Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে প্রথমাবের মতো আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন তিন শ্রেণির নাগরিক। এতে নিবন্ধন করেছেন ১৫ লাখের বেশি ভোটার। আসনভেদে যা ১৬ হাজারও ছাড়িয়ে গেছে। ফলে প্রতিদ্বন্দ্বিতাপূর্ণ নির্বাচন হলে ভোটের ফলাফল পাল্টে দিতে পারেন পোস্টাল ব্যালটের ভোটাররা।

 

প্রবাসী ও ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিতদের দীর্ঘদিনের চাহিদার প্রেক্ষিতে ভোট দেওয়ার সুযোগ আনে এ এম এম নাসির উদ্দিনের নেতৃত্বাধীন নির্বাচন কমিশন (ইসি)। আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় সংস্থাটি। ফলে ১২ ফেব্রুয়ারির ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ ও গণভোটে ‘অ্যাপে নিবন্ধনকারী’ ভোটাররা তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের সুযোগ পাচ্ছেন।

আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট কী
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার বিধান আগেও ছিল।

তবে আগে এর প্রয়োগ ছিল না। কেউ আবেদনও করতেন না। এবার প্রবাসীদের চাহিদার প্রেক্ষিতে ও অন্তর্বর্তী সরকারের নির্দেশনায় কার্যকর উপায় খুঁজে বের করার উদ্যোগ নেয় ইসি। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বুয়েট ও এমআইএসটি’র বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় এবং বিভিন্ন দেশের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট নেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়।
 

 

ভোট দিতে ইচ্ছুক ভোটাররা একটি অ্যাপে প্রথমে নিবন্ধন করবেন। এরপর নিবন্ধনকারীর দেওয়া ঠিকানায় ব্যালট পেপার ডাক যোগে পাঠিয়ে দেওয়া হবে—এমন সিদ্ধান্তের প্রেক্ষিতে প্রথমে ‘পোস্টাল ভোট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ তৈরি করা হয়। সেই অ্যাপেই ১৫ লাখ ৩৩ হাজার ৬৮২ জন ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এরমধ্যে ভোটের দায়িত্বে নিয়োজিত সরকারি চাকরিজীবী, কয়েদিরা দেশের ভেতর থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন। বাকিরা প্রবাসীরা ভোটার।

এখন নিবন্ধনকারী এসব ভোটারের ঠিকানায় পাঠানো ব্যালটে ভোট দিয়ে তা আবার তারা ফেরত পাঠাবেন। এই পদ্ধতির কিছু অংশ আইটি সাপোর্টেড। তাই এই পদ্ধতির নাম দেওয়া হয়েছে আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালট ভোটিং সিস্টেম।

 

ভোটের ব্যবধান
ইসি কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, পোস্টাল ব্যালটে এবার রেকর্ড সংখ্যক ভোটার নিবন্ধন করেছেন। অতীতে কখনো এমনটি হয়নি। এই ভোটাররা সঠিকভাবে ভোট দিলে পাল্টে যেতে পারে ভোটের ফলাফল। কেননা, অনেক আসনেই অতীতে ১০ হাজারেরও কম ভোটের ব্যবধানে প্রার্থীর জয়ী হওয়ার রেকর্ড আছে। আর পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য অনেক আসনে ১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন। এ ছাড়া নির্বাচনে এক ভোটেও হারতে পারেন অনেকে। এজন্য দেশের ভেতরের মতো প্রবাসীদের জন্যও এবার দল ও প্রার্থীদের ভোটের প্রচারে কৌশলী হতে হবে।

কোন আসনে কত ভোটার
পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করা হয়েছে ফেনী-৩ আসনে ১৬ হাজার ৯৩ জন নাগরিক। চট্টগ্রাম-১৫ আসনে ১৪ হাজার ৩০১ জন, কুমিল্লা-১০ আসনে ১৩ হাজার ৯৭৭ জন, নোয়াখালী-১ আসনে ১৩ হাজার ৬৫৮ জন, নোয়াখালী-৩ আসনে ১২ হাজার ৮২৯ জন, ফেনী-২ আসনে ১২ হাজার ৭৯৭ জন, কুমিল্লা-১ আসনে ১২ হাজার ৫৮৩ জন, সিলেট-১ আসনে ১২ হাজার ৪৫৮ জন, কুমিল্লা-৫ আসনে ১২ হাজার ৩৭৩ জন, কুমল্লিা-৬ আসনে ১১ হাজার ৯৪৩ জন, চাঁদপুর-৫ আসনে ১১ হাজার ৮৫২ জন, নোয়াখালী-৫ আসনে ১১ হাজার ৬৭৫ জন, ফেনী-১ আসনে ১১ হাজার ২৪৬ জন, কুমিল্লা-৯ আসনে ১১ হাজার ১৮৫ জন।

