Image description

রাজধানীর মিরপুর-১১ নম্বরের মিল্লাত ক্যাম্পের সামনে মো. আলমগীর হো‌সেন (৪৫) নামে এক ব্যক্তি গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। তিনি মাছের ব্যবসা করেন। পাশাপাশি তিনি ঢাকা জেলার নবাবগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সদস্য। এই ঘটনায় জোৎস্না বেগম ওর‌ফে রাজিয়া নামে এক পথচারীও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।  

আলমগী‌রের স্বজনরা রাজ‌নৈ‌তিক বি‌রোধ কল‌লেও মাদক সংক্রান্ত ব‌্যবসার জে‌রে এই গু‌লির ঘটনা ঘ‌টে‌ছে ব‌লে জা‌নি‌য়ে‌ছে পু‌লিশ। 

পু‌লিশ বল‌ছে, গু‌লি‌বিদ্ধ আলমগী‌রের সঙ্গে মাদকের ব‌্যবসা সংক্রান্ত বি‌রোধ ছিল পল্লবীর আরেক বা‌সিন্দা ল‌্যাংড়া রু‌বেল। তিনিই এই গু‌লি ছুড়ে‌ছেন।   

পল্লবী থানা পু‌লি‌শের একজন কর্মকর্তা বাংলা ট্রিবিউন‌কে বলেন, “প্রাথমিকভাবে জানা গে‌ছে, এটি‌ কো‌নও রাজ‌নৈ‌তিক বি‌রোধ থে‌কে ঘ‌টে‌নি। মাদক বা‌ণিজ‌্যকে কেন্দ্র করে পূর্ববিরোধের জেরে এই হামলার ঘটনা ঘটেছে। এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী হিসেবে পরিচিত ‘ল্যাংড়া রুবেল’ ও তার সহযোগী বাপ্পা একটি ব্যক্তিগত প্রাইভ্কো‌রে করে ‌গি‌য়ে আলমগীরকে লক্ষ্য করে গুলি চালায়। হামলার পর পালিয়ে যাওয়ার সময় ছোড়া আরেকটি গুলিতে পথচারী জ্যোৎস্নার ডান পায়ে গুলি লাগে।”  

পল্লবী থানার ওসি হাসান বা‌ছির বাংলা ট্রিবিউন‌কে বলেন, “ঘটনার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে এবং আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করা হ‌চ্ছে।  পাশাপাশি জড়িতদের শনাক্তের কাজও শুরু হ‌য়ে‌ছে। আশা কর‌ছি, দ্রুত সম‌য়ের ম‌ধ্যে জ‌ড়িত‌দের গ্রেফতার করা সম্ভব হ‌বে।”  

তি‌নি আরও ব‌লেন, “আহত নারী কু‌র্মিটোলা হাসপাতা‌লে ও আহত আলমগীর ঢাকা মে‌ডি‌ক্যাল হাসপাতালে ভ‌র্তি র‌য়ে‌ছেন।” এই ঘটনায় এখনও মামলা হয়‌নি বলেও জানান তিনি।   

শুক্রবার (৭ আগস্ট) বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে মিরপুরের মিল্লাত ক্যাম্পের সামনে এই গু‌লির ঘটনা ঘটে। মিরপুর-১১ নম্বরের ৩ নম্বর রোডের বাসিন্দা আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে আলমগীরের মাথার ডান পাশে, পেটের ডান পাশে এবং ডান উরুতে গুলি বিদ্ধ হয়েছে। 

হাসপাতা‌লে আলমগীরের চাচা মো. আশিক জানান, বিকালে মিরপুর-১১ নম্বরের বি ব্লকের ২ নম্বর রোডের একটি চায়ের দোকানের সামনে আলমগীরকে লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি গুলি করে দুর্বৃত্তরা। পরে তারা দ্রুত ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়। 

মো. আশিকের অভিযোগ, স্থানীয় যুবলীগের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত রুবেল ও বাপ্পাসহ চার জন ব্যক্তি একটি প্রাইভেটকারে এসে আলমগীরকে গুলি করে।