডিও ভাইরাল হয়ে যায়।

সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে বস্টন ইউনিভার্সিটির ছাত্র। একসময় আম আদমি পার্টির সোশ্যাল মিডিয়া শাখায় কাজও করেছেন তিনি।