আসন্ন সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে বিদ্রোহী প্রার্থীদের বিষয়ে কঠোর অবস্থানে যাচ্ছে বিএনপি। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে যারা স্বতন্ত্র বা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছেন, তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ কঠোর সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার নীতিগত সিদ্ধান্ত নিয়েছে দলটি।
একই সঙ্গে কয়েকটি আসনে যেখানে দলের দুজনকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে, সেখানে একজনকে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করতে বার্তা দেওয়া হয়েছে। ইতিমধ্যে যুগপৎ আন্দোলনের শরিকদের জন্য ছেড়ে দেওয়া আসনে যারা প্রার্থী হয়েছেন তাদের বহিষ্কার করেছে দলটি।
দলীয় সূত্রে জানা যায়, বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ঠেকাতে তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করে দলীয় নির্দেশনা জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। শিগগির তাদের সঙ্গে বসে সমাধানের চেষ্টা করা হবে। এই ক্ষেত্রে মনোয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষদিন পর্যন্ত দেখবে বিএনপি। এরপর দলের সিদ্ধান্ত কেউ না মানলে তাদের বিরুদ্ধে বহিষ্কারসহ সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এমনকি নেপথ্যে যদি কোনো নেতা থাকেন তাহলে তাদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
বিএনপির একাধিক নেতা জানান, এখন পর্যন্ত দলীয় তথ্য অনুযায়ী প্রায় ৬১ আসনে দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়ন জমা দিয়েছেন। এদের বেশিরভাগ জায়গায় তাদের মনোনয়নপত্র বৈধ হয়েছে। তাদের কঠোর নজরদারিতে রাখা হয়েছে। দলীয় সিদ্ধান্ত মানা না হলে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হবে তাদের আগামী দিনে কোনো কমিটিতে জায়গা দেওয়া হবে না। এবার কোনো ছাড় নয়, কারণ প্রার্থী কে তা বড় নয়, ধানের শীষের জয়ের বিকল্প ভাবছে না বিএনপি।
এদিকে দলীয় প্রার্থী চূড়ান্ত করার আগ মুহূর্তে মনোনয়ন প্রত্যাশীদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করতে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান জানান। দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য না করার ব্যাপারেও তিনি সতর্ক করেন। তবে তার এমন নির্দেশনার পরও দলীয় প্রার্থীর বিরুদ্ধে স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি উদ্বেগের মনে করেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা।
শরিকদের চারটি আসনেও বিদ্রোহী প্রার্থী
সিলেট-৫ (জকিগঞ্জ-কানাইঘাট) আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ উবায়দুল্লাহ ফারুককে ছেড়ে দিয়েছে বিএনপি। কিন্তু এই আসনে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মামুনুর রশিদ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২ আসন জমিয়তে উলামায়ে ইসলামের সহ-সভাপতি মাওলানা জুনায়েদ আল হাবিবকে ছেড়ে দেয় বিএনপি। কিন্তু এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-আন্তর্জাতিকবিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা ও দলের অপর এক নেতা। পটুয়াখালী-৩ আসনে গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হককে সমর্থন দিয়েছে বিএনপি। এই আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য হাসান মামুন। এছাড়া ঢাকা-১২ আসনে সাইফুল হককে দেওয়া আসনে দলের সিদ্ধান্ত উপেক্ষা করে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি নেতা সাইফুল আলম নিরব। এই চার আসনে যারা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন তাদের প্রত্যেকের মনোনয়নপত্র বৈধ ঘোষণা করা হয়েছে।
ইতিমধ্যে দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে শরিকদের আসনে প্রার্থী হওয়ায় রুমিন ফারহানাসহ ৯ নেতাকে বহিষ্কার করেছে বিএনপি।
এ বিষয়ে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু জানান, যুগপত আন্দোলনে শরিকদের সঙ্গে সমঝোতা করে কিছু আসন ছেড়ে দিয়েছি। কিন্তু এসব আসন আমাদের একদম জেতা সিট। এখানেও আমাদের যারা স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। বাকি আসনগুলোতে যারা বিদ্রোহী প্রার্থী হয়েছে তাদের সঙ্গে আমরা বসব এবং ২০ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা বোঝানোর চেষ্টা করব। এরপরও না শুনলে আমরা সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেব। সেটা দল থেকে বহিষ্কার হতে পারে বা তার চেয়েও কঠিন সিদ্ধান্ত হতে পারে।
