পটুয়াখালী জেলা কারাগারে বন্দি দুমকী উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি শফিকুল ইসলাম খানের মৃত্যু হয়েছে। গত শুক্রবার সন্ধ্যায় বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়। গতকাল শনিবার সন্ধ্যায় জানাজা শেষে পারিবারিক কবরস্থানে তাঁকে দাফন করা হয়।
শফিকুল ইসলাম খান (৩৮) দুমকীর শ্রীরামপুর গ্রামের মৃত হাবিবুর রহমান খানের ছেলে। ২০১৮ সালে তিনি উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি ছিলেন।
পটুয়াখালী জেলা কারাগারের জেলার আব্দুর রব মিয়া বলেন, আগে থেকেই তাঁর হার্টে রিং পরানো ছিল। শুক্রবার অসুস্থ হয়ে পড়লে কারা কর্তৃপক্ষ প্রথমে তাঁকে পটুয়াখালী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেয়। অবস্থার অবনতি হলে উন্নত চিকিৎসার জন্য বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হলে সন্ধ্যায় তাঁর মৃত্যু হয়। শনিবার ময়নাতদন্ত শেষে বিকেল ৩টার দিকে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।
এদিকে, বিকেল ৪টায় স্বজনরা মরদেহ নিয়ে দুমকী উপজেলার শ্রীরামপুর ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে নিজ বাড়িতে পৌঁছেন। পরে সন্ধ্যা ৭টায় জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন হয়েছে।
শফিকুলের ছোট ভাই জাহিদুল ইসলাম ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, যে তিনটি মামলায় শফিকুলকে কারাগারে রাখা হয়েছিল, এসব ঘটনার সঙ্গে তাঁর ভাইয়ের কোনো সংশ্লিষ্টতা নেই। একটি মামলায়ও তিনি এজাহারভুক্ত আসামি ছিলেন না।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ২০২৫ সালের ১১ আগস্ট ‘ডেভিল হান্ট’ অভিযানে দুমকী থানা পুলিশ শফিকুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করে কারাগারে পাঠায়। ওই মামলায় জামিন পাওয়ার পর জেলা বিএনপির দলীয় কার্যালয় ভাঙচুরের মামলায় তাঁকে আবার গ্রেপ্তার দেখানো হয়।