ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে দেশের রাজনীতির হিসাব-নিকাশ যেন এবার বেশ কিছুটা আগেই পালটে যাচ্ছে। কারণ রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি দেশের ব্যবসায়ী সমাজ, পেশাজীবী সংগঠন, এমনকি বাংলাদেশস্থ কূটনীতিকসহ সবাই ছুটে যাচ্ছেন বিএনপির কাছে। দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সঙ্গে তারা সবাই শুভেচ্ছা বিনিময় করছেন। বসছেন বৈঠকেও। ভোটের আগে অনুষ্ঠিত এসব বৈঠককে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বিশেষ তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছেন। তবে এ ঘটনাকে খুব একটা ভালো চোখে দেখছে না নির্বাচনে বিএনপির প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামী ও এনসিপিসহ বেশকিছু দল। জানা গেছে, তাদের মধ্যে অস্বস্তি তৈরি হয়েছে। ইতোমধ্যে এ ঘটনায় বিরূপ প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন দল দুটির নেতারা।
জামায়াতের নায়েবে আমির ডা. সৈয়দ আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ তাহের বুধবার এক সংবাদ সম্মেলনে অভিযোগ করেছেন, আইনশৃঙ্খলা বাহিনী ও প্রশাসন একটি দলকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছে। এর ফলে নির্বাচন প্রভাবিত হতে পারে বলে আশঙ্কা ব্যক্ত করেন তিনি। এর আগে সোমবার জামায়াতের নির্বাহী পরিষদের বৈঠকে প্রশাসনকে বিশেষ কোনো দলের দিকে ঝুঁকে না পড়ে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের আহ্বান জানানো হয়েছে। অন্যদিকে এনসিপির মুখপাত্র আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া নির্বাচন কমিশনে গিয়ে মঙ্গলবার অভিযোগ করেন, দেশে একটি পাতানো নির্বাচনের চেষ্টা চলছে। বিএনপির প্রতি ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, একটি নির্দিষ্ট দলের প্রতি প্রশাসনের পক্ষপাতিত্ব দেখা গেছে।
দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার ইতিহাসবিষয়ক গবেষক আলতাফ পারভেজ মনে করেন, তারেক রহমানের কাছে সবাই ছুটে যাওয়ার কারণ সবাই ধরে নিয়েছেন যে, বিএনপি ক্ষমতায় চলে আসবে। ফলে সবাই তার সঙ্গে যোগাযোগ গড়ে তোলার চেষ্টা করছেন। ক্ষমতার কাছাকাছি থাকা আমাদের সমাজের এক ধরনের সংস্কৃতি। ক্ষমতার সঙ্গে থাকলে সুযোগ-সুবিধা পাওয়া যায়, এজন্যই অনেকে নিজেকে বিনিয়োগ করে রাখতে আগ্রহী। অতীতেও এ ধরনের ঘটনা আমরা দেখেছি। এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, জামায়াত বা এনসিপি অসন্তুষ্ট হলেও এ মুহূর্তে তাদের কিছু করার আছে বলে মনে হয় না।
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষক অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম যুগান্তরকে বলেন, ৫ আগস্ট-পরবর্তী দেশের রাজনৈতিক অবস্থা আর এখনকার রাজনৈতিক অবস্থার মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। বিশেষ করে তারেক রহমানের দেশে ফেরার মধ্য দিয়ে বিএনপির রাজনীতিতে জাগরণ তৈরি হয়েছে। অনেকে ধরেই নিয়েছে দলটি আগামী দিনে সরকার গঠন করতে যাচ্ছে। এখন সবাই বিএনপি তথা তারেক রহমানের দিকে ঝুঁকছে। অন্যদিকে জামায়াতসহ অনেক রাজনৈতিক দল ‘ব্যাকফুটে’ চলে গেছে।
