Image description
 

ফরিদপুরে একটি পুকুর থেকে আগ্নেয়াস্ত্রসহ বিপুল পরিমাণ দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার করেছে যৌথ বাহিনী। উদ্ধার হওয়া অস্ত্রের ধরন ও পরিমাণ দেখে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ধারণা করছে, এগুলো কোনো সংঘবদ্ধ অপরাধচক্রের ব্যবহারের জন্য গোপনে মজুত করে রাখা হয়েছিল।

শনিবার (৭ ফেব্রুয়ারি) দুপুর ১টা থেকে বিকেল প্রায় ৬টা পর্যন্ত গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এই অভিযান চালানো হয়। অভিযানে নেতৃত্ব দেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল মিনহাজ। এতে সেনাবাহিনীসহ বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন।

অভিযানকালে ফায়ার সার্ভিসের সহায়তায় পুকুরের পানি সেচে ফেলা হয়। পরে পানির নিচে তল্লাশি চালিয়ে কৌশলে লুকিয়ে রাখা অস্ত্রগুলো উদ্ধার করা হয়। দীর্ঘ সময় ধরে চলা এ অভিযানে স্থানীয়দের মধ্যে কৌতূহল ও চাঞ্চল্য দেখা যায়।

উদ্ধার করা অস্ত্রের মধ্যে রয়েছে ৪টি পিস্তল ও ১৬ রাউন্ড গুলি, ২টি কাটা পাইপগান ও ২ রাউন্ড গুলি, ৫টি চাইনিজ কুড়াল, ৬৫টি ছোট-বড় ছেনদা, ৮টি বল্লম, ৬টি ছোট-বড় চাকু, ১০১টি বর্ষার মাথা, ১টি টেটা এবং ৫টি খালি কাঁচের মদের বোতল। অস্ত্রগুলো মাটির নিচে ও পানির তলদেশে বিশেষভাবে লুকিয়ে রাখা ছিল বলে জানানো হয়েছে।

উদ্ধারকৃত অস্ত্র ও গোলাবারুদ প্রাথমিকভাবে যৌথ বাহিনীর ক্যাম্পে নেওয়া হয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কাউকে আটক করা হয়নি। তবে অস্ত্রগুলো কারা, কী উদ্দেশ্যে এবং কতদিন ধরে সেখানে মজুত করে রেখেছিল তা জানতে তদন্ত শুরু করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

ফরিদপুর সেনা ক্যাম্প সূত্র জানায়, অপরাধ দমন ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে এ ধরনের অভিযান ভবিষ্যতেও চলবে। একই সঙ্গে অস্ত্র মজুদের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে গোয়েন্দা নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।

স্থানীয়দের আশা, এমন অভিযানের মাধ্যমে এলাকায় নিরাপত্তা পরিস্থিতি আরও স্বাভাবিক থাকবে।