Image description

জামায়াত নেতৃত্বাধীন ঐক্যবদ্ধ বাংলাদেশ জোটের পক্ষ থেকে চট্টগ্রাম-৮ (চান্দগাঁও-বোয়ালখালী) আসন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কাছে ছেড়ে দেওয়ার গুঞ্জন থাকলেও শেষ পর্যন্ত জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার করেননি। ফলে জোটের দুজন প্রার্থী এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার আভাস পাওয়া যাচ্ছে।

এ আসনে জামায়াতের পক্ষে মনোনয়ন জমা দিয়েছিলেন ডা. মো. আবু নাছের। আর এনসিপির পক্ষে লড়ছেন দলটির যুগ্ম মুখ্য সংগঠক ও চট্টগ্রাম অঞ্চল তত্ত্বাবধায়ক যুবাইরুল হাসান আরিফ। এ ছাড়া এ আসনে বিএনপির প্রার্থী রয়েছেন চট্টগ্রাম মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক এরশাদ উল্লাহ।

এনসিপির প্রার্থী যুবাইরুল হাসান আরিফ গণমাধ্যমে পাঠানো এক বার্তায় জামায়াত সমর্থিত প্রার্থীর বিরুদ্ধে ‘স্বেচ্ছাচারিতা’র অভিযোগ তুলেছেন। বার্তায় তিনি দাবি করেছেন, চট্টগ্রাম-৮ জোটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী চট্টগ্রামের একমাত্র আসন। কিন্তু ডা. আবু নাছের জোটের এই সিদ্ধান্ত অমান্য করেছেন। এ বিষয়ে জানতে তার মুঠোফোনে কল দেওয়া হলে তিনি রিসিভ করেননি।

জানতে চাইলে চট্টগ্রাম মহানগর জামায়াতে ইসলামীর অ্যাসিস্ট্যান্ট সেক্রেটারি মুহাম্মদ উল্লাহ দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, চট্টগ্রাম-৮ আমাদের সম্ভাবনাময় আসন। ডা. আবু নাছের দীর্ঘদিন এ ময়দানে শ্রম দিয়েছেন। বিশেষ করে গত এক বছরে তিনি অক্লান্ত পরিশ্রম করে মাঠ প্রস্তুত করেছেন। এ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থীর সঙ্গে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই করে জয় ছিনিয়ে আনার সক্ষমতা তার রয়েছে। তিনি প্রার্থী থাকলে আমরা আসনটিতে জয় পাব।

জামায়াত নেতা বলেন, কিন্তু এনসিপির যে প্রার্থী এই আসনটি চাচ্ছেন, তিনি তেমন পরিচিতও নন, তেমন কাজও করেননি। তার ভোটার এলাকা সাতকানিয়া উপজেলার ছদাহায়, যা চট্টগ্রাম-১৫ আসনের অন্তর্ভুক্ত। তবে আমরা কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছি।

তবে এতদিন কেন্দ্রীয় জামায়াত থেকে কোনো সিদ্ধান্ত জানানো হয়েছে কিনা— এমন প্রশ্নের উত্তর দিতে অপারগতা প্রকাশ করেন তিনি। মনোনয়ন প্রত্যাহারের শেষ দিনেও জোটের দু’জন প্রার্থী মনোনয়ন প্রত্যাহার না করায় মাঠের পরিস্থিতি কেমন হতে পারে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এটি ‘উন্মুক্ত’ হওয়ার সম্ভাবনা আছে।