আন্দোলনরত ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীদের ছত্রভঙ্গ করতে নিরাপত্তা বাহিনী আগ্নেয়াস্ত্রের ব্যবহার করেনি বলে দাবি করেছে অন্তর্বর্তী সরকার। শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) প্রধান উপদেষ্টার ভেরিফায়েড ফেসবুকের পোস্টে এ দাবি করা হয়েছে।
এতে বলা হয়, বিক্ষোভকারীরা ব্যারিকেড ভেঙে যমুনা অভিমুখে যাওয়ার চেষ্টা করলে এবং একপর্যায়ে জলকামানের ওপর উঠে পড়লে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সাউন্ড গ্রেনেড ও জলকামান ব্যবহার করে। সরকার স্পষ্টভাবে জানাচ্ছে, এ সময় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী কোনো ধরনের গুলি ছোড়েনি।
এর আগে ইনকিলাব মঞ্চের ফেসবুক পেজে দাবি করা হয়, ‘জাবের গুলিবিদ্ধ। জুমা-শান্তাকে বুট দিয়ে পাড়ানো হইছে।’ পরে আরেক পোস্টে বলা হয়, ‘আপাতত কোনো জমায়েত করবেন না। আমরা চিকিৎসা নিয়ে আবার রাজপথে আসব। সেই পর্যন্ত নিরাপদে থাকার আহ্বান জানাই।’
ইনকিলাব মঞ্চের নেতাকর্মীরা জানান, শরিফ ওসমান হাদি হত্যার বিচার দাবির কর্মসূচি ঘিরে সংঘর্ষে তাদের অন্তত ৪০ জন আহত হয়েছেন। তাদের মধ্যে ইনকিলাব মঞ্চের সদস্যসচিব আবদুল্লাহ আল জাবের গুলিবিদ্ধ হয়েছেন।
তবে সরকারের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, জনশৃঙ্খলা রক্ষা এবং প্রধান উপদেষ্টার নিরাপত্তা নিশ্চিত করার স্বার্থে যমুনা ও সংলগ্ন এলাকায় যেকোনো প্রকার সভা-সমাবেশ, মিছিল, গণজমায়েত ও বিক্ষোভ নিষিদ্ধ। এ প্রেক্ষাপটে পুলিশ সম্পূর্ণ নিয়মতান্ত্রিক ও আইনানুগভাবে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে। এ সময় কোনো ধরনের আগ্নেয়াস্ত্র (lethal weapon) ব্যবহার করা হয়নি বলে ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশ নিশ্চিত করেছে।