Image description

বিতর্কের কারণে শেষ পর্যন্ত কালো টাকা সাদার বিধান থেকে সরে এসেছে সরকার। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনার পর জাতীয় সংসদে কণ্ঠভোটে পাস হওয়া অর্থ বিল-২০২৬ থেকে এসংক্রান্ত প্রস্তাব পুরোপুরি বাদ দেওয়া হয়েছে।

একই সঙ্গে সাধারণ মানুষকে স্বস্তি দিতে ব্যক্তি পর্যায়ের করমুক্ত আয়সীমা তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে চার লাখ টাকা নির্ধারণ, ব্যাংক হিসাব খোলার ক্ষেত্রে টিআইএন (কর শনাক্তকরণ নম্বর) বাধ্যতামূলক না রাখা, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের করহার কমানো এবং কয়েকটি খাতে কর ও ভ্যাট-সংশ্লিষ্ট বিধান সংশোধন করা হয়েছে।

গতকাল সোমবার জাতীয় সংসদে অর্থ বিল-২০২৬ পাসের আগে বাজেটের ওপর সমাপনী বক্তব্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান একাধিক সংশোধনী প্রস্তাব উত্থাপন করেন। তাঁর উত্থাপিত সব প্রস্তাব সংসদে গৃহীত হয়। পরে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী সংশোধিত অর্থ বিল পাসের জন্য উত্থাপন করলে কণ্ঠভোটে তা অনুমোদিত হয়।

বিলটি পাস হওয়ার পর সরকারি দলের সদস্যরা টেবিল চাপড়ে স্বাগত জানান।

এর ফলে আগামী অর্থবছরের বাজেটে সবচেয়ে আলোচিত ও সমালোচিত বিষয় কালো টাকা সাদার সুযোগ চূড়ান্তভাবে বাতিল হলো। পাশাপাশি সাধারণ করদাতাদের জন্য কিছুটা স্বস্তি দিতে করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে। অর্থমন্ত্রী বলেছেন, ‘এই বাজেটের মাধ্যমে কৃষি, শিল্প ও সেবা খাতের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি, রপ্তানি ও প্রবাসী আয় সমপ্রসারণ এবং বিনিয়োগ উৎসাহিত করার মাধ্যমে দেশের অর্থনীতিকে পুনরুদ্ধারের পথে এগিয়ে নেওয়া হবে।

পাস হওয়া বিলের বিধান অনুযায়ী, তালিকাভুক্ত কম্পানি কর-পরবর্তী নিট মুনাফার ৩০ শতাংশের কম লভ্যাংশ বিতরণ করলে ঘাটতির ওপর অতিরিক্ত ১০ শতাংশ কর দিতে হবে। তবে ব্যাংক, বীমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান এ বিধানের বাইরে থাকবে। নির্দিষ্ট পরিমাণের বেশি মূলধন বা বার্ষিক বিক্রি রয়েছে—এমন প্রতিষ্ঠান ও ব্যক্তিসংঘের জন্য নিরীক্ষিত আর্থিক বিবরণী দাখিল বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

অর্থ বিল পাসের আগে বিরোধী দল জামায়াতে ইসলামীর সংসদ সদস্য মো. নাজিবর রহমান, অধ্যাপক মো. মুজিবুর রহমান, মো. আলী আসগর, মো. আব্দুল গফুর ও শফিকুল ইসলাম মাসুদ, স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য রুমিন ফারহানা ও শেখ মুজিবুর রহমান ইকবালসহ বেশ কয়েকজন সদস্য বিশাল ঘাটতি বাজেট, কর ও ভ্যাটের বোঝা, ব্যাংকিং খাতের নজিরবিহীন দুর্নীতি, স্বাস্থ্য ও শিক্ষা খাতের অব্যবস্থাপনা এবং প্রধানমন্ত্রীর চীন সফর থেকে ঋণের আশ্বাসের বাস্তবতার মতো নানা বিষয়ে প্রশ্ন তুলে বিলটি অধিকতর যাচাইয়ের জন্য জনমত যাচাইয়ের প্রস্তাব দেন। তবে সেই প্রস্তাব কণ্ঠভোটে নাকচ হয়ে যায়।

