অন্তর্বর্তী সরকারের প্রায় দেড় বছরের মেয়াদে সবচেয়ে অকার্যকর মন্ত্রণালয়ের তকমা পেয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এ মন্ত্রণালয়ের যে গতিতে জামায়াতিকরণ হয়েছে; সে গতিতে পরিচালনা করা হয়নি। ‘শিক্ষাই জাতির মেরুদ-’ অথচ শিক্ষা মন্ত্রণালয় হয়ে গেছে মেরুদ-হীন। এ মন্ত্রণালয়ে গুরুত্বপূর্ণ দখল আর রাজনৈতিক দূষণের বাইরে কিছুই হয়নি; বরং সরকারের শেষ মুহূর্তে এসে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে লুটপাটের যেন আখেরি আয়োজন চলছে।
অন্তর্বর্তী সরকার ক্ষমতা গ্রহণের পর অতি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রত্যাশিত ও সময়োপযোগী তেমন কোনো কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়নি। গুরুত্বপূর্ণ পদ-পদবি দখল আর রাজনৈতিক দূষণের কবলে পড়ে ল-ভ- হয়েছে শিক্ষা রুটিন, শিক্ষকরা ক্লাস ছেড়ে দিনের পর দিন ছিলেন রাস্তায় (মন্ত্রণালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিদের প্রশ্রয়েই), শিক্ষার উন্নয়নে নেই কোনো উদ্যোগ। ঢাকার সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের বিষয়েও কোনো কার্যকর ব্যবস্থা নিতে ব্যর্থ হয়েছে মন্ত্রণালয়; বরং এসব কলেজের শিক্ষার্থীরা কয়েক দিন পরপরই ঢাকার রাস্তা অবরোধ করে নাজেহাল করছেন রাজধানীবাসীকে। গত বছর শেষ সময়ে হলেও এ বছর দীর্ঘ সময় পেলেও নির্ধারিত সময়ে সব শিক্ষার্থীর হাতে বইও পৌঁছাতে পারেনি মন্ত্রণালয়। নি¤œমানের বইয়ের ক্ষেত্রে আপসহীন মনোভাব দেখালেও বাস্তবে মিলছে তার ভিন্ন চিত্র। এসব বিষয়ে কোনো পদক্ষেপ নিতে না পারলেও নিয়োগ-পদোন্নতি আর জামায়াতপন্থিদের নিয়োগের ক্ষেত্রে অন্য যেকোনো মন্ত্রণালয়ের চেয়ে কয়েকগুণ এগিয়ে আছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
জানতে চাইলে শিক্ষক-কর্মচারী ঐক্যজোটের মহাসচিব মো. জাকির হোসেন বলেন, শিক্ষা মন্ত্রণালয় শুরু থেকেই নিয়ন্ত্রণে নিয়েছে জামায়াত। তারা মন্ত্রণালয়ের গুরুত্বপূর্ণ পদে আসীন হয়ে পুরো শিক্ষা খাতে বেছে বেছে নিজেদের লোকজন বসিয়েছে, পদোন্নতি দিয়েছে। এখন আবার যেসব নিয়োগ প্রক্রিয়া শুরু করেছে, সেখানেও তারা তাদের লোকজন বসাবেÑ এটি স্বাভাবিক। এছাড়া যেখানে এক মাসেরও কম সময় পর নির্বাচন, তখন কেন নিয়োগ কিংবা এমপিওভুক্তির মতো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে? বরং এ ধরনের সিদ্ধান্ত নির্বাচিত সরকারের পক্ষ থেকে হওয়া উচিত।
ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে আন্তর্বর্তী সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকেই শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের একের পর এক যৌক্তিক-অযৌক্তিক দাবি-দাওয়ার নামে আন্দোলনে কার্যকর কোনো ব্যবস্থা গ্রহণ করতে পারেনি মন্ত্রণালয়টির দায়িত্বপ্রাপ্ত দুই উপদেষ্টা। দীর্ঘদিন ধরে চলে আসা দুর্নীতি-অনিয়ম কিংবা ভোগান্তি কমাতেও নেয়া হয়নি কোনো উদ্যোগ; বরং নিয়োগ-বদলি বাণিজ্য ছাড়া বাকি সব ক্ষেত্রেই বিগত দিনের চেয়ে পিছিয়ে আছে। এসব বিষয়ে মন্ত্রণালয়ের নজর না থাকলেও উপদেষ্টার জ্ঞাত বা অজ্ঞাতসারে শিক্ষা মন্ত্রণালয়কে ছেড়ে দেয়া হয়েছে জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে। মন্ত্রণালয়ের সচিব থেকে শুরু করে গুরুত্বপূর্ণ কর্মকর্তা, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি, প্রো-ভিসি, ট্রেজারার, মন্ত্রণালয়ের অধীনস্ত বিভিন্ন অধিদফতর, বোর্ড, প্রতিষ্ঠানে বেছে বেছে বসানো হয়েছে জামায়াতপন্থিদের। নিয়োগ-পদোন্নতি সব ক্ষেত্রেই নিজেদের লোকদের বসানো হয়েছে। অন্যদিকে, বিএনপির যারা দায়িত্বে ছিলেন বা আছেন, তারা মনোযোগী নিজেদের আখের গোছাতে। তারা বিএনপির নাম ব্যবহার করে কতিপয় কর্মকর্তার সঙ্গে মিলে গড়ে তুলেছেন সিন্ডিকেট। যারা জামায়াতকে তাদের ভাগ দিয়ে বাকি বিভিন্ন পদে নিয়োগ, বদলিসহ সব বাণিজ্য নিয়ন্ত্রণ করছেন।
এখন শেষ সময়ে লুটপাটের জন্য শিক্ষা এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় দুটি উদ্যোগ নিয়েছে। নির্বাচনের এক মাসেরও কম সময় আগে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করতে তোড়জোড় শুরু করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। আর নিয়োগ পরীক্ষায় ব্যাপক অনিয়ম, জালিয়াতির পরও তা স্থগিত না করে ফলাফল ঘোষণা করে নিয়োগ কার্যক্রম চালিয়ে যেতে চায় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনের ঠিক আগে আগে সবাই যখন নির্বাচনমুখী, নির্বাচন নিয়ে ব্যস্ত, তখন এই দুই মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত ব্যক্তিরা দুটি উদ্যোগের মাধ্যমে শেষ সময়ে লুটপাট চালানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন।
শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা যায়, গত ৭ জানুয়ারি বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে একটি গণবিজ্ঞপ্তি জারি করা হয়। ওই গণবিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ১৪ থেকে ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন গ্রহণ করা হবে। গত বুধবার থেকে নতুন করে দেড় হাজার বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করতে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। এত বড় কর্মযজ্ঞ দুই সপ্তাহের কম সময়ের মধ্যে কীভাবে শেষ করা হবে বা কেনই-বা করতে হবে, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। নীতিমালা অনুযায়ী, নির্দিষ্ট যোগ্যতা ও প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ইএমআইএস পোর্টালে অনলাইনে জমা দিতে হয়। এতে প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন, জমির দলিল, শিক্ষক-কর্মচারীদের সব সনদের কপি, দায়বদ্ধতার অঙ্গীকারপত্র, টিডিসি রিপোর্টসহ প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে হয়, যা একটি দীর্ঘ প্রক্রিয়া। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের যোগ্যতা, যাচাই-বাছাই ও নিয়মিত পরিদর্শন করে এমপিওভুক্ত করতে স্বাভাবিকভাবে ছয় মাসের বেশি সময় লেগে যায়। সেখানে নির্বাচনের আগেই দ্রুততার সঙ্গে (এক মাসের কম সময় মধ্যে) এই কাজ শেষ করতে চায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়। একদিকে শিক্ষক ও শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের এমপিওভুক্তি নিয়ে চলছে তোড়জোড়, অন্যদিকে এই কাজে আর্থিক