বিএনপির বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থী যারা
রাজশাহী-১ আসনে (তানোর-গোদাগাড়ী) গোদাগাড়ী উপজেলা বিএনপির সদস্য সুলতানুল ইসলাম তারেক। রাজশাহী-৪ (বাগমারা) আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা ও আমেরিকা প্রবাসী ড. জাহিদ দেওয়ান শামীম, জেলা যুবদলের সদস্য সচিব রেজাউল করিম টুটুল, জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের সদস্য ব্যারিস্টার সালেকুজ্জামান সাগর— এ তিনজন স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাজশাহী-৫ আসনে (পুঠিয়া-দুর্গাপুর) পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও পৌরসভার সাবেক মেয়র আল মামুন খান, রাজশাহী জেলা শ্রমিক দলের সভাপতি রোকনুজ্জামান আলম, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির সদস্য ইসফা খায়রুল হক শিমুল, পুঠিয়া উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক আবু বকর সিদ্দিক মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। রাজশাহী-৬ আসনে (বাঘা-চারঘাট) জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক আনোয়ার হোসেন উজ্জ্বল মনোনয়ন ফরম জমা দিয়েছেন।
জামালপুর-২ আসনে (ইসলামপুর) বিএনপি চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা ও সাবেক মন্ত্রিপরিষদ সচিব এএসএম আব্দুল হালিম, জামালপুর-৩ আসনে (মেলান্দহ-মাদারগঞ্জ) মাদারগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি ফায়েজুল ইসলাম লাঞ্জু, মেলান্দহ উপজেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক সাদিকুর রহমান সিদ্দিকী শুভ মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
সুনামগঞ্জের ৫ আসনের তিনটিতে বিএনপির ৪ স্বতন্ত্র প্রার্থী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। এরা হলেন—সুনামগঞ্জ-৩ (জগন্নাথপুর-শান্তিগঞ্জ) আসনে যুক্তরাজ্য প্রবাসী জাতীয়তাবাদী আইনজীবী ফোরামের নেতা ব্যারিস্টার আনোয়ার হোসেন, সুনামগঞ্জ-৪ (সদর-বিশ্বম্ভরপুর) আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি দেওয়ান জয়নুল জাকেরীন, সুনামগঞ্জ-৫ (ছাতক) আসনে বিএনপির কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য সাবেক উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান চৌধুরী।
সিরাজগঞ্জে দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হচ্ছেন বিএনপির ৫ নেতা। তারা হলেন— সিরাজগঞ্জ-৩ আসনে (রায়গঞ্জ ও তাড়াশ) জেলা বিএনপির উপদেষ্টা খন্দকার সেলিম জাহাঙ্গীর, সিরাজগঞ্জ-৪ আসনে উল্লাপাড়া উপজেলা বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক আজাদ হোসেন, সিরাজগঞ্জ-৫ আসনে তাঁতীদলের যুগ্ম আহ্বায়ক গোলাম মওলা খান বাবলু, সিরাজগঞ্জ-৬ আসনে স্বেচ্ছাসেবক দলের সাবেক সহ-সভাপতি গোলাম সরোয়ার, জেলা বিএনপির উপদেষ্টা শফিফুল ইসলাম ছালাম।
মৌলভীবাজার-৪ আসনে (শ্রীমঙ্গল-কমলগঞ্জ) মহসীন মিয়া, শেরপুর-১ আসনে (সদর) জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক শফিকুল ইসলাম মাসুদ, শেরপুর-২ আসনে (নকলা-নালিতাবাড়ী) সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম বাদশা, শেরপুর-৩ আসনে ইলিয়াস খান মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
মানিকগঞ্জ-১ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মো. তোজাম্মেল হক, মানিকগঞ্জ-৩ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আতাউর রহমান আতা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
ময়মনসিংহ-১ আসনে বিএনপির স্বতন্ত্র প্রার্থী সালমান ওমর রুবেল, ময়মনসিংহ-২ আসনে আবুল বাশার আকন্দ, ময়মনসিংহ-৩ আসনে আহাম্মদ তায়েবুর রহমান হিরন, ময়মনসিংহ-৬ আসনে তানভীর আহমেদ, ময়মনসিংহ-৭ আসনে জয়নাল আবেদীন, ময়মনসিংহ-৮ আসনে শাহ্ নূরুল কবির, ময়মনসিংহ-৯ আসনে সাবেক এমপি খুররম খান চৌধুরীর স্ত্রী হাসিনা খান চৌধুরী ও তার ছেলে নাসের খান চৌধুরী, মামুন বিন আব্দুল মান্নান, আনোয়ারুল মোমেন, আজিজুল ইসলাম পিকুল, ময়মনসিংহ-১০ আসনে মুশফিকুর রহমান ও এবি সিদ্দিকুর রহমান, ময়মনসিংহ-১১ আসনে (ভালুকা) মোর্শেদ আলম মনোয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