১০ হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন এমন চারটি আসন হলো—কক্সবাজার-৩, নোয়াখালী-৪, কুমিল্লা-৪, লক্ষ্মীপুর-২। নয় হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে নয়টি আসনে। এগুলো হলো— লক্ষ্মীপুর-৩, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৩, কক্সবাজার-১, কুমিল্লা-৩, সিলেট-৬, মুন্সীগঞ্জ-৩, চাঁদপুর-৪, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৪, নোয়াখালী-২।

আট হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন এমন আসন সংখ্যা ১০টি। এগুলো হলো—ঢাকা-৮, মুন্সীগঞ্জ-১, চাঁদপুর-৩, চাঁদপুর-২, কুমিল্লা-১, কুমিল্লা-৮, ঢাকা-১, ঢাকা-১৮, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৫, রাজবাড়ী-২।

সাত হাজারের বেশি ভোটার নিবন্ধন করেছেন এমন আসন সংখ্যা ১১টি। এগুলো হলো—সিলেট-৫, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-৩, চাঁদপুর-১, চট্টগ্রাম-২, ঢাকা-১৫, কিশোরগঞ্জ-২, কুমিল্লা-২, যশোর-২, ঝিনাইদহ-২, লক্ষ্মীপুর-১, পার্বত্য খাগড়াছড়ি।

ছয় হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে এমন আসন সংখ্যা ২১টি। এগুলো হলো—নরসিংদী-৫, যশোর-৩, চট্টগ্রাম-৫, চট্টগ্রাম-১৬, মৌলভীবাজার-৩, বরিশাল-৫, শরীয়তপুর-২, নারায়ণগঞ্জ-৩, চট্টগ্রাম-১, মৌলভীবাজার-১, কিশোরগঞ্জ-১, চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১, ঢাকা-১০, বরগুনা-১, ময়মনসিংহ-৪, সাতক্ষীরা-২, নরসিংদী-৪, সিলেট-৩, চট্টগ্রাম-১০, মাদারীপুর-৩, ঢাকা-৯।

পাঁচ হাজারের বেশি ভোটার রয়েছে ৪৬টি আসনে। এগুলো হলো—ব্রাহ্মণবাড়িয়া-২, ঢাকা-১৭, চট্টগ্রাম-১১, লক্ষ্মীপুর-৪, চট্টগ্রাম-৭, সাতক্ষীরা-১, মুন্সীগঞ্জ-২, ফরিদপুর-৪, কুমিল্লা-৭, টাংগাইল-৬, ঢাকা-২০, ঢাকা-১৩, চট্টগ্রাম-৮, মৌলভীবাজার-২, সুনামগঞ্জ-৫, ঢাকা-১৯, টাংগাইল-৮, ঝিনাইদহ-৩, গাজীপুর-৪, টাংগাইল-৩, পার্বত্য রাঙ্গামাটি, চুয়াডাঙ্গা-১, ঢাকা-১৪, চট্টগ্রাম-১৪, টাংগাইল-৫, মাদারীপুর-২, ময়মনসিংহ-১০, রাজশাহী-২, খুলনা-৩, রংপুর-৩, গাজীপুর-২, মানিকগঞ্জ-২, চুয়াডাঙ্গা-২, যশোর-৫, ব্রাহ্মণবাড়িয়া-৬, কিশোরগঞ্জ-৬, চট্টগ্রাম-৪, মাগুরা-১, বরিশাল-২, নেত্রকোণা-২, শরীয়তপুর-১, রাজবাড়ী-১, মাগুরা-২, টাংগাইল-২, বরগুনা-২, শরীয়তপুর-৩।

৫ হাজারের নিচে কিন্তু ১ হাজার ৫০০ ভোটারের বেশি নিবন্ধন করেছেন এমন আসনের সংখ্যা ১৭৬টি। সবচেয়ে কম নিবন্ধন হয়েছে বাগেরহাট-৩ আসনে ১ হাজার ৫৯৫ জন।