জনমতের প্রতি সম্মান জানিয়ে সিদ্ধান্ত : প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সংসদে বলেন, ‘জমি নিবন্ধনের ক্ষেত্রে প্রকৃত মূল্য ও মৌজা মূল্যের পার্থক্য নিরসনে যে বিশেষ বিধান প্রস্তাব করা হয়েছিল, তা নিয়ে জনমনে কালো টাকা সাদার সুযোগ সৃষ্টি হচ্ছে বলে ব্যাপক আলোচনা ও বিভ্রান্তি তৈরি হয়েছে। জনগণের উদ্বেগ ও মতামতের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এ বিধান সম্পূর্ণ প্রত্যাহার করা প্রয়োজন।’

তাঁর এ বক্তব্যের পর অর্থমন্ত্রী সংশ্লিষ্ট প্রস্তাব প্রত্যাহারের ঘোষণা দেন। ফলে অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ আর থাকছে না। অর্থনীতিবিদদের একটি বড় অংশ দীর্ঘদিন ধরে এ ধরনের সুযোগকে করনৈতিক শৃঙ্খলার পরিপন্থী বলে সমালোচনা করে আসছিলেন। তাঁদের মতে, নিয়মিত করদাতাদের প্রতি এটি বৈষম্যমূলক বার্তা দেয় এবং ভবিষ্যতে কর ফাঁকির প্রবণতাকে উৎসাহিত করে।

করমুক্ত আয়সীমা বৃদ্ধি : প্রধানমন্ত্রীর প্রস্তাবে সাধারণ মানুষের করের চাপ কমাতে ব্যক্তি পর্যায়ের করমুক্ত আয়সীমা বাড়ানো হয়েছে। প্রস্তাবিত বাজেটে এটি তিন লাখ ৭৫ হাজার টাকা নির্ধারণ করা হলেও সংসদে সংশোধনীর মাধ্যমে তা বাড়িয়ে চার লাখ টাকা করা হয়েছে। এ ছাড়া ২০২৮-২৯ ও ২০২৯-৩০ কর বছরে করমুক্ত আয়সীমা চার লাখ ৫০ হাজার টাকা এবং ২০৩০-৩১ কর বছরে পাঁচ লাখ টাকায় উন্নীত করা হবে। অর্থ মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা বলছেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতির সময়ে মধ্যবিত্ত ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত করদাতাদের স্বস্তি দিতেই এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

ব্যাংক হিসাব খুলতে টিআইএন বাধ্যতামূলক নয় :  বাজেটে ব্যাংক হিসাব খোলা, সম্পত্তি মিউটেশন এবং বণ্টননামা দলিল নিবন্ধনের ক্ষেত্রে টিআইএন বাধ্যতামূলক করার প্রস্তাব ছিল। তবে এ নিয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দিলে সরকার অবস্থান পরিবর্তন করে। সংশোধিত অর্থ বিলে এসব ক্ষেত্রে টিআইএন দাখিলের বাধ্যবাধকতা তুলে নেওয়া হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এর ফলে ক্ষুদ্র সঞ্চয়কারী, গ্রামীণ জনগোষ্ঠী এবং নতুন ব্যাংক গ্রাহকদের জন্য ব্যাংকিং সেবায় প্রবেশ সহজ হবে।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর অর্ধেকে :  উচ্চশিক্ষা খাতের উন্নয়ন এবং আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তুলতে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ওপর আরোপিত ১০ শতাংশ কর কমিয়ে ৫ শতাংশ করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, শুধু কর কমানোই যথেষ্ট নয়; বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে গবেষণা কার্যক্রম জোরদার করতে হবে, আধুনিক ভাষা শিক্ষা নিশ্চিত করতে হবে এবং দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের জন্য বৃত্তির সুযোগ বাড়াতে হবে।

শিক্ষা খাতের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা মনে করছেন, কর কমানোর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর পরিচালন ব্যয় কিছুটা কমবে এবং গবেষণা ও অবকাঠামো উন্নয়নে বিনিয়োগের সুযোগ বাড়বে।

