বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল-বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছে বলে দাবি খোদ সরকার এবং বিএনপির। তবে সম্প্রতি বেশ কিছু ঘটনায় তারেক রহমানের নিরাপত্তা ঘাটতি চোখে পড়েছে দেশের রাজনীতি সচেতন মহলের।
আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর মহাখালীর কড়াইলে সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির প্রয়াত চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রূহের মাগফিরাত কামনা দোয়া অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান, উপস্থিত ছিলেন তাঁর স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমান।
অনুষ্ঠান শেষে স্টেজ থেকে নেমে তারেক রহমান গাড়িতে উঠার আগে বেশ বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়। অসংখ্য মানুষ তারেক রহমানের একবারের কাছাকাছি চলে আসে। এরই মধ্যে এক যুবককে দেখা যায় উঁচু হয়ে তারেক রহমানের কাঁধে হাত দিয়ে সেলফি তুলতে। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া এ সংক্রান্ত এক ভিডিওতে এমন দৃশ্যধরা পড়ে। এ ঘটনায় নানা শুরু হয় নানা আলোচনা-সমালোচনা। তারেক রহমানের নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন তুলছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহারকারী অনেকে। তারা বলছে, পাবলিক প্লেসে তারেক রহমান আসলে কতটা নিরাপদ? এইতো কয়েকদিন আগে রাজধানীর গুলশানে অফিস থেকে নিজ বাসায় ফেরার পথে এক মোটরসাইকেল আরোহী তারেক রহমানের গাড়িতে খাম এটে দিয়ে দ্রুত সটকে পড়ে। তখনও তারেক রহমানের গাড়িবহর ঘিরে নিরপত্তার দায়িত্বে ছিল সিএসএফ। এমনকি সেই মোটরসাইকেল আরোহীকে এখনও শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। বেশ কয়েকদিন আগে তারেক রহমানের বাসার সামনে থেকে এলিট ফোর্সের সদস্যসহ দুইজনকে আটক করা হয়।
দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমানের নিরাপত্তা ইস্যু খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদিও গত ২৫ ডিসেম্বর দীর্ঘ প্রায় ১৮ বছর পর লন্ডন থেকে দেশে ফেরার দিন সরকারের পক্ষ থেকে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হয়েছিল। পুলিশের পাশাপাশি তারেক রহমানের নিরাপত্তায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেনাবাহিনী, বিজিবি, সিএসএফ নিয়োজিত ছিল।
বর্তমান এই রাজনৈতিক সংকটকালে মানুষের অধিকার ফিরিয়ে দিতে, গণতন্ত্র পুনঃরুদ্ধার করে দেশকে সঠিক পথে পরিচালিত সক্রিয় রয়েছেন তারেক রহমান। তিনি একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক দলের চেয়ারম্যানও, সুতরাং সার্বিক অর্থে তারেক রহমানের সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন সচেতন মহল।
শীর্ষনিউজ