বাগেরহাটে পূবালী ব্যাংকের লকার থেকে সুমন কুমার দাস নামের এক গ্রাহকের ২০০ ভরি স্বর্ণ গায়েব হওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনা তদন্তে নেমেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।
বৃহস্পতিবার (৫ মার্চ) দুপুরে বাগেরহাট জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) মোহাম্মাদ হাচান চৌধুরী, পিবিআই পুলিশ সুপার আল মামুনসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা পূবালী ব্যাংকের শাখায় আসেন। বিকেল পর্যন্ত কয়েক ঘণ্টা বিভিন্ন বিষয় পর্যালোচনা করেন তারা।
এর আগে বুধবার সুমন কুমার দাস নামের ওই গ্রাহক ব্যাংকের লকারে মজুত রাখা স্বর্ণ গায়েব হওয়ার অভিযোগ করেন। এতে উল্লেখ করা হয়, ২০২৫ সালের ১৫ অক্টোবর পূবালী ব্যাংকের বাগেরহাট শাখার লকারে পরিবারসহ আত্মীয়স্বজনের অন্তত ২০০ ভরি স্বর্ণ রাখা হয়। পারিবারিক অনুষ্ঠান থাকায় বুধবার ব্যাংকে গিয়ে লকারে মজুত রাখা স্বর্ণ নিতে গিয়ে দেখা যায় তা নেই। বিষয়টি তাৎক্ষণিকভাবে ব্যাংক কর্মকর্তা ও পুলিশকে জানানো হয়।
সুমন দাস বলেন, আত্মীয়স্বজনসহ আমাদের সবার স্বর্ণ ছিল। খুবই সংকটে পড়ে গেলাম আমরা।
ব্যাংক কর্তৃপক্ষ বলছে, গ্রাহকের অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশকে জানানো হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে আসবে।
ব্যাংকের সহকারী মহাব্যবস্থাপক (এজিএম) মো. মনিরুল আমিন বলেন, আমাদের ব্যাংকে এ ঘটনা এবারই প্রথম। লকারে তিনি কোনো ঘোষণা দিয়ে স্বর্ণ রাখেননি। লকারে গ্রাহকের যে অংশ, সেই অংশের চাবি গ্রাহকের কাছেই থাকে। ওই অংশের চাবি ব্যাংকের কাছে থাকে না। পুরো বিষয়টি আসলে তদন্ত করা হচ্ছে। তদন্তেই বেরিয়ে আসবে আসল সত্য।
বাগেরহাটের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) শামীম হোসেন বলেন, ব্যাংকের লকার থেকে স্বর্ণ গায়েব হয়েছে, এমন অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। তদন্তের পরে কে দায়ী, সে বিষয় স্পষ্ট হবে।