যশোরে রানা প্রতাপ হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে কোনো ধরনের ধর্মীয় এবং সাংবাদিকতার সম্পর্ক নেই। তিনি একটি হত্যা মামলার আসামি ও আওয়ামী লীগ নেতা। দীর্ঘদিন ধরে চরমপন্থি রাজনীতির সঙ্গে জড়িত ছিলেন। পূর্ব শত্রুতার জেরে এ হত্যাকাণ্ড ঘটেছে।
মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) রাজধানীর বেইলি রোডের ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুলিশের বরাত দিয়ে প্রধান উপদেষ্টার জ্যেষ্ঠ সহকারী প্রেস সচিব ফয়েজ আহম্মদ এ তথ্য জানান।
তিনি বলেন, ৫ জানুয়ারি রানা প্রতাপ হত্যাকাণ্ডের পর সাংবাদিককে হত্যা করা হয়েছে জানিয়ে এবং তার ধর্মীয় পরিচয় ব্যবহার করে বিভিন্ন জায়গায় এক ধরনের অপপ্রচার চালানোর অপচেষ্টা করা হচ্ছিল।
ফয়েজ আহম্মদ জানান, এরই মধ্যে পুলিশ হত্যাকাণ্ডের তদন্ত ও এতে জড়িতদের গ্রেফতার করতে কার্যক্রম শুরু করেছে।