লেনদেন না করতে বলছে মন্ত্রণালয়। বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির ক্ষেত্রে কারো সঙ্গে যোগাযোগ বা আর্থিক লেনদেনে না জড়ানোর জন্য গত বৃহস্পতিবার সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ জানিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে বলা হয়, এমপিওভুক্তির পুরো প্রক্রিয়া অনলাইনে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে সম্পন্ন হবে। এতে কোনো ধরনের ম্যানুয়াল মূল্যায়নের সুযোগ নেই।
এদিকে দুই ধাপে ১৪ হাজার ৩৮৫টি শূন্য পদে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের উদ্যোগ নেয় প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। গত ৯ জানুয়ারি এই পদের নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। কিন্তু পরীক্ষায় সারাদেশে ব্যাপক জালিয়াতি ও অনিয়মের ঘটনা ঘটে। আর্থিক লেনদেন ও জালিয়াত চক্রের মাধ্যমে ডিভাইস ব্যবহার করে পরীক্ষা দিয়েছেন অসংখ্য চাকরিপ্রার্থী। হাতেনাতে ধরাও পড়েছেন শতাধিক পরীক্ষার্থী। পাশাপাশি পরীক্ষা শুরুর আগেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্নপত্র ছড়িয়ে পড়ার অভিযোগ রয়েছে। জালিয়াতি ও অনিয়মের ব্যাপকতা বেশি থাকায় এ নিয়োগ পরীক্ষা বাতিলের দাবি জানিয়েছেন সাধারণ চাকরিপ্রার্থীরা। তারা পুনরায় প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে পরীক্ষা নেয়ার দাবি তুলেছেন। এ দাবি আদায়ে চাকরিপ্রার্থীরা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদফতর ঘেরাওসহ নানা কর্মসূচিও পালন করেছেন। পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষার দুদিন আগে সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া প্রশ্নের একটি অংশ থেকে হুবহু কয়েকটি প্রশ্ন পরীক্ষায় এসেছে। ২৫ ডিসেম্বর প্রশ্নপত্র জেলা পর্যায়ে পাঠিয়ে দিয়ে তার প্রায় দুই সপ্তাহ পর পরীক্ষা নেয়ায় চক্রের হাতে প্রশ্নপত্র চলে গেছে বলে অভিযোগ তাদের।
সরকারের শেষ সময়ে তাড়াহুড়ো করে প্রাথমিকে এই বিপুল সংখ্যক নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, এমনিতেই শিক্ষা খাত জামায়াতের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। এই নিয়োগের মাধ্যমে প্রাথমিকে তাদের লোকবল নিয়োগের সর্বশেষ প্রক্রিয়া হিসেবেই তাই দেখছেন অনেকে। আবার জামায়াতের বাইরে থাকা একটি অংশ নিয়োগ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে মনোযোগী লুটপাটে।
এছাড়া এত দিন খালি থাকলেও শেষ সময়ে এসে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদফতর (মাউশি), জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) ও জাতীয় শিক্ষা ব্যবস্থাপনা একাডেমি (নায়েম) শীর্ষ তিন পদে দ্রুতগতিতে নিয়োগ দিতে লোক খুঁজছে মন্ত্রণালয়। সম্প্রতি মাউশিতে দুজন পরিচালক ও এনসিটিবিতে দুজন সদস্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে। এ নিয়োগ নিয়েও বিতর্ক চলছে। সদ্য নিয়োগ পাওয়া চারজনের মধ্যে এনসিটিবির একজন সদস্য ও মাউশির একজন পরিচালক আওয়ামী মতাদর্শের কর্মকর্তা বলে অভিযোগ রয়েছে। এর মধ্যে এনসিটিবিতে নিয়োগ পাওয়া ড. এ কে এম মাসুদুল