বরিশাল-১ আসনে বিএনপির নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার সোবাহান, নীলফামারী-২ আসনে জেলা বিএনপির সাবেক সভাপতি আলমগীর সরকার, নাটোর-১ আসনে বিএনপির সহদফতর সম্পাদক তাইফুল ইসলাম টিপু, জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইসাসির আরশাদ রাজন, জেলা বিএনপির যুগ্ম আহ্বায়ক দাউদার মাহমুদ, স্বেচ্ছাসেবক দলের আশরাফুল ইসলাম, মহিলা দলনেত্রী ফাতেমা খানম, বিএনপি নেতা ইউসুফ আলী, খোরশেদ আলম মৃধা মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। নাটোর-২ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য সাবিনা ইয়াসমিন ছবি, নাটোর-৪ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য আবুল কাশেম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছেন।
নড়াইল-১ আসনে নাগিব হোসেন ও এস এম সাজ্জাদ হোসেন, দিনাজপুর-১ আসনে বীরগঞ্জ উপজেলা বিএনপির জাকির হোসেন ধলু, দিনাজপুর-২ আসনে জেলা বিএনপির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বজলুর রশিদ ও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি মোজাহারুল ইসলাম, ঠাকুরগাঁও-২ আসনে সাবেক এমপি ও বিএনপির কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য অ্যাডভোকেট জেড মর্তুজা চৌধুরী তুলা, ঝালকাঠি-১ আসনে সাবেক ছাত্রদল নেতা গোলাম আজম সৈকত, চুয়াডাঙ্গা-১ আসনে কৃষক দলের সদস্য মিলিমা ইসলাম বিশ্বাস ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শরীফুজ্জামান, চাঁদপুর-৫ আসনে জেলা বিএনপি সদস্য কামাল উদ্দিন, চাঁদপুর-৪ আসনে ফরিদগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক মো. আব্দুল হান্নান, সদস্য মোজাম্মেল, মো. আব্দুল মালেক, বিএনপি নেতা মো. আব্বাস উদ্দিন ও মো. মোতাহের হোসেন, চাঁদপুর-২ আসনে জেলা বিএনপি নেতা তানভীর হুদা ও ডা. শামীম সরকার স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
চট্টগ্রাম-১ আসনে বিএনপির নেতা জিয়াদ আমিন খান ও উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক শাহীদুল ইসলাম চৌধুরী, চট্টগ্রাম-২ আসনে (ফটিকছড়ি) উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কর্নেল (অব.) আজিম উল্ল্যাহ বাহার, উত্তর জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ছালাউদ্দিন, চট্টগ্রাম-৩ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক বেলায়েত হোসেন, যুক্তরাষ্ট্র বিএনপির সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা কামাল, কেন্দ্রীয় ছাত্রদলের সাবেক সহ-সম্পাদক রফী উদ্দিন ফয়সাল এবং বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য মো. তরিকুল আলম স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন জমা দিয়েছে।
চট্টগ্রাম-৫ আসনে চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা এস এম ফজলুল হক এবং বিএনপি নেতা শাকিলা ফারজানা, চট্টগ্রাম-৬ আসনে উত্তর জেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক গোলাম আকবর খোন্দকার, চট্টগ্রাম-৮ আসনে মোহাম্মদ মহিবুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-৯ আসনে নগর বিএনপির সাবেক সদস্য সচিব মো. আবুল হাশেম, কেন্দ্রীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য মোহাম্মদ সামছুল আলম, বিএনপি নেতা বিপ্লব দে ও শাহজাদা মোহাম্মদ আহসান উল্লা খান, চট্টগ্রাম-১২ আসনে বিএনপি থেকে নির্বাচিত সাবেক সংসদ সদস্য গাজী মোহাম্মদ শাহজাহান, চট্টগ্রাম-১৩ আসনে চট্টগ্রাম দক্ষিণ জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক আলী আব্বাস ও সদস্যসচিব লায়ন হেলাল উদ্দিন, ছাত্রদলের সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক মোহাম্মদ হামিদুল ইসলাম, চট্টগ্রাম-১৬ আসনে বিএনপি নেতা লেয়াকত আলী স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।
গাইবান্ধা-৪ আসনে ফারুক করিম আহমেদ, গাইবান্ধা-৫ আসনে নাহিদুজ্জামান নিশাদ, কুষ্টিয়া-২ আসনে অধ্যাপক শহিদুল ইসলাম ও ফরিদা ইয়াসমিন, কুষ্টিয়া-৩ অধ্যক্ষ সোহরাব উদ্দীন, কুষ্টিয়া-৪ নুরুল ইসলাম আনসার প্রামাণিক, কুড়িগ্রাম-১ আসনে জেলা বিএনপির সদস্য ডা. ইউনুস আলী মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন।