দেশে চায়ের উৎপাদন ধারাবাহিক রেকর্ড গড়লেও বৈশ্বিক বাজারে কমছে বাংলাদেশের চায়ের কদর। গত এক দশকে চায়ের রপ্তানি কোনো স্থায়ী ভিত্তি পায়নি, বরং তা ক্রমাগত সংকুচিত হচ্ছে। বিশেষ করে ২০২৪ সালের তুলনায় ২০২৫ সালে চায়ের রপ্তানি কমেছে আশঙ্কাজনক হারে। ২০২৪ সালে যেখানে ২৪ লাখ ৫০ হাজার কেজি চা রপ্তানি হয়েছিল, সেখানে ২০২৫ সালে তা প্রায় ৩৩ শতাংশ কমে দাঁড়িয়েছে ১৬ লাখ ৪০ হাজার কেজিতে। দেশীয় বাজারে বিপুল চাহিদা, উচ্চ উৎপাদন খরচ এবং বিশ্ববাজারের তীব্র প্রতিযোগিতায় টিকতে না পারাই এই রপ্তানি ধসের প্রধান কারণ বলে জানা গেছে।
২০১৬ সালে চায়ের উৎপাদন ছিল ৮.৫০ কোটি কেজি। ২০২৩ সালে দেশের ইতিহাসে সর্বোচ্চ ১০.২৯ কোটি কেজি চা উৎপাদিত হলেও রপ্তানি ছিল ১০ লাখ ৪০ হাজার কেজি। ২০২৫ সালে দেশের ১৭২টি বাগান ও ক্ষুদ্রায়তন চাষাবাদ মিলিয়ে উৎপাদিত হয় ৯.৪৯ কোটি কেজি। এর মধ্যে ঐতিহ্যবাহী বাগানে ৭.৬৩ কোটি এবং ক্ষুদ্রায়তন চাষ থেকে আসে ১.৮৬ কোটি কেজি।