হক আওয়ামী লীগের সাবেক এমপি ইকবালুর রহমানের ঘনিষ্ঠ, ভারতীয় ভাবধারার প্রতিষ্ঠান বিবেকানন্দ শিক্ষা ও সাংস্কৃতি পরিষদের দিনাজপুর জেলার সভাপতি। তিনি এর আগে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রকের দায়িত্বে ছিলেন। তিনি জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের আওয়ামী লীগের পক্ষে সক্রিয় ভূমিকা রাখায় শিক্ষার্থীদের একটি অংশ তার পদত্যাগ দাবি করেন। শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে তিনি পদত্যাগ করেছিলেন। যদিও তিনি সমঝোতার মাধ্যমে পরে কলেজে ফেরত এসেছিলেন। এছাড়া প্রাথমিক শিক্ষাক্রম বিভাগের সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন প্রফেসর ড. মো. ইকবাল হায়দার।
এদিকে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তফসিলের আগের দিন গত ১১ ডিসেম্বর রাতে দেশের শিক্ষাসংশ্লিষ্ট সরকারি বিভিন্ন দফতর-প্রতিষ্ঠানের ৫২৫ জন ক্যাডার কর্মকর্তাকে বদলি-পদায়ন করা হয়। এই বদলি প্রক্রিয়ায় বিপুল অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। এক রাতে এত বিপুল সংখ্যক কর্মকর্তার বদলি ও পদায়ন শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ইতিহাসে নজিরবিহীন। একই দিনে আরো দুই হাজার ৭০৬ জনকে পদোন্নতি দেয়া হয়। এর মধ্যে ৯৯৫ জন প্রফেসর এবং এক হাজার ৭১১ জন সহযোগী অধ্যাপক পদে উন্নীত হন। পাশাপাশি ৯৪ জনকে বিভিন্ন সরকারি কলেজে প্রিন্সিপাল ও ভাইস-প্রিন্সিপাল পদে পদায়ন করা হয়। এই বদলি-পদায়ন প্রক্রিয়াকে ঘিরে বিপুল অঙ্কের অর্থ লেনদেনের অভিযোগ উঠেছে। সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, প্রশাসনিক ও লোভনীয় পদে বদলির ক্ষেত্রে লাখ লাখ টাকার লেনদেন হয়েছে। এসব অনিয়মের পেছনে শিক্ষা উপদেষ্টার ঘনিষ্ঠ এক ব্যক্তি, উপদেষ্টার পিএসসহ মন্ত্রণালয়ের একজন যুগ্ম সচিব, মাউশির দু’জন পরিচালকের সমন্বয়ে একটি সিন্ডিকেট জড়িত রয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
এই সিন্ডিকেটই ২০২৪ সালের ৪ আগস্ট যে ৪০ জন কর্মকর্তা মাউশিতে সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মুহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের পক্ষ থেকে মিছিল বের করে স্লোগান দিয়েছিলÑ ‘শেখ হাসিনা ভয় নাই, রাজপথ ছাড়ি নাই’, ‘শিক্ষামন্ত্রীর বাসায় হামলা কেন, খুনি খালেদা জবাব দে’, তাদের কাছ থেক পাঁচ থেকে ১২ লাখ টাকা করে নিয়ে জড়িতদের কাউকে কাউকে মাউশিতে, অন্যদের ঢাকা ও পার্শ্ববর্তী এলাকায় পদায়ন করেছে। এমনকি যারা এর সঙ্গে জড়িত ছিলেন, তাদেরকে বিষয়ে মাউশির একটি তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিলেও সেটি এখনো আলোর মুখ দেখেনি। অভিযোগ রয়েছে, মাউশির একজন পরিচালক তাদের পক্ষে ঢাল হয়ে দাঁড়িয়েছেন অতীতে এবং এখনো। আর মাউশির সাবেক মহাপরিচালক ড. মুহাম্মদ আজাদ খান সেই প্রতিবেদনের ফাইল পদত্যাগ করার পর বাসায় নিয়ে গেছেন। জানা যায়, অদ্যাবধি বেশ কয়েকজন মিছিলকারী উৎকোচের পরিমাণের কারণে মাউশি এবং বিভিন্ন স্কিমের পদগুলোতে বহাল আছেন।
এ বিষয়ে কথা বলার জন্য শিক্ষা উপদেষ্টা প্রফেসর ড. চৌধুরী রফিকুল আবরারকে ফোন দিলে তিনি বরাবরের মতোই ফোন ধরেননি।