Image description

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিতব্য জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট শান্তিপূর্ণ ও সুচারুভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ‘জিরো টলারেন্স নীতি’ গ্রহণ করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। নির্বাচনের পরিবেশ সৃশৃংখল ও শান্তিপূর্ণ রাখতে যেখানে যা প্রয়োজন সেনাবাহিনী, পুলিশ বাহিনী, র‌্যাব, বিজিবিকে ব্যবহার করা হবে। কড়া নজর রাখা হবে ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্রগুলোয়।

নির্বাচন ঘিরে বিশৃংখলা সৃষ্টির চেষ্টা হলে কঠোর ভাবে আইনের প্রয়োগ করা হবে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনীকে ম্যাজিস্টেসি ক্ষমতা দেয়া হয়েছে। নির্বাচন নির্বিঘেœ আইন শৃংখলা বাহিনী পাশাপাশি এক হাজার ৫১ জন নির্বাহী ম্যাজিষ্ট্রেট ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করবেন। সরকারের দায়িত্বশীল ব্যক্তিরা জানিয়েছেন, প্রধান উপদেষ্টার এবারের ‘নির্বাচন ইতিহাস হয়ে থাকবে’ অবস্থান থেকে সরকার একচুলও নড়েনি।

জানতে চাইলে আইজিপি বাহারুল আলম বলেছেন, আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সর্বাধিক গুরুত্ব দিয়ে যেকোনও মূল্যে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্থিতিশীল রাখতে হবে। নির্বাচনকেন্দ্রিক কোনও ধরনের বিশৃঙ্খলা বা সহিংসতার উদ্ভব হলে তাৎক্ষণিকভাবে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

নির্বাচনকে কেন্দ্র করে যে কোন ধরনের বিশৃঙ্খলা, কেন্দ্র দখল, জাল ভোট বা সহিংসতা বরদাস্ত করবে না সরকার। এসব বিশৃংখলা ঠেকাতে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থান নিয়েছে সরকার। অপতথ্য, গুজব ও ফেক স্ক্যান্ডাল ভিডিও ছড়িয়ে সাধারণ ভোটারদের বিভ্রান্ত করার চেষ্টা এবং সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভুয়া সংবাদ রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীদের মধ্যে যেমন বিরোধ-সংঘাতের জন্ম না নেয় সে জন্য গোয়েন্দা সংস্থার পক্ষ থেকেও মনিটরিং করা হচ্ছে। যে কোন পরিস্থিতি কঠোর হস্তে নিয়ন্ত্রণ এবং নিরপেক্ষ থেকে সাধারণ মানুষের ভোট দেয়া নিশ্চিত করার পাশাপাশি দেশের সার্বিক আইন-শৃংখলা পরিস্থিতি রক্ষায় এরই মধ্যে মাঠে রয়েছে সেনাবাহিনীসহ সশস্ত্র বাহিনীর সদস্যরা।

মাঠপর্যায়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশ-র‌্যাব-বিজিবি-আনসার বাহিনীকে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেয়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে নির্বাচন কমিশন কমিশনারের পক্ষ থেকে। ভোটের দিন ভোটের পরিবেশ নষ্ট, সন্ত্রাস, ভোটকেন্দ্রে অগ্নিসংযোগ চোরাগোপ্তা হামলা ইত্যাদি করার অপচেষ্টা চালাতে পারে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ, নিষিদ্ধ ছাত্রলীগ ও অন্যান্য সহযোগী সংগঠনের সন্ত্রাসীরা। এ বিষয়ে সতর্ক থেকে দায়িত্ব পালন করতে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় থেকে পুলিশ, বিজিবি, র‌্যাব ও আনসার কর্মকর্তাদের নির্দেশনা প্রদান করা হয়েছে। লুণ্ঠিত ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার, আইন-শৃঙ্খলার প্রত্যাশিত উন্নতি ও নাগরিকদের জানমালের নিরাপত্তা বিধানের জন্য যৌথ বাহিনীর লাগাতার অভিযান অব্যাহত রাখার জন্য সেনাবাহিনীসহ আইন-শৃংখলা বাহিনীকে নির্দেশ দেয়া হয়েছে সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে।

