Image description

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (ডাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন আগামী ৯ সেপ্টেম্বর্। চলছে প্রচার-প্রচারণা। এদিকে ভোট পেতে লিগ্যাল নোটিশ দিয়েছে ডাকসুতে মানবাধিকার ও আইন সম্পাদক পদপ্রার্থী মু. মেহেদী হাসান মুন্না।

ঢাবির সর্বাপেক্ষা সুন্দরী রমণী এবং সুদর্শন পুরুষদের লক্ষ্য করে পাঠানো লিগ্যাল নোটিশে বলা হয়, আপনি লিগ্যাল নোটিশ গ্রহীতাকে মানবাধিকারের পক্ষে অনুরুদ্ধ হয়ে এই মর্মে অবহিত করছি যে, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় মানবাধিকার পড়ালেও কাঠামোগত এবং গঠনতান্ত্রিক সংঘাত দ্বারা শিক্ষার্থীদের মানবাধিকার ক্ষুণ্ণ করে। মু. মেহেদী হাসান মুন্না ওরফে মানবাধিকার মুন্না পূর্ব এবং বর্তমানের মতো ভবিষ্যতেও অধিকার আদায়ের লড়াই করতে চায়। যেহেতু মানবাধিকার মুন্না-

DUCSU Dedicated (2)

জুলাই অভ্যুত্থান এবং গেস্টরুম, গণরুমের সন্ত্রাসীদের বিচার এবং ভিকটিমদের ক্ষতিপূরণ চায়; বিনামূল্যে আইনি সেবা দিতে আইনি সহায়তা সেল গঠন করতে চায়; ‘৭৩-এর আদেশ এবং গঠনতন্ত্র সংস্কারে বাধ্য করে প্রতিবছর ডাকসু আয়োজন করতে চায়।

যৌন হয়রানি, হেনস্তা, র‍্যাগিং রোধে স্বতন্ত্র সচল সেল গঠন করতে চায়, নারী শিক্ষার্থীদের হল ১০ টায় বন্ধ করা, সিলিং ফ্যান না দেয়া ইত্যাদি কাঠামোগত সংঘাত রোধ করে সমতা এবং ন্যায্যতা নিশ্চিত করতে চায়; নারী শিক্ষার্থীদের আইডি কার্ড দেখিয়ে যেকোনো নারী হলে প্রবেশ, অসুস্থ হলে নারী গার্ডিয়ান প্রবেশ এবং হলে সার্বক্ষণিক নারী চিকিৎসক নিয়োগ করতে চায়; মন্ত্রণালয়, অধিদপ্তর, এনজিওতে মানবাধিকার নিয়ে ইন্টার্ন এর ব্যবস্থা করতে চায়; পার্ট টাইম জব হিসেবে শ্রুতিলেখক, সাইন ল্যাংগুয়েজ দোভাষী নিয়োগ এবং প্রতিটি স্থাপনায় র‍্যাম্প স্থাপন করতে চায়। 

আবাসন, খাদ্য, স্যানিটাইজেশন, পরিবহন ও ইন্টারনেটের মতো মৌলিক মানবাধিকার নিশ্চিত করতে চায়; মানবাধিকার ও আইনি অধিকারের উপর মাসিক প্রশিক্ষণ আয়োজন করতে চায়; গুম-খুন প্রতিরোধে আন্দোলন এবং ফিলিস্তিন, সুদান, মিয়ানমারসহ বৈশ্বিক মানবাধিকার লঙ্ঘনে আনুষ্ঠানিক অবস্থান গ্রহণ করতে চায়, তাই, ডাকসু নির্বাচনে তাকে অবশ্যই ভোট দিবেন। নচেৎ আপনার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণে বাধ্য হবো।