
গণঅধিকার পরিষদ সভাপতি নুরুল হক নুরের ওপর আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল সদস্যের ন্যক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছে হেফাজতে ইসলাম বাংলাদেশ।
জাতীয় পার্টিকে ‘ভারতীয় আধিপত্যবাদের চিহ্নিত এজেন্ট’ মন্তব্য করে বিচারিক প্রক্রিয়ায় দলটিকে নিষিদ্ধ করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানিয়েছে সংগঠনটি।
শনিবার বিকেলে হেফাজতের পক্ষে মহাসচিব মাওলানা সাজেদুর রহমান ও সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব সংবাদ মাধ্যমে যৌথ বিবৃতি দিয়ে এ দাবি করেছেন।
গণমাধ্যমে এ বিবৃতি পাঠিয়েছেন হেফাজতে ইসলামের যুগ্মমহাসচিব মাওলানা আজিজুল হক ইসলামাবাদী।
বিবৃতিতে মাওলানা সাজেদুর রহমান ও মাওলানা জুনাইদ আল হাবিব বলেন, আমরা গণঅধিকার পরিষদের নেতা নুরুল হক নুরের ওপর আওয়ামী দোসর জাতীয় পার্টির সন্ত্রাসী, পুলিশ ও সেনাবাহিনীর কতিপয় উচ্ছৃঙ্খল ও ফ্যাসিস্টপন্থী সদস্যের ন্যাক্কারজনক হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
এ হামলায় জড়িতদের বিরুদ্ধে তদন্তপূর্বক কঠোর পদক্ষেপ নিতে সরকারকে আহ্বান জানাচ্ছি।
একইসঙ্গে ভারতীয় আধিপত্যবাদের চিহ্নিত এজেন্ট জাতীয় পার্টিকেও বিচারিক প্রক্রিয়ায় নিষিদ্ধ করতে সরকারের কাছে জোর দাবি জানাই। জাতীয় পার্টিকে ঘিরে আওয়ামী ফ্যাসিবাদ পুনর্বাসনের অপচেষ্টা সফল হতে দেওয়া হবে না, ইনশাআল্লাহ।
তারা বলেন, ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন গণঅভ্যুত্থানের সরকার যেসব প্রতিশ্রুতি নিয়ে ক্ষমতায় এসেছে, তার কিছুই এখনো বাস্তবায়ন করতে পারেনি। সবচেয়ে জরুরি বিষয়, পুলিশবাহিনীর কোনো দৃশ্যমান সংস্কারও হয়নি। এখনো আগের মতো ক্ষমতাসীনদের লাঠিয়াল বাহিনী হিসেবে ব্যবহৃত হচ্ছে; যা ইউনূস সরকারের জন্য চরম লজ্জার বলে আমরা মনে করি।
হেফাজত নেতারা বলেন, চব্বিশের ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার পক্ষে ইতিবাচক ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ সেনাবাহিনী প্রশংসিত। কিন্তু শুক্রবার পুলিশের সঙ্গে মিলে একজন সুপরিচিত ছাত্রনেতার ওপর হামলার কারণে সেনাবাহিনীর ভাবমর্যাদা ক্ষুন্ন হয়েছে, যা একদমই অপ্রত্যাশিত।