২০১৮ সালের ‘রাতের ভোট’ বিতর্কে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে যে প্রশ্ন ও সমালোচনা তৈরি হয়েছিল, তার রেশ এখনও কাটেনি। সেই আস্থার ঘাটতি দূর করতে নির্বাচনে নিরপেক্ষ ও ন্যায়সঙ্গত ভূমিকা পালনের মাধ্যমে জনগণের বিশ্বাস ফিরিয়ে আনতে চায় পুলিশ বাহিনী। এ লক্ষ্যেই নির্বাচনকালীন দায়িত্ব পালনে পুলিশ সদর দপ্তর ৭৩ দফা নির্দেশনা সংবলিত একটি বুকলেট প্রকাশ করেছে। নির্বাচনী দায়িত্বে নিয়োজিত প্রত্যেক পুলিশ সদস্যকে এই বুকলেট দেয়া হচ্ছে এবং দায়িত্ব পালনকালে এটি সঙ্গে রাখা বাধ্যতামূলক করা হয়েছে। পুলিশ সুপার (এসপি) কার্যালয়ে স্থাপন করা হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তিনির্ভর ‘অপারেশন্স কমান্ড অ্যান্ড কন্ট্রোল রুম’। যেখান থেকে ঝুঁকিভিত্তিক ভোটকেন্দ্র চিহ্নিতকরণ, মোবাইল ও স্ট্রাইকিং টিমের লাইভ লোকেশন ট্র্যাকিং করা হবে। একই সঙ্গে কক্ষটিতে বডিওর্ন ক্যামেরায় মাঠপর্যায়ের তৎপরতা পর্যবেক্ষণ, তাৎক্ষণিক নির্দেশনা প্রদান এবং আন্তঃবাহিনী সমন্বয়ের মাধ্যমে একটি কেন্দ্রীয় কমান্ড কাঠামো গড়ে তোলা হয়েছে। আবার এই বিশেষ কক্ষ থেকেই জেলার প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্টে নজরদারি ও দ্রুত প্রতিক্রিয়া নিশ্চিত করার ছক বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

সর্বশেষ এক সংবাদ সম্মেলনে ব্রিগেডিয়ার জেনারেল দেওয়ান মোহাম্মদ মনজুর হোসেন বলেন, আগের নির্বাচনে যেখানে সর্বোচ্চ ৪০-৪২ হাজার সদস্য স্ট্রাইকিং ফোর্স নিয়োজিত থাকত এবং তারা দূরবর্তী স্থানে অবস্থান করতেন। এবার ১ লাখ সেনাসদস্য মোতায়েন করা হয়েছে এবং প্রথমবারের মতো ভোট কেন্দ্রের আঙিনা পর্যন্ত টহলের অনুমতি দেয়া হয়েছে। সাধারণ ভোটাররা যেন নির্বিঘেœ ভোট কেন্দ্রে যেতে পারেন, সেটা মাথায় রেখে সেনাবাহিনী প্রধান ন্যূনতম সংখ্যক প্রয়োজনীয় সেনাসদস্য রেখে বাকি সবাইকে নির্বাচনের জন্য নিয়োজিত করেছেন। ভোটারদের আস্থা ফেরাতে সেনাসদস্যরা অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, দিনরাত টহল দিচ্ছেন। এক লাখ সেনাসদস্যের পাশাপাশি নৌবাহিনীর ৫ হাজার এবং বিমানবাহিনীর ৩ হাজার ৭৩০ জন সদস্য মাঠে রয়েছেন। সেনাবাহিনী ৬৪টি জেলার মধ্যে ৬২টি জেলার ৪১১টি উপজেলায় এবং মেট্রোপলিটন শহরগুলোতে সর্বমোট ৫৪৪টি অস্থায়ী ক্যাম্প স্থাপন করে নিয়মিত টহল, যৌথ অভিযান এবং চেকপোস্ট স্থাপনের মাধ্যমে নজরদারি চালাচ্ছে। একই সঙ্গে অস্ত্র উদ্ধার কার্যক্রম চলছে।

