জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম বলেছেন, একটি দলের প্রধান বলেছেন তাহাজ্জুদের পরেই ভোট কেন্দ্রে উপস্থিত থাকতে, তাহাজ্জুদ পড়েই তারা সিল মারার পরিকল্পনা করতেছে। ইনশাআল্লাহ ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশের নেতাকর্মীরা সকল ষড়যন্ত্র রুখে দিবে। ১২ ফেব্রুয়ারি আমরা ১১ দলীয় জোট একত্রিত হয়ে সকল ষড়যন্ত্র রুখে দেবো। আমরাও সবাই ভোট কেন্দ্রে যাবো ভোট কেন্দ্র পাহারা দিবো। যারাই আমাদের বাধা প্রদান করবে তাদেরকে কঠোরভাবে প্রতিহত করা হবে।
সোমবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ৯টায় লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জ পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে রামগঞ্জ উপজেলা ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী কেন্দ্রীয় এনসিপির যুগ্ম আহ্বায়ক মাহাবুব আলমের শাপলা কলির নির্বাচনী জনসংযোগেকালে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন।
তিনি ২০০১ সনের নির্বাচনে সাধারণ জনগণকে আওয়ামীলীগের দেয়া মিথ্যা প্রতিশ্রুতির কথা মনে করিয়ে দিয়ে বলেন, কৃষক কার্ড ফ্যামিলি কার্ড বলতে কিছুই নাই। সেই ইতিহাস বাংলাদেশের মানুষ ভুলেন নাই। কৃষককার্ড ফ্যামিলি কার্ড হলো প্রতারণার একটি প্যাকেজ। এই প্যাকেজের কথা বলে জনগণকে বিভ্রান্ত করছে। শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাংলাদেশের সংকট হচ্ছে অর্থনীতিকে চাঙা করা, ঋণ খেলাপিদের বিচারের আওতায় আনা, লুটেরাদের বিচারের আওতায় আনা, বাংলাদেশে যেন বিনিয়োগ আসতে পারে সে ধরনের ব্যবস্থা করা।
রামগঞ্জ উপজেলা এনসিপির আহ্বায়ক মাসুম বিল্লাহর সভাপতিত্বে ও উপজেলা জামায়াতের সেক্রেটারি অধ্যক্ষ ইমরান হোসেনের সঞ্চালনায় এসময় বিশেষ অতিথির বক্তব্যে কেন্দ্রীয় এনসিপির মূখপাত্র ও নির্বাচন কমিটির প্রধান এবং সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজিব ভূইয়া বলেন, দুর্নীতি করে কেউ ক্ষমতায় টিকে থাকতে পারে না, শেখ হাসিনা সকল রকম দুর্নীতি করেও ক্ষমতা রক্ষা করতে পারেনি। একটি দল ঋন খেলাপিদের নির্বাচন করছে, তারা শুরুতেই দুর্নীতির আশ্রয় নিয়েছে। তাদের দুর্নীতি রুখে দিবে জনগণ। এ সময় আরও বক্তব্য রাখেন রামগঞ্জ জামাত ইসলামের উপজেলা আমির নাজমুল হাসান পাটোয়ারী, পৌর আমির অ্যাডভোকেট হাসান বান্না, খেলাফত মজলিসের আমির মাওলানা মিজানুর রহমানসহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।