কোন জেলায় কত
জেলা ভিত্তিক পর্যালোচনায় দেখা গেছে, কুমিল্লাবাসী সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন করেছেন, ১ লাখ ১২ হাজার ৯০ জন। দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা জেলায় ১ লাখ ৮ হাজার ৭৫৫ জন, চট্টগ্রাম জেলায় ৯৫ হাজার ২৯৭ জন ও নোয়াখালী জেলায় ৬১ হাজার ২৫১ জন। অন্যগুলোতে ৫০ হাজারের নিচে নিবন্ধন হয়েছে। এক্ষেত্রে কম নিবন্ধন হয়েছে বান্দরবানে ৪ হাজার ৬৯৫ জন।

কোন দেশে কত
পোস্টাল ব্যালটের জন্য বাংলাদেশে বসবাসকারীদের মধ্যে থেকে নিবন্ধন করেছেন ৭ লাখ ৬১ হাজার ১৪০ জন। আর ১২৩টি দেশে বসবাসকারী প্রবাসীদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি নিবন্ধন হয়েছে সৌদি আরব থেকে ২ লাখ ৩৯ হাজার ১৮৬ জন, মালয়েশিয়া থেকে নিবন্ধন হয়েছে ৮৪ হাজার ২৯২ জন, কাতার থেকে ৭৬ হাজার ১৩৯ জন, ওমান থেকে ৫৬ হাজার ২০৭ জন, সংযুক্ত আরব আমিরাত থেকে ৩৮ হাজার ৫৭৪ জন, কুয়েত থেকে ৩৫ হাজার ৩৮৬ জন, যুক্তরাজ্য থেকে ৩২ হাজার ৪১৪ জন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ৩১ হাজার ৬৪ জন, ইতালি থেকে ২৪ হাজার ৪৪৪ জন। অন্যান্য দেশ থেকে ২০ হাজারের নিচে নিবন্ধন হয়েছে। সর্বনিম্ন একজন করে নিবন্ধন হয়েছে এমন দেশগুলো হলো— ক্যামেরুন, কলম্বিয়া, গায়ানা, নাইজার ও জিম্বাবুয়ে।

নারী ও পুরুষের হার
মোট ভোটারের মতো পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধনকারী ভোটারের মধ্যেও নারীর চেয়ে পুরুষের সংখ্যা বেশি। তবে এক্ষেত্রে ব্যবধানটা বেশ বড়। পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার জন্য নিবন্ধনকারী নারীদের সংখ্যা ২ লাখ ৫২ হাজার ২৪৬ জন আর পুরুষের সংখ্যা ১২ লাখ ৮১ হাজার ৪৩৪ জন।

কী বলছে ইসি
নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো, সানাউল্লাহ এ বিষয়ে বলেছেন, প্রবাসীদের দীর্ঘদিনের চাহিদার প্রেক্ষিতে আমরা আইটি সাপোর্টেড পোস্টাল ব্যালটে ভোট দেওয়ার ব্যবস্থা করেছি। সঠিকভাবে ভোটাররা ঠিকানা দিয়ে নিবন্ধন করলে সংশ্লিষ্ট ঠিকানায় ব্যালট পেপার পাঠিয়ে দেওয়া হবে। ভোটাধিকার প্রয়োগে দেশের গণতন্ত্রকে সুসংহত করতে পোস্টাল ব্যালটের ভোটাররাও ব্যাপক ভূমিকা রাখতে পারবেন।