ডিএমপি কমিশনার শেখ মো. সাজ্জাত আলী সোমবার বলেন, অতীতে নির্বাচনে পুলিশকে যেভাবে ব্যবহার করা হয়েছে, সেই কালিমা থেকে বেরিয়ে এসে জাতিকে একটি অর্থবহ ও সর্বজনগ্রহণযোগ্য নির্বাচন উপহার দিতে ডিএমপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ২০২৬ উপলক্ষে রাজধানীতে ৩৭টি ভোটকেন্দ্রকে ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এই নির্বাচনে সর্বোচ্চ পেশাদারিত্ব ও নিরপেক্ষতার মাধ্যমে এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই, যা ভবিষ্যতের জন্য অনন্য উদাহরণ হয়ে থাকবে।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সিনিয়র কর্মকর্তা ইনকিলাবকে বলেন, ভোটের মাঠে আইনের ব্যত্যয় ঘটালে কঠোরভাবে দমন করা হবে। নির্বাচনে দায়িত্ব পালনকারী আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা কোন পরিস্থিতিতে কী ব্যবস্থা নেবেন, সে বিষয়ে সরকারের সুস্পষ্ট নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। নির্বাচনী এলাকায় যে কোনো অবৈধ কর্মকা- ঘটলেই তাৎক্ষণিক আইন প্রয়োগ করতে হবে, এ নিয়ে কোনো শিথিলতা থাকবে না। এছাড়া নির্বাচনী শৃঙ্খলা বজায় রাখতে ইসির পাশাপাশি মাঠের পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ, জেলা প্রশাসন, র‌্যাব, বিজিবি এবং প্রয়োজনে সশস্ত্র বাহিনী সমন্বিতভাবে কাজ করবে। সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনকে সহযোগিতা করা নির্বাহী কর্তৃপক্ষের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এবারের নির্বাচনে এই সাংবিধানিক বাধ্যবাধকতা কঠোরভাবে বাস্তবায়নে নির্দেশনা থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে আইনশৃঙ্খলা বিঘেœর শঙ্কা বাড়লে নিরাপত্তা সংস্থাগুলো সর্বোচ্চ প্রস্তুতিতে থাকে। নির্বাচনী আচরণবিধি, গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও) এবং ফৌজদারি কার্যবিধিসহ বিভিন্ন আইনে নির্বাচনকেন্দ্রিক দায়িত্বে পুলিশ, র‌্যাব, বিজিবি ও আনসার সদস্যদের করণীয় স্পষ্টভাবে নির্ধারিত। আরপিও-১৯৭২-এর ধারা ৭৩, ৭৪, ৭৮, ৭৯, ৮০, ৮১ ও ৮২-তে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি, অস্ত্র প্রদর্শন, ব্যালট দখল, ভোটারকে বাধা দেওয়া বা ভোটকেন্দ্রের নিরাপত্তা বিঘিœত করার মতো অপরাধে কঠোর শাস্তির বিধান রয়েছে।

আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা জানান, নির্বাচনী এলাকায় নাশকতা দমন, অস্ত্রধারীদের গ্রেপ্তার, ব্যালট বাক্স দখল প্রতিরোধ এবং কেন্দ্রের ৪০০ গজের মধ্যে প্রচারণা নিষিদ্ধ, এসব নির্দেশনা অনুযায়ীই অভিযান পরিচালিত হয়। আরপিওর ধারা ৮১ অনুযায়ী ব্যালট পেপার বা ব্যালট বাক্স জোরপূর্বক দখলে অভিযুক্তকে সর্বোচ্চ ১০ বছর সশ্রম কারাদ-ের বিধান আছে।

পরিস্থিতি গুরুতর হলে সশস্ত্র বাহিনীর হস্তক্ষেপ: ফৌজদারি কার্যবিধি (সিআরপিসি)-১৮৯৮-এর ধারা ১২৭ থেকে ১৩২ নির্বাচনী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ধারা ১২৭ অনুযায়ী নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট বা থানার ওসি অবৈধ সমাবেশ ভেঙে দেওয়ার নির্দেশ দিতে পারেন। ধারা ১৩১এ বলা হয়েছে, জরুরি পরিস্থিতিতে ম্যাজিস্ট্রেটের অনুমতি ছাড়াই সেনাবাহিনীর কমিশনপ্রাপ্ত কর্মকর্তা সমাবেশ ছত্রভঙ্গ, গ্রেপ্তার এবং আইনশৃঙ্খলা নিয়ন্ত্রণে সরাসরি ব্যবস্থা নিতে পারবেন। এ ছাড়া ধারা ১৩২ নিরাপত্তাবাহিনীর সদস্যদের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে মামলা বা আইনি ঝুঁকি থেকে সুরক্ষা দেয়। ফলে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বাহিনীর অভিযান আরও কার্যকর হয়।

বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট ও ভুয়া ভিডিও ছড়ালে ব্যবস্থা : সাইবার সুরক্ষা অধ্যাদেশ-২০২৫-এর ধারা ২৩-এ নির্বাচনকে লক্ষ্য করে এআইভিত্তিক বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট, ভুয়া তথ্য বা ডিজিটাল অপপ্রচার ছড়ানোর বিরুদ্ধে কঠোর শাস্তির বিধান রাখা হয়েছে। নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ভুয়া ভিডিও, বিকৃত তথ্য বা অপপ্রচার ছড়িয়ে নির্বাচনের পরিবেশ প্রভাবিত করার অভিযোগ পাওয়া গেলে সাইবার মনিটরিং টিম তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেবে।

আইন বিশেষজ্ঞ ব্যারিস্টার জাহিদ রহমান বলেন, এবারের নির্বাচনে আইন প্রয়োগের সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ হবে বিধিনিষেধের ধারাবাহিক ও কঠোর বাস্তবায়ন। আইন তো আগেও ছিল, কিন্তু প্রয়োগে শিথিলতা থাকায় অনেক নির্বাচনী অপরাধ বিচারের মুখ দেখেনি। যদি আরপিও, দ্রুত বিচার আইন, দ-বিধি ও বিশেষ ক্ষমতা আইন সমন্বিতভাবে মাঠে প্রয়োগ করা যায়, তাহলে কেন্দ্র দখল, ব্যালট ছিনতাই বা সন্ত্রাস সৃষ্টির মতো অপরাধ কার্যত শূন্যের কোঠায় নেমে আসবে।

পুলিশ সদর দফতর থেকে সারাদেশে পাঠানো নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, নির্বাচন কমিশনের নির্দেশনা, নির্বাচনী আইন ও আচরণবিধি কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে। ভোটারদের অবাধ ও স্বাধীনভাবে ভোট দেওয়ার পরিবেশ নিশ্চিত করা, কোনো রাজনৈতিক দল বা প্রার্থীর পক্ষে কিংবা বিপক্ষে অবস্থান না নেওয়া, ভোটকেন্দ্র ও ভোটারদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা পুলিশের মূল দায়িত্ব। একই সঙ্গে নারী, প্রতিবন্ধী, বয়স্ক ও সংখ্যালঘু ভোটারদের নিরাপদে ভোট দেওয়ার সুযোগ নিশ্চিত করতে বলা হয়েছে। এ ছাড়া ভোটকেন্দ্রে শৃঙ্খলা রক্ষা, জাল ভোট, সহিংসতা বা আচরণবিধি লঙ্ঘনের চেষ্টা হলে আইন অনুযায়ী তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া, প্রিসাইডিং ও পোলিং অফিসারদের প্রয়োজনীয় সহযোগিতা প্রদান এবং যে কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটলে তাৎক্ষণিকভাবে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে অবহিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

অন্যদিকে বর্জনীয় অংশে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, কোনো প্রার্থী বা তার এজেন্টের কাছ থেকে খাবার, উপঢৌকন বা কোনো সুবিধা নেওয়া যাবে না। প্রার্থীদের সঙ্গে ছবি তোলা, ঘনিষ্ঠতা বা রাজনৈতিক আলোচনা নিষিদ্ধ। ভোটারকে প্রভাবিত করা, পক্ষপাতমূলক আচরণ, অপ্রয়োজনে বলপ্রয়োগ, রাজনৈতিক মিছিলে অংশগ্রহণ কিংবা সামাজিক মাধ্যমে রাজনৈতিক পোস্ট বা মন্তব্য করাও নিষিদ্ধ করা হয়েছে।