Image description

বগুড়ার শেরপুরে ব্যাডমিন্টন খেলাকে কেন্দ্র করে এক মাদ্রাসা ছাত্রকে তুলে নিয়ে রাতভর উলঙ্গ করে নির্যাতন ও ভিডিও ধারণের অভিযোগ উঠেছে।

এ ঘটনায় এলাকায় তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। খবর পেয়ে স্থানীয়রা অভিযুক্তদের একটি অফিস ঘেরাও করে একজনকে আটক করে পুলিশে হাতে তুলে দিয়েছে ।

 

নির্যাতনের শিকার স্বপ্নীল (১৩) উপজেলার হামছায়াপুর এলাকার জহুরুল ইসলামের ছেলে । স্থানীয় একটি মাদ্রাসার ছাত্র।

তাকে ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়।

 

স্থানীয়রা জানান, সাদ (১৮), সুফিয়ান (২৬), আলভি (১৭), সিয়াম (১৯) জায়েন (২১) নির্যাতনের সঙ্গে জড়িত। তাদের মধ্যে আলভিকে আটক করেছে পুলিশ।

 

স্বপ্নীল জানায়, বৃহস্পতিবার রাত ১১টার দিকে শেরপুরের আখিমনি হোটেলের সামনে তাকে তুলে নিয়ে যায়। মুখে টেপ লাগিয়ে উলঙ্গ করে রাতভর নির্যাতন করা হয়। এ সময় তার মাথার চুল কেটে ফেলা হয় এবং ভিডিও ধারণ করা হয়।

 

নির্যাতনের একপর্যায়ে তার পরিবারের কাছে ৫০ হাজার টাকা দাবি করা হয়। নির্যাতনের ভয়ে স্বপ্নীল টাকা দিতে রাজি হয়। পরে পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা তাকে উদ্ধার করে শেরপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন।

 

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় স্থানীয় এলাকাবাসী ক্ষুব্ধ হয়ে অফিস ঘেরাও করে একজনকে আটক করে পুলিশে দিয়েছেন ।

 

শেরপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) ইব্রাহীম আলী জানান, এ ঘটনায় স্থানীয়রা একজনকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেছে।