রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব এবং স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরকে মনোনয়ন দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন দলের চেয়ারম্যান ও প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রোববার (৯ আগস্ট) বিএনপির এক জ্যেষ্ঠ নেতা এ তথ্য জানিয়েছেন।
তবে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন, গণমাধ্যমে এমন খবর প্রচার হলেও এ বিষয়ে কিছুই জানেন না বলে জানিয়েছেন তিনি।
রোববার (৯ আগস্ট) রাতে বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান।
শায়রুল কবির খান বলেন, বিএনপি মহাসচিবকে এ বিষয়ে অবহিত করার পর তিনি জানিয়েছেন, এ বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। দলের পক্ষ থেকে তাকে কিছু বলা হয়নি।
এর আগে দেশের কয়েকটি গণমাধ্যমে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর রাষ্ট্রপতি হচ্ছেন বলে খবর প্রচারিত হয়। একাধিক সূত্রের বরাতে সেসব খবরে বলা হয়, রাষ্ট্রপতি পদে মির্জা ফখরুলকে চূড়ান্ত করেছে বিএনপি। সব তথ্য-উপাত্ত নিয়ে তাকে প্রস্তুত থাকতেও বলা হয়েছে। বাকি শুধুই আনুষ্ঠানিকতা।
এদিকে রাষ্ট্রপতি প্রার্থী চূড়ান্ত করার আনুষ্ঠানিক ঘোষণা না এলেও নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করেছে বিএনপি। রোববার সকালে আগারগাঁওয়ে নির্বাচন কমিশনের রিটার্নিং কর্মকর্তার দপ্তর থেকে দলের পক্ষে দুটি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করা হয়েছে।
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান ও জাতীয় সংসদের চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি এবং জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী এই ফরম সংগ্রহ করেন। এর আগে দলীয় প্রার্থী বাছাইয়ের সম্পূর্ণ দায়িত্ব তারেক রহমানকে দেয় বিএনপির জাতীয় স্থায়ী কমিটি।
নির্বাচন কমিশন আগামী ২০ আগস্ট রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের দিন ধার্য করেছে। বর্তমান সংসদে বিএনপির সংখ্যাগরিষ্ঠতা থাকায় দলটির মনোনীত প্রার্থীরই রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
শেষ পর্যন্ত মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বা বিএনপির অন্য কোনো নেতা একক বৈধ প্রার্থী হলে সংসদে আর ভোটের প্রয়োজন হবে না; সে ক্ষেত্রে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় তিনি রাষ্ট্রপতি নির্বাচিত হবেন।