তরুণ উদ্যোক্তাদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার তহবিল :  বাজেটে প্রথমবারের মতো তরুণ উদ্যোক্তা ও ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ৫০০ কোটি টাকার স্টার্টআপ ফান্ড গঠনের সিদ্ধান্ত বহাল রাখা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী এ উদ্যোগকে দেশের ভবিষ্যৎ কর্মসংস্থানের জন্য গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে উল্লেখ করেন।

তাঁর মতে, প্রযুক্তিনির্ভর উদ্যোক্তা সৃষ্টি এবং উদ্ভাবনী ব্যবসা সম্প্রসারণের মাধ্যমে আগামী দিনে হাজার হাজার তরুণের কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরি হবে।

ডিজিটাল বিজ্ঞাপনে ভ্যাট কমানোর প্রস্তাব : ওটিটি প্ল্যাটফর্ম, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং আন্তর্জাতিক সার্চ ইঞ্জিনে বিজ্ঞাপন প্রদানের ক্ষেত্রে আরোপিত ১৫ শতাংশ ভ্যাট কমিয়ে ৫ শতাংশ করার প্রস্তাবও সংসদে উত্থাপন করা হয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বর্তমানে অনেক প্রতিষ্ঠান অনানুষ্ঠানিক উপায়ে বিদেশে অর্থ পরিশোধ করছে। ভ্যাটের হার যৌক্তিক করা হলে ব্যবসায়ীরা বৈধ ব্যাংকিং চ্যানেল ব্যবহার করতে উৎসাহিত হবে এবং সরকারও রাজস্ব পাবে।

শিল্প ও রপ্তানি খাতে প্রণোদনা : দেশীয় শিল্পের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়াতে বিভিন্ন খাতে শুল্ক ও কর ছাড়ের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে। চিংড়ি চাষ ও রপ্তানি বৃদ্ধির লক্ষ্যে একিউফিড, প্রোবায়োটিকস, ভিটামিন ও মিনারেলস আমদানিতে বিদ্যমান বিভিন্ন শুল্ক প্রত্যাহারের সুপারিশ করা হয়েছে।

এ ছাড়া ওষুধ শিল্প, বৈদ্যুতিক তার উৎপাদন, ফায়ার ডোর, এলইডি ল্যাম্প, প্রি-ফ্যাব্রিকেটেড ভবন, কাজুবাদাম প্রক্রিয়াজাতকরণ শিল্পসহ বিভিন্ন উৎপাদনমুখী খাতে কাঁচামাল আমদানিতে কর ও শুল্ক কমানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

ব্যবসায়ীরা মনে করছেন, এসব পদক্ষেপ বাস্তবায়িত হলে উৎপাদন ব্যয় কমবে এবং আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগিতা সক্ষমতা বাড়বে।

ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর করসুবিধা সম্প্রসারণ : পার্বত্য তিন জেলা এবং সমতলের ক্ষুদ্র  নৃগোষ্ঠীর জন্য বিদ্যমান করসুবিধা আরো সম্প্রসারণ করা হয়েছে। ব্যবসা, কৃষি ও অন্যান্য অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড থেকে অর্জিত আয়ের পাশাপাশি তাদের বেতনভিত্তিক আয়ও করমুক্ত থাকবে।

বিচার বিভাগে অতিরিক্ত বরাদ্দ :  সুশাসন, জবাবদিহি ও আইনের শাসন জোরদার করতে বিচার বিভাগের সক্ষমতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্ব দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী। তিনি সুপ্রিম কোর্টের জন্য অতিরিক্ত ১০০ কোটি টাকা এবং আইন মন্ত্রণালয়ের জন্য আরো ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়ার প্রস্তাব করেন। প্রধানমন্ত্রী বলেন, কোনো রাষ্ট্রের প্রকৃত শক্তি তার সম্পদে নয়; বরং জনগণের আস্থা, ন্যায়বিচার এবং সুশাসনের ওপর নির্ভর করে।

