Image description

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সাইবার স্পেস এখন প্রচারে সরগরম। বিশেষ করে নতুন এবং তরুণ ভোটারদের টার্গেট করেই নির্বাচনে অংশগ্রহণকারী প্রার্থীরা নেমেছেন মাঠে। নির্বাচনি উত্তাপ ছড়িয়ে পড়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুক, এক্স, ইউটিউব, টিকটকসহ নানান প্ল্যাটফর্মে। ডিজিটাল দুনিয়ায় ভোটারদের মন জয় করতে প্রার্থীরা মরিয়া হয়ে উঠেছেন। অবলম্বন করছেন সাইবার স্পেসে প্রচারের আধুনিক সব কৌশল। প্রচারে রাজনৈতিক বার্তা এখন দীর্ঘ বক্তৃতার চেয়ে ১৫-৩০ সেকেন্ডের টিকটক বা ফেসবুক রিলসে বেশি ব্যবহার করছেন।

বিশেষ করে প্রার্থীরা তাদের দৈনন্দিন কর্মকাণ্ড বা ছোট ছোট জনহিতকর কাজ ভিডিও আকারে তুলে ধরছেন। নির্বাচনে এআইয়ের প্রভাবও চোখে পড়ার মতো। প্রার্থীর ডিজিটাল অবতার ব্যবহার করে ভোটারদের ব্যক্তিগতভাবে মেসেজ পাঠানো বা এআই দিয়ে তৈরি নির্বাচনি গান ব্যাপক জনপ্রিয়তা পেয়েছে। তরুণ প্রজন্মের কাছে জনপ্রিয় ইউটিউবার বা সোশ্যাল মিডিয়া ইনফ্লুয়েন্সারদের মাধ্যমে প্রচ্ছন্নভাবে দলীয় এজেন্ডা প্রচার করা হচ্ছে। প্রতিপক্ষকে সরাসরি আক্রমণ না করে কার্টুন বা ব্যঙ্গাত্মক শর্ট ফিল্মের মাধ্যমে তাদের ব্যর্থতা তুলে ধরছেন। নির্বাচনি উত্তাপ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গুজব এবং অপপ্রচার। ডিপফেক প্রযুক্তি ব্যবহার করে ভুয়া ভিডিও তৈরি করে প্রার্থীর সম্মানহানির চেষ্টা করা হচ্ছে। চলছে প্রার্থীদের ব্যক্তিগত ও পারিবারিক সম্মানহানির চেষ্টা।

সাইবার জগতে প্রচার বৃদ্ধি প্রসঙ্গে সুশাসনের জন্য নাগরিক (সুজন) চট্টগ্রামের সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট আকতার কবীর চৌধুরী বলেন, ‘সাইবার স্পেস এখন আর শুধু তথ্য আদান-প্রদানের মাধ্যম নয়, বরং এটি জনমত গঠনের প্রধান ক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। ডিজিটাল এ লড়াইয়ে যে দল যত বেশি সৃজনশীল এবং তথ্যনির্ভর হতে পারবে, নির্বাচনি বৈতরণী পার হওয়া তাদের জন্য ততটাই সহজ হবে। তবে প্রযুক্তিকে ব্যবহার করে গুজব ও অপপ্রচারও চলছে। যা দেখে বিভ্রান্ত হচ্ছেন সাধারণ ভোটাররা। আর চট্টগ্রাম-২ ফটিকছড়ি আসনে বিএনপি প্রার্থী সরোয়ার আলমগীর বলেন, প্রযুক্তি ব্যবহার করে একটি গ্রুপ নানান অপপ্রচার করছে। আশা করছি ভোটাররা বিভ্রান্ত হবেন না। তারা ত্যাগী নেতাকে মূল্যায়নে ভুল করবে না।