Image description
 

নবম জাতীয় পে-স্কেলের দাবিতে আন্দোলন শুরু করেছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। তারা সরকারের বিদ্যমান স্কেল অনুযায়ী বেতন পেলেও সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীদের ন্যায় অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা পান না। কেবল উৎসব ভাতা ও বৈশাখী ভাতাই সরকারি চাকরিজীবীদের ন্যায় পাবেন তারা। 

সোমবার (০২ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয় এবং একাধিক শিক্ষক নেতার সাথে কথা বলে জানা গেছে, নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের মূল বেতন শতভাগ বাড়বে। মূল বেতন বাড়লে বৈশাখী এবং উৎসব ভাতাও বাড়বে। তবে শিক্ষকরা বাড়ি ভাড়া পাবেন ১৫ শতাংশ। যেখানে সরকারি চাকরিজীবীদের বাড়ি ভাড়া ৪৫ থেকে ৬০ শতাংশ পর্যন্ত হয়ে থাকে। 

শুধু বাড়ি ভাড়াই নয়, চিকিৎসা ভাতা প্রাপ্তির ক্ষেত্রেও বৈষম্যের শিকার হবেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা। বর্তমানে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চিকিৎসা ভাতা পান ৫০০ টাকা। নতনু পে-স্কেল অনুমোদিত হলে সরকারি চাকরিজীবীদের চিকিৎসা ভাতা ৪ হাজার থেকে ১০ হাজার টাকা পর্যন্ত বৃদ্ধি পাবে।

এছাড়া সরকারি চাকরিজীবীদের টিফিন ভাতা বৃদ্ধি পেয়ে এক হাজার টাকা হবে। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা এক্ষেত্রে কোনো ভাতাই পাবেন না। এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের কোনো বিনোদন ভাতা নেই। তবে সরকারি কর্মচারীরা এক বছর পর পর মূল বেতনের বিনোদন ভাতা পেয়ে থাকেন। 

বর্তমানে সরকারি চাকরিজীবীদের দুই সন্তানের জন্য প্রত্যেক মাসে এক হাজার টাকা করে শিক্ষা ভাতা দেওয়া হচ্ছে। এটি দুই হাজার টাকা করার সুপারিশ করা হয়েছে। তবে এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের সন্তানদের জন্য কোন শিক্ষা ভাতা নেই। শিক্ষা ভাতা সরকারি কর্মচারীদের সন্তানরা বিশ্ববিদ্যালয় পর্যন্ত পেয়ে থাকেন। 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী দ্য ডেইলি ক্যাম্পাসকে বলেন, ‘নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন হলে এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা চারটি বড় সুবিধা পাবেন। প্রথমত তাদের মূল বেতন বাড়বে। মূল বেতন বাড়লে উৎসব ভাতা এবং বৈশাখী ভাতাও বৃদ্ধি পাবে। সবশেষ মূল বেতন বাড়লে শিক্ষকদের অবসর ও কল্যাণ সুবিধা অনেক বেড়ে যাবে। ফলে পে-স্কেলের প্রজ্ঞাপন এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের জন্যও প্রয়োজন।’