মিনার রশীদ
চামচাদের দাবিমতো শেখ মুজিব ৭২-৭৫ সালেই ফোরজি এবং ফাইভজির স্বপ্ন দেখে ছিলেন কিন্তু একটি শিশু রাষ্ট্রের জন্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজনীয় জিনিস হিসেবে একটি শক্তিশালী বিরোধী দলের প্রয়োজনীয়তা অনুধাবন করতে পারেননি। অথচ তার চেয়েও বিশ-পঁচিশ বছর আগে নেহরু নিজের দলের কয়েকজন নেতাকে ডেকে বিরোধী দল গঠনের নির্দেশ দিয়েছিলেন!
এটি করতে পারলে জাতির ইতিহাস অন্যরকম হতো! তখন একটি শক্তিশালী বিরোধী দল সৃষ্টি করার চিন্তা করা তো দূরের কথা—সংসদে ৩০০ আসনের মধ্যে ৮/১০ জন বিরোধীদলীয় সদস্যকে সহ্য করা হয়নি! এর পরের ইতিহাস সবার জানা রয়েছে। ভোট ডাকাতি করে যে মোশতাক আহমেদকে জিতিয়ে আনলেন, সেই মোশতাক আহমেদই তাকে মসনদ থেকে অপসারণ করলেন। নিজের জন্য এ রকম একটা পরিণতি যে তিনি নিজেই টেনে আনছেন, সেটাও প্রফেটিকভাবে তুলে ধরেছিলেন তারই সঙ্গী তাজউদ্দীন আহমদ। তিনি বলেছিলেন, মুজিব ভাই, শান্তিপূর্ণ উপায়ে আপনাকে অপসারণের রাস্তা আপনি নিজেই বন্ধ করে দিলেন!
একজন ভুল মানুষ ও একটি ভুল দলের হাতে আমাদের স্বাধীনতা সংগ্রামের নেতৃত্ব পড়েছিল—অনেক দিনব্যাপী এ কথাটিও সাহস করে বলা যায়নি! গণতন্ত্রের মানসপুত্র হিসেবে বিবেচিত এক নেতার হাতে যে গণতন্ত্রের মৃত্যু ঘটল, তা পুনর্জীবন পেল গণতন্ত্রের ‘জম’ হিসেবে বিবেচিত এক জেনারেলের হাতে! বিষয়টির এই কন্ট্রাস্ট বা বৈপরীত্য বিশ্বের রাষ্ট্রবিজ্ঞানীদেরও বিস্ময়ে হতবাক করে দিয়েছিল!!
তখনকার চারপাশের পরিস্থিতি সম্পূর্ণরূপে জেনারেল জিয়ার সম্পূর্ণ অনুকূলে ছিল। ইচ্ছে করলে তিনি নিজের মতো বিরোধী দল সৃষ্টি করতে পারতেন। তা না করে তিনি রাজনীতিকে তার স্বাভাবিক গতিতে প্রবাহিত হতে দিলেন! তিনি ডান, বাম, মধ্য—সবার জন্যই সুযোগ উন্মুক্ত করে দিলেন। সরকারি দল এবং বিরোধী দল সৃষ্টির ক্ষমতা তিনি জনগণের হাতে ছেড়ে দিলেন! আজকের দুদুদের মতো উচ্চারণ করেননি যে জামায়াতকে বিরোধী দলেও বসতে দেব না। কিংবা আবদুল আওয়াল মিন্টুর মতো বলেননি যে আমি বেঁচে থাকতে অমুক দলকে ক্ষমতায় আসতে দেব না। যদিও অনেকেই যুক্তি দেখান যে বাকশাল-১-কে ক্ষমা করার ফল ভালো হয়নি। বাকশাল-২-কে ক্ষমা করার পরিণাম হবে আরো ভয়াবহ। আর বাকশাল-৩ আসলে এই জাতির অস্তিত্ব থাকবে না।
১৯৭৭-৭৮ সালে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান একটি রাজনৈতিক দল গঠনের চিন্তাভাবনা শুরু করলে এ দেশের এলিট ইন্টেলেকচুয়ালদের পক্ষ থেকে সবচেয়ে বড় প্রতিরোধটি আসে। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান মূলত এক চিমটি বামপন্থি, এক মুঠো মুক্তিযোদ্ধা এবং এক জগ ডানপন্থিদের নিয়ে বিএনপির সৃষ্টি করেছিলেন! এ কারণেই বামপন্থিদের নিয়ে সৃষ্ট এলিট বুদ্ধিজীবী সম্প্রদায় এই দলটিকে সহজভাবে গ্রহণ করেনি! তখন রাজনৈতিক বাকশালের আপাতত পরাজয় ঘটলেও সাংস্কৃতিক ও বুদ্ধিবৃত্তিক বাকশাল বহাল তবিয়তে আমাদের চিন্তা এবং ভাবনার জগৎকে প্রভাবিত করেছে!
