Image description
 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভাইস প্রেসিডেন্ট সাদিক কায়েমকে ‘বেয়াদব’ বলে সম্বোধন করায় ন্যাশনাল সিটিজেন পার্টির (এনসিপি) নেতা অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিবকে শোকজ করা হয়েছে। একই সঙ্গে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গের অভিযোগে তাকে লিখিত ব্যাখ্যা দিতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। শোকজ নোটিশটি জারি করেছে ন্যাশনাল লইয়ার্স অ্যালায়েন্স (এনএলএ)। 

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, সাংগঠনিক শৃঙ্খলা ও শালীনতা পরিপন্থী বক্তব্যের কারণে তাকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং কেন স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হবে না—সে বিষয়ে তিন কার্যদিবসের মধ্যে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছে।

এদিকে এনএলএর পক্ষ থেকে পৃথক এক সাংগঠনিক আদেশে জানানো হয়, সংগঠনের শৃঙ্খলা সংক্রান্ত বিষয় নিষ্পত্তির লক্ষ্যে একটি তদন্ত উপ-কমিটি গঠন করা হয়েছে। ওই কমিটির প্রধান হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে অ্যাডভোকেট মোস্তফা আজগার শরীফীকে।

উল্লেখ্য, নাজমুস সাকিব দীর্ঘদিন ধরেই বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সঙ্গে রাজনৈতিক জোটের বিরোধিতা করে প্রকাশ্যে বক্তব্য দিয়ে আসছেন। তিনি তার বক্তব্যে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে জামায়াতের ভূমিকা, হত্যাযজ্ঞে সমর্থন, নারী নেতৃত্ববিরোধী অবস্থান এবং ধর্মীয় উগ্রবাদী নীতি চাপিয়ে দেওয়ার অভিযোগ তুলে ধরেন।

সম্প্রতি বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং সাবেক তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলমকে নিয়ে দেওয়া এক বক্তব্যের প্রেক্ষাপটে সাবেক ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েমকে ‘বেয়াদব’ বলে সম্বোধন করেন নাজমুস সাকিব। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করেই রাজনৈতিক ও পেশাজীবী অঙ্গনে আলোচনা ও সমালোচনার সৃষ্টি হয়।

অ্যাডভোকেট নাজমুস সাকিব ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আইন বিষয়ে অনার্স ও মাস্টার্স সম্পন্ন করেন। তিনি কক্সবাজার-২ (মহেশখালী-কুতুবদিয়া) আসন থেকে এনসিপির মনোনয়ন প্রত্যাশী ছিলেন।

এ বিষয়ে নাজমুস সাকিবের প্রতিক্রিয়া জানতে চাওয়া হলে তিনি কেবল চিঠি প্রাপ্তির কথা স্বীকার করেছেন।