জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নের উদ্যোগ ‘জনতার ইশতেহার’ প্রচারণা চালিয়েছে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী।
গত দেড় মাস আগে ‘জনতার ইশতেহার’র ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। সেখানে জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহারে কী কী রাখা যায়, সে ব্যাপারে জনগণের মতামত চেয়েছিল জামায়াতে ইসলামী।
জামায়াতে ইসলামীর আমির ডা. শফিকুর রহমান জানিয়েছেন, এ পর্যন্ত ‘জনতার ইশতেহার’ প্ল্যাটফর্মে ৩৭ হাজারের বেশি মতামত এসেছে। লিখিত মতামতের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অডিও ও ভিডিও মতামত এসেছে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) বিকেলে ফেসবুকে নিজের ভেরিফায়েড পেজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এসব তথ্য জানান।
জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান লিখেছেন, বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসে এই প্রথম জনগণের সরাসরি মতামতের ভিত্তিতে নির্বাচনী ইশতেহার প্রণয়নের উদ্যোগ ‘জনতার ইশতেহার’ (www.janatarishtehar.org)। আপনাদের স্বতঃস্ফূর্ত, বিপুল ও আন্তরিক অংশগ্রহণের জন্য বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর পক্ষ থেকে জানাচ্ছি গভীর কৃতজ্ঞতা ও আন্তরিক ধন্যবাদ।
গত ১০ ডিসেম্বর ২০২৫ ‘জনতার ইশতেহার’-এর ওয়েবসাইট ও মোবাইল অ্যাপ আনুষ্ঠানিকভাবে চালু হয়। সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দেশের সর্বস্তরের মানুষ যে দায়িত্ববোধ, সচেতনতা ও আগ্রহ নিয়ে মতামত দিয়েছেন, তা আমাদের গভীরভাবে অনুপ্রাণিত করেছে।
এ পর্যন্ত ‘জনতার ইশতেহার’ প্ল্যাটফর্মে আমরা ৩৭ হাজারটিরও বেশি মতামত পেয়েছি। এই মতামতগুলো এসেছে, জাতীয় খাতভিত্তিক, ৩০০টি সংসদীয় আসনভিত্তিক, পেশাভিত্তিক, অঞ্চল, শহর ও জেলাভিত্তিক ক্যাটাগরি থেকে। লিখিত মতামতের পাশাপাশি উল্লেখযোগ্য সংখ্যক অডিও ও ভিডিও মতামতও আমাদের কাছে এসেছে, যা মানুষের আশা-আকাঙ্ক্ষা, অনুভূতি ও বাস্তব অভিজ্ঞতাকে আরও জীবন্ত করে তুলে ধরেছে।
ডা. শফিকুর রহমান বলেন, আপনাদের অংশগ্রহণই প্রমাণ করে, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ইশতেহার হবে সত্যিকার অর্থেই জনতার ইশতেহার। এটি আপনাদেরই কণ্ঠস্বর, আপনাদেরই ভাবনা, আপনাদেরই স্বপ্ন। ইনশাল্লাহ, এই কণ্ঠস্বরের আলোকেই গড়ে উঠবে একটি ন্যায়ভিত্তিক, জনবান্ধব ও দায়িত্বশীল আগামীর বাংলাদেশ।