ওরাই এক-এগারোর জন্ম দিয়েছিল আর তাদের প্রধান লক্ষ্য ছিল জিয়ার সেই বিএনপিকে ধ্বংস করা। ‘বাকশাল-২’-এর মাধ্যমে নতুন কিসিমের এক গৃহপালিত বিরোধী দলের দেখা মিলল। সেই সাজানো বিরোধী দলের নেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছিল আরেক নারীকে—যিনি জীববিজ্ঞানের সব নিয়মকে অগ্রাহ্য করে বার্ধক্যে হঠাৎ হাসপাতালে ভর্তি হয়ে সন্তানের জন্ম দিয়ে এক অদ্ভুত ইতিহাস রচনা করেছিলেন। এসব দেখে রাগে-দুঃখে কামরুল হাসান উপাধি দিয়েছিলেন ‘বিশ্ব বেহায়া’।
কিন্তু প্রকৃতির প্রতিশোধ হিসেবে আওয়ামী লীগ ধ্বংস হলে এরাই আবার আপাতত বিএনপির কাঁধে চড়ার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এদের টার্গেট আবার আওয়ামী লীগ ও শেখ পরিবারকে ফিরিয়ে আনা! বর্তমান প্রেক্ষাপটে জাতীয়তাবাদী ও ইসলামি শক্তির মধ্যে বৈরিতা যত বেশি হবে, তাদের কাজ ততটুকু সহজ হবে!
বিষয়টি বুঝে প্রথম থেকেই এ নিয়ে সোচ্চার ছিলাম। দুটি বিবদমান রাজনৈতিক দলের মধ্যে একটি সহনশীল ও দায়িত্বশীল সম্পর্কের প্রয়োজনীয়তার কথা বহু গালমন্দ সহ্য করেও বলে গেছি। কারণ স্বাধীনতার পর থেকে যে রাজনৈতিক বৈরিতা আমরা লালন করেছি, তা রাষ্ট্র ও সমাজ—উভয়েরই অপূরণীয় ক্ষতি করেছে।
শুরুতেই অভিযোগ তোলা হয়েছে, আমি নাকি জামায়াতকে রক্ষা করার জন্য ঐক্য ও সহনশীলতার কথা বলছি। বাস্তবতা ঠিক উল্টো। প্রতিকূল পরিবেশে টিকে থাকার সক্ষমতা বিএনপির তুলনায় জামায়াতের কম নয়—বরং ইতিহাস বলে, বাধা পেলেই তারা আরো সংগঠিত ও শক্তিশালী হয়েছে।
বিএনপির ভেতরে যে অংশটি জামায়াতকে বিরোধী দল হিসেবে মেনে নিতে রাজি ছিল না, তারাই এই দলটিকে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্ষমতার দোরগোড়ায় পৌঁছে দিয়েছে—তাতে কোনো সন্দেহ নেই। আজকের নির্বাচনে যদি জামায়াত ক্ষমতায় যায় বা তার কাছাকাছি পৌঁছে যায়—তবে তার সম্পূর্ণ কৃতিত্ব বিএনপির সেসব নেতৃত্বের!
