জাতীয় নির্বাচন সামনে রেখে বিরোধী পক্ষ ‘ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তি’ হয়েছে— এমন ভিত্তিহীন কথাবার্তা বলে বেড়াচ্ছে, যা ‘সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার’।
বিষয়টি নিয়ে শনিবার (২৪ জানুয়ারি) সকালে গুলশানে ৯০ নম্বর রোডে কেন্দ্রীয় নির্বাচন পরিচালনা কার্যালয়ে সংবাদ সম্মেলন করে নির্বাচন পরিচালনা কমিটি।
সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, একটি রাজনৈতিক দলের খুব প্রভাবশালী একজন নেতা ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির যে দাবিটি করেছেন, তিনি একটি মিডিয়ার কথা বলেছেন। স্বাভাবিকভাবে, তার স্বপক্ষে তিনি কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারেননি। আর কোনো প্রমাণ উপস্থাপন করতে পারবেন না। কারণ যে তথ্য মিডিয়ায় এসেছে বলে তিনি দাবি করেছেন, সেটির ন্যূনতম কোনো বাস্তবতা বা সত্যতা নাই।
এতে আরো বলা হয়, বিতর্ক তৈরি করার জন্য এটি একটি রাজনৈতিক অপকৌশল। আর যদি তাকে ভুল তথ্য দেয়া হয় বা বিভ্রান্তি ছড়ানোর জন্য করা হয় তাহলে সেটা তার অজ্ঞতা। আমরা মনে করি, এটা অপকৌশল বা অজ্ঞতা যেটিই হোক ভারতের সঙ্গে বিএনপির চুক্তির বিষয়ে যেসব কথা বলা হচ্ছে তা সম্পূর্ণরূপে অপপ্রচার।
সংবাদ সম্মেলনে আরো বলা বলেন, আমরা গণ অভ্যুত্থানের আকাঙ্ক্ষা বলতে সেটাই বুঝি যে এখানে ইতিবাচক রাজনীতি হবে। কোনো অপপ্রচার, অপরাজনীতি সেটা হওয়া উচিত না। কারণ বিএনপির রাজনীতি মানেই বাংলাদেশপন্থি রাজনীতি। আমাদের নেতা তারেক রহমানের যে রাজনীতি সেটা হচ্ছে ‘সবার আগে বাংলাদেশ’। বাংলাদেশের স্বার্থ, বাংলাদেশের সার্বভৌমত্ব, জনগণের ক্ষমতা এটিকে কেন্দ্র করেই বিএনপির রাজনীতি।
ফ্যামিলি কার্ডের বিষয়ে বলা হয়, ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের নামে যদি কেউ কোনো টাকা পয়সা দাবি করে সেটা একেবারে অনাকাঙ্ক্ষিত। একটি প্রতারক চক্র বিতর্ক সৃষ্টির লক্ষ্যে ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেয়ার নামে কিছু কিছু জায়গায় টাকা চাচ্ছে। তারেক রহমানের নারীর ক্ষমতায়ন এবং কৃষকের সমৃদ্ধির জন্য ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড দেওয়ার যে পরিকল্পনা, ইতোমধ্যে তা দেশব্যাপী আলোচিত-সমাদৃত হয়েছে। বিএনপি যদি জনগণের ভোটে রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায় ইনশআল্লাহ তখন সম্পূর্ণ বিনামূল্যে এবং যথাযথ ব্যক্তিদের হাতে রাষ্ট্রীয় উদ্যোগে এই কার্ডগুলো পৌঁছে দেওয়া হবে। যদি কেউ এই বিষয়ে কোনো অসাধু উদ্দেশ্য হাসিলের চেষ্টা করে সেক্ষেত্রে আপনারা আমাদের অবহিত করবেন এবং অবশ্যই আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর দ্বারস্থ হবেন।
সংবাদ সম্মেলন কথা বলেন বিএনপি চেয়ারম্যানের রাজনৈতিক উপদেষ্টা ও নির্বাচন পরিচালনা কমিটির মুখপাত্র মাহদী আমিন।
শীর্ষনিউজ