কীভাবে ভোট দেবে
নির্বাচন কমিশনের পাঠানো খামে দুটো ব্যালট পেপার থাকবে। একটি জুলাই সনদ বাস্তবায়নে গণভোটের, অন্যটি সংসদ নির্বাচনের। ভোটার ইসির পাঠানো খামটি পাওয়ার পর অপেক্ষা করবেন। যখন প্রার্থিতা চূড়ান্ত হয়ে যাবে তখন তারা অ্যাপে প্রবেশ করে তার আসনের প্রার্থীদের দেখতে পারবেন। আর ভোটারের হাতে থাকা ব্যালটে কেবল প্রতীক থাকবে, কোনো নাম থাকবে না। অ্যাপে প্রার্থীর তালিকা দেখে ব্যালটে ভোট দিয়ে এবং গণভোট দিয়ে ফিরতি খামে ভরে নিকটস্থ পোস্ট অফিস বা পোস্টবক্সে ফেলে দিয়ে আসলেই তা সংশ্লিষ্ট আসনের রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে চলে আসবে। এরপর সেই ভোট নির্বাচনের দিন গণনা করবেন রিটার্নিং কর্মকর্তা। কোনো ব্যালট পেপার নির্বাচনের পরে এসে পৌঁছালে তা গণনা করা হবে না।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, পোস্টাল ব্যালট ভোটিংয়ে একটা বিরাট চ্যালেঞ্জ হলো সঠিক সময়ে ব্যালট পৌঁছানো এবং তা ফেরত নিয়ে আসা। এজন্য পোস্টাল ব্যালটের জন্য নিবন্ধনকারীরা দেশের নির্বাচনের বেশ কিছুদিন আগে ভোট দিতে পারবেন। যাতে নির্বাচনের আগেই ব্যালট এসে পৌঁছায়।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেছেন, ডাক বিভাগ জানিয়েছে সবচেয়ে দূরের দেশে একটি চিঠি পাঠাতে এবং আনতে ২৮ দিন লাগে। তাই দেশের ভোটারদের আগেই প্রবাসী ভোটাররা ভোট দেওয়ার সুযোগ পাবেন।

লক্ষ্যমাত্রা অর্জন হলো কি না
নির্বাচন কমিশন প্রবাসীকল্যাণ মন্ত্রণালয়, জনশক্তি ব্যুরো, পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব ইন্টারন্যাশনাল রিক্রটিং এজেন্সি-বায়রাসহ বিভিন্ন সংস্থার কাছ থেকে তথ্য সংগ্রহ করে দেখেছে এক কোটি ৪০ লাখ ৪৬ হাজার ৫৩৪ জন প্রবাসী রয়েছে বিভিন্ন দেশে। এদের মধ্যে ৭০ শতাংশের মতো ভোটারের জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) আছে বলে ধারণা ইসির। যাদের মধ্যে ৫০ শতাংশ প্রবাসী ভোটারের সাড়া পাবে বলে লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছিল সংস্থাটি।

ইসির সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ এ বিষয়ে বলেন, বিভিন্ন দেশে ঠিক কত সংখ্যক প্রবাসী রয়েছে তার সঠিক হিসাব নেই। প্রবাসীদের নিয়ে কাজ করেন এমন সংস্থাগুলোর সঙ্গে আমরা কথা বলে জেনেছি ১ কোটি ৩০ লাখের মতো বা কিছু বেশি প্রবাসী রয়েছে। এদের মধ্যে অন্তত ৭০ শতাংশ বাংলাদেশির এনআইডি আছে। সেই হিসেবে ৫০ লাখের মতো ভোটারকে পাবো বলে আশা করছি। যদিও পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের নির্বাচনে প্রবাসী ভোটের হার ২০ থেকে ২২ শতাংশের মতো হয়। তবে শেষ পর্যন্ত নির্বাচন কমিশন ২০ লাখ ব্যালট পেপার ছাপানোর প্রাথমিক প্রস্তুতি নিয়েছিল।

ভোটার প্রতি ব্যয় ৭০০ টাকা, প্রতি লাখে ৭ কোটি
‘পোস্টাল ব্যালট বিডি’ নামে একটি অ্যাপ ও সংশ্লিষ্ট প্রকল্পে ব্যয় ৪৮ কোটি টাকা এবং ভোটার প্রতি ব্যয় ধরা হয় ৭০০ টাকা। সব মিলিয়ে ব্যয় হচ্ছে ৪০০ কোটি টাকা।

ইসি সচিব আখতার আহমেদ বলেন, ভোটার প্রতি সব মিলিয়ে ব্যয় ধরা হয়েছে ৭০০ টাকা। এই টাকা ব্যালট পেপার প্রবাসীদের কাছে ডাকযোগে পাঠানো, আবার আনাসহ অন্যান্য কাজে ব্যয় হবে।

নির্বাচন কমিশনার আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ জানান, প্রতি এক লাখ ভোটারের জন্য ব্যয় হবে ৭ কোটি টাকার মতো। এ ছাড়া অ্যাপ তৈরিসহ প্রযুক্তিগত কাজের জন্য প্রকল্প ব্যয় ৪৮ কোটি টাকা।