শক্তিশালী ও দায়িত্বশীল বিরোধী দল
জাইমা রহমান বলেছেন, ‘আমরা অন্য রকম একটা বাংলাদেশ গড়ব।’ এই অন্য রকম বাংলাদেশের প্রকৃত রূপটি কেমন হবে, সেই ধারণা তিনি এখনো স্পষ্ট করেননি!
জামায়াতের নির্বাচনি ইশতেহারে সরকারে না গিয়ে বিরোধী দলে বসলে কীভাবে ভূমিকা পালন করবে—সে বিষয়ে একটি সুস্পষ্ট দিকনির্দেশনা রয়েছে। অর্থাৎ জামায়াত সরকার গঠনের প্রস্তুতির সঙ্গে সঙ্গে বিরোধী দল হিসেবে দায়িত্ব পালনের মানসিক প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছে! বিএনপির ইশতেহারে তেমন কোনো বক্তব্য নেই। বিষয়টি অন্তর্ভুক্ত থাকলে গণতান্ত্রিক চর্চার জন্য তা নিঃসন্দেহে ইতিবাচক হতো। জামায়াতের আমিরের পক্ষ থেকে একটি প্রস্তাব দেওয়া হলেও বিএনপির পক্ষ থেকে পজিটিভ সাড়া আসেনি। নতুন প্রজন্মের জাইমা রহমানের ‘অন্য রকম’ বাংলাদেশে এই বিষয়গুলো অ্যাড্রেস করা হবে—সেই আশা আমরা করতেই পারি!
এই ‘অন্য রকম’ বাংলাদেশের কথা বলতে হলে কথার সঙ্গে দৃষ্টিভঙ্গি, পরিকল্পনা ও রাজনৈতিক চর্চার স্বচ্ছতা জরুরি। তরুণ এই নেত্রী যদি সত্যিই ভিন্ন এক বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখান, তবে তাকে গণতান্ত্রিক সহনশীলতা, শক্তিশালী বিরোধী দলের ভূমিকা, নীতি ও কর্মসূচির স্বচ্ছতা এবং নেতৃত্বের জবাবদিহির মতো বিষয়গুলো গভীরভাবে বিবেচনায় নিতে হবে। ‘অন্য রকম বাংলাদেশ’ গড়া শুধু একটি আকর্ষণীয় বাক্য নয়—এটি একটি পরিণত রাজনৈতিক দায়বদ্ধতার নাম।
জাইমার দল সরকার গঠন করতে পারলে তো কথাই নেই। আমরা দেখতে পারব তিনি কীভাবে ‘অন্য রকম’ বাংলাদেশ গড়েন। কারণ শৈশব থেকে ব্যারিস্টার হিসেবে গড়ে ওঠার প্রায় ১৭টি বছর তিনি কাটিয়েছেন গণতন্ত্রের সূতিকাগার বলে খ্যাত ব্রিটেনে। সেখানে তিনি প্রত্যক্ষ করেছেন, বিরোধী দল সরকারেরই একটি অংশ।
কিন্তু অগত্যা বিরোধী দলে গেলে কী করবেন—তার মানসিক প্রস্তুতি বোধহয় কারো নেই! এখানেই তরুণ জাইমার দায়িত্ব বেড়ে যাবে। তিনি নিজ চোখে দেখে এসেছেন যে দায়িত্বশীল একটি বিরোধী দল কীভাবে পরাজয় মেনে নিয়ে দলকে নতুনভাবে পুনর্গঠনের পরিকল্পনা করে। সেই অভিজ্ঞতা ও জ্ঞান কাজে লাগিয়ে তিনি বাবার সহযোগী হয়ে দলকে ভবিষ্যতের জন্য প্রস্তুত করতে পারেন।
কথাটা শুনে অনেকেই ট্রল করেছেন, যা খুবই দুঃখজনক লেগেছে। আমরা হয়তো ক্রমেই একটু বেশি অসহিষ্ণু হয়ে উঠছি। একজনের স্বপ্ন অন্যজনকে স্পর্শ না করলেও যেন তাকে আঘাত না করি। কারণ ছোট ছোট এ রকম অনেক স্বপ্ন দিয়েই প্রিয় মাতৃভূমিটি গড়ে উঠবে। আমি এখনো বিশ্বাস করি, আমরা যা পারিনি—নতুন প্রজন্ম তা করতে পারবে!