অর্থনীতি পুনরুদ্ধারের রোডম্যাপ : বিল পাসের প্রক্রিয়ায় বক্তৃতাকালে অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে এবং হয়রানি বন্ধে সামর্থ্য অনুযায়ী ফ্ল্যাট রেটে ভ্যাট প্রদানের উদ্যোগ নিয়েছে সরকার। তবে কাঁচাবাজার ও ক্ষুদ্র মুদি দোকান এই ভ্যাটের আওতার বাইরে থাকবে। তিনি বলেন, দেশের রাজস্ব ব্যবস্থাপনায় একটি ঐতিহাসিক সাফল্য অর্জিত হয়েছে। জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) রাজস্ব আদায় প্রথমবারের মতো চার লাখ কোটি টাকার মাইলফলক অতিক্রম করেছে। বর্তমান সরকারের দায়িত্ব গ্রহণের মাত্র চার মাসের মধ্যে নেওয়া বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণেই রাজস্ব আদায়ে এই গতি এসেছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, আগামী অর্থবছরের জন্য নির্ধারিত রাজস্ব লক্ষ্যমাত্রা চ্যালেঞ্জিং হলেও তা অর্জন করা সম্ভব। সরকার করের হার বৃদ্ধি না করে করভিত্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজস্ব আহরণের লক্ষ্য পূরণ করতে চায়। রাজস্ব ব্যবস্থাপনাকে করদাতাবান্ধব এবং রাজস্ব আহরণে স্বচ্ছতা নিশ্চিত করা সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার। এ লক্ষ্যে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা পৃথকীকরণ, কর ব্যবস্থার অটোমেশন, কর ফাঁকি রোধ এবং বিনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করে ব্যবসা-বাণিজ্যের প্রসারে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে।

অর্থমন্ত্রী বলেন, মুদ্রানীতি ও রাজস্বনীতির কার্যকর সমন্বয়ের মাধ্যমে বাজারে অর্থ সরবরাহ নিয়ন্ত্রিত রাখার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। পাশাপাশি বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ শক্তিশালীকরণ, টাকার বিনিময় হার স্থিতিশীল রাখা, কৃষি ও শিল্পসহ সামগ্রিক উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্য নিয়ন্ত্রণে রাখতে ৬০টি পণ্যের উেস কর হ্রাস করা হয়েছে। এ ছাড়া সরবরাহ ব্যবস্থার ত্রুটিসমূহ দূর করা, বাজারে প্রতিযোগিতা বৃদ্ধি এবং অসাধুচক্রের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজির বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা অব্যাহত রয়েছে। এসব পদক্ষেপের ফলে ধাপে ধাপে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।

তিনি বলেন, সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে দক্ষতা বৃদ্ধি এবং টেকসই ঋণব্যবস্থাপনার মাধ্যমে বাজেট ঘাটতি সহনীয় পর্যায়ে রাখা হবে। সরকার ক্রমান্বয়ে পরিচালন ব্যয় কমিয়ে উন্নয়ন ব্যয় বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে। সে লক্ষ্যে ২০২৫-২৬ অর্থবছরে মোট ব্যয়ের ২৭.২৭ শতাংশ উন্নয়ন ব্যয় থেকে তা ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৩৩.৭০ শতাংশে উন্নীত করা হয়েছে। অন্যদিকে পরিচালন ব্যয় ২০২৫-২৬ অর্থবছরের ৭২.৭৩ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ৬৬.৩০ শতাংশে নামিয়ে আনা হয়েছে। আগামী অর্থবছরগুলোতেও উন্নয়ন ব্যয়ের অংশ আরো বৃদ্ধি এবং পরিচালন ব্যয় ক্রমান্বয়ে কমিয়ে আনা হবে বলে জানান তিনি।

আগামী ১ জুলাই থেকে কার্যকর হতে যাওয়া ৯ লাখ ৩৮ হাজার কোটি টাকার বাজেটকে সরকার অর্থনৈতিক পুনরুদ্ধার, করব্যবস্থার সংস্কার এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক হিসেবে দেখছে। তবে অর্থনীতিবিদদের মতে, বাজেটের সফলতা নির্ভর করবে ঘোষিত সংস্কারগুলোর কার্যকর বাস্তবায়ন, রাজস্ব প্রশাসনের দক্ষতা বৃদ্ধি এবং বিনিয়োগ ও কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে দৃশ্যমান অগ্রগতির ওপর।