আমার ছেলের বয়স জাইমার কাছাকাছি। ও যখন চার বছরের, তখন একবার মা-ছেলেকে সঙ্গে নিয়ে একটি জাহাজে সেইল করেছিলাম। জাহাজটি পর্তুগালের একটি বন্দরে ভিড়েছিল। জাহাজ থেকে আমরা বন্দরনগরীতে ঘুরতে বের হই। সমুদ্রের পাশে এক অসাধারণ সুন্দর গার্ডেন পার্ক—শানবাঁধানো ঘাটের মতো দীর্ঘ দেয়াল, চারপাশে শান্ত আর পরিচ্ছন্ন পরিবেশ। দৃশ্যটা দেখে হঠাৎ করেই ছেলেকে বললাম, ‘চলো না আব্বু, এই সুন্দর দেশটিতেই থেকে যাই।’ ছেলে আমাকে আর ওর মাকে একেবারে চমকে দিয়ে বলল, ‘এখানে থাকব কেন? আমাদের দেশটাকেই এমন সুন্দর বানাব!’
আমি অবাক হয়ে ওর মায়ের দিকে তাকালাম। মেয়েরা ৩৫ বছরের স্বামীকে বিশ্বাস না করলেও চার বছরের নিজের ছেলের কথায় আশ্বস্ত হন। দেশকে নিয়ে এ রকম অনেক স্বপ্নের কথা আমিও বলতাম! এখনো বলি। কারণ কোনো জাতির ভবিষ্যৎ বদলে দেওয়ার স্বপ্ন—প্রথমে স্বপ্ন হিসেবেই আসে। তারপর একদিন, কারো না কারো হাত ধরে, তা বাস্তবের দিকে হাঁটা শুরু করে।
এই স্বপ্নগুলোর একটি হলো—দেশের ছোট-বড় সব নদী ড্রেজ করে নাব্য ফিরিয়ে আনা হয়েছে। নদীগুলোর দুই পাড় উঁচু করে পরিকল্পিত আবাসিক এলাকা গড়ে উঠেছে। মাঝেমধ্যে রয়েছে এমন শানবাঁধানো ঘাট আর সবুজ বাগান, যেখানে মানুষ এসে নিঃশ্বাস নিতে পারে। দেশের কোস্টাল বেল্টজুড়ে গড়ে উঠেছে একের পর এক মেরিন সিটি—পরিকল্পিত, প্রাণবন্ত, জীবনের সঙ্গে যুক্ত। নদী ও সাগর পাড়ের এই মানুষগুলোর জীবন-জীবিকার একটা বড় অংশ আসছে এই নদী থেকে, আসছে এই সাগর থেকে!
পরিবার নিয়ে সিঙ্গাপুরে নিজের ব্লকের পাশে নেইবারহুড ফুড কোর্টগুলোয় গেলেই স্বপ্নে দেখি, আমাদের প্রতিটি গ্রামের বাজারে নদীর পাশে এ রকম লাখ লাখ ফুডকোর্ট তৈরি হয়েছে। সেখানে দেশের সব মা- বোনরা তাদের পরিবারসহ সপ্তাহে ২১টি মিলের মধ্যে পাঁচ-সাতটি মিল সেখানে বসে খাচ্ছেন । সপ্তাহের একদিন বৃহত্তর পরিবারের সবাইকে নিয়ে এসব ফুডকোর্টে বসে খাবার খাচ্ছেন এবং সিঙ্গাপুরের মতো নিজ নিজ খাবারের টাকা নিজেই পরিশোধ করছেন!
৬০-৭০ বছর আগের জেলেপল্লী সিঙ্গাপুর যদি এ রকম পরিবর্তন করতে পারে, তবে আমরা পারব না কেন? এগুলো শুধু স্বপ্ন নয়, অতি বাস্তব কিছু লক্ষ্যমাত্রা! যে মানুষগুলো আমরা সাব-হিউম্যান লেবেলে ঠেলে রেখেছি—এসব তাদের জীবনের পাওনা, এসব তাদের মৌলিক অধিকার!
আমার মনে হয়, দেশের মা-বোনদের ওপর থেকে এই রান্নাবান্নার চাপ একটু হাল্কা করতে পারলেই প্রকৃত নারী স্বাধীনতা অর্জিত হবে। ইদানীং এই মা-বোন সম্বোধনেও কেউ কেউ নাকি গোস্বা করছেন। জাহাজে থাকতে আমরা তর্ক করতাম, জাহাজে কে বেশি কাজ করেন? আমাদের এসব তর্কে বেরিয়ে আসত—চিফ কুকের নাম। কারণ চিফ কুকের কোনো শনিবার, রোববার বা ছুটির দিন থাকত না। তেমনি আমাদের মায়েরা এমন এক চিফ-কুক ছিলেন, যাদের জীবনেও কোনো শনিবার/রোববার ছিল না। সেই যে রান্নাঘরে ঢুকেছেন—মৃত্যু এসে তাকে সেখান থেকে মুক্তি দিয়েছে!
শুধু দু-একজনকে ‘সুলতানা রাজিয়া’ বানিয়ে নারী মুক্তি অর্জিত হবে না! নিজের বাবা, ভাই, স্বামী ও সন্তানকে দেশের সম্পদ লুটপাটে নিয়োজিত রেখে ঢাকায় কিংবা বড় শহরগুলোয় বসে লম্বা লম্বা কথা বললে নারী-মুক্তি আসবে না! দরিদ্রতার সবচেয়ে করুণ শিকার হয় দরিদ্র পরিবারের নারী ও শিশুরা । আর দেশের বিরাটসংখ্যক মানুষকে দরিদ্র করে রেখেছে এসব চিন্তাবিলাসী রমণীদের কাছের বা স্বপ্নের পুরুষরা!
নির্বাচনের পরপরই আরেকটি দুঃখজনক ঐতিহ্য কিংবা বুদ্ধিবৃত্তিক ইতরামো সহ্য করতে হয়! সংখ্যালঘুদের বাড়িঘর কিংবা উপাসনালয়ের ওপর হামলার গল্প পরিকল্পিতভাবে ছড়ানো হয়, যেখানে বাস্তবের চেয়ে প্রচার হয় বহু গুণ বেশি। তিলকে তাল বানানোর এই অপচেষ্টা আমরা চাই না, সঙ্গে সঙ্গে সেই তিলটুকুও দেখতে চাই না । তাই ৫ আগস্টের মতোই রাজনৈতিক দলগুলো ঐক্যবদ্ধভাবে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের নিরাপত্তায় এগিয়ে আসতে হবে, নিশ্ছিদ্র পাহারার ব্যবস্থা করতে হবে। কারণ এটি শুধু মানবিক দায়িত্ব নয়, রাষ্ট্রের গণতান্ত্রিক ভাবমূর্তি রক্ষারও প্রশ্ন।
লেখক : কলামিস্ট