বস্তুত কিছুদিন আগ পর্যন্ত দেশের রাজনীতির চিত্রটা এখনকার তুলনায় বেশ কিছুটা উলটোই ছিল। রাষ্ট্রক্ষমতায় কোন দল আসছে তা নিয়ে ছিল নানা সংশয় ও আলোচনা। দু-এক মাস আগে কেউ কেউ এমনো বলেছেন, আগামী দিনের রাষ্ট্রক্ষমতার খুব নিকটবর্তী দূরত্বে অবস্থান করছে দেশের আরেকটি বৃহৎ রাজনৈতিক দল জামায়াতে ইসলামী। দলটির পালে আরেকটু হাওয়া লাগে ডাকসু ও জাকসুসহ চারটি ছাত্র সংসদ নির্বাচনে ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভালো ফলাফলে। তাছাড়া বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার অসুস্থতা এবং দলটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের দেশে ফেরার আগে নানা গুঞ্জন ছড়িয়ে দিয়েছিল একটি মহল। জাতীয় নির্বাচনের আগে স্থানীয় সরকার নির্বাচন, জুলাই সনদ বাস্তবায়ন এবং পিআর (আনুপাতিক প্রতিনিধিত্ব) পদ্ধতিতে নির্বাচনের দাবি নিয়েও জামায়াত, এনসিপি ও কয়েকটি ইসলামপন্থি দলের সঙ্গে বিএনপির বিরোধ তৈরি হয়েছিল। এ বিরোধের সূত্র ধরে বেশ কিছুদিন ঘোলা হয় দেশের রাজনীতি। সামগ্রিক পরিস্থিতিতে নভেম্বর পর্যন্ত নানা কারণে জামায়াতের তুলনায় বিএনপি কিছুটা চাপের মুখে ছিল বলে মনে হয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের কাছে।
কিন্তু সেই বিশ্লেষকরাই এখন বলছেন, নানা চড়াই-উতরাই পেরিয়ে পোড় খাওয়া রাজনৈতিক দল বিএনপি সাময়িক ধাক্কা খেলেও এখন নবোদ্যমে জেগে উঠেছে। সব সংশয়-সন্দেহ আর গুঞ্জনের ঘেরাটোপ পেরিয়ে তারেক রহমানের দেশের ফেরার পরপরই বদলে যেতে থাকে রাজনীতির গতিধারা। দীর্ঘ ১৭ বছর পর গত ২৫ ডিসেম্বর তারেক রহমানকে অভ্যর্থনা জানাতে রাজধানীজুড়ে লাখ লাখ মানুষের সমবেত হওয়ার ঘটনায় বিএনপি যেন ফিনিক্স পাখির মতো জেগে ওঠে। ঢাকায় ফিরে তারেক রহমানের দেওয়া প্রথম বক্তব্য দেশের জনগণের মধ্যে ইতিবাচক বার্তা ছড়ায়। তিনি কারও বিরুদ্ধে সমালোচনা বা বিষোদ্গার না করে দেশ গড়ার বার্তা দেন।
এর কয়েকদিন পর তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপির চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুর ঘটনায় দল-মত নির্বিশেষে পুরো দেশবাসী শোকে মুহ্যমান হয়ে পড়ে। দেশের এই অভিভাবকের মৃত্যুর পর বেগম খালেদা জিয়ার প্রতি জনগণের অকৃত্রিম ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ ঘটে তার জানাজায় লাখ লাখ মানুষের অংশগ্রহণের মধ্য দিয়ে। মুসলিম বিশ্বে কোনো রাজনৈতিক নেতার জানাজায় এত মানুষের অংশগ্রহণের নজির নেই বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহল মনে করেন। তাদের মতে, মূলত দেশে ফেরার পর তারেক রহমানের বক্তব্য এবং খালেদা জিয়ার মৃত্যু-পরবর্তী পরিস্থিতিতে রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি জনগণের মধ্যেও এক ধরনের ঐক্য তৈরি হয়। এরপর থেকেই বদলাতে থাকে দেশের রাজনৈতিক পরিস্থিতি।
বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু যুগান্তরকে বলেন, বিএনপি বাংলাদেশের সবচেয়ে বড় দল। দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া এ দেশের মানুষের আশা-ভরসার স্থল ছিল। সেই জায়গায় তারেক রহমান এখন আমাদের দলের প্রধান। তার প্রতি মানুষের আস্থা থাকা স্বাভাবিক। এখানে যদি কোনো দল ঈর্ষান্বিত হয়, তাহলে তো আমাদের কিছু বলার নেই।
অবশ্য বিষয়টিকে ভিন্নভাবে দেখছেন জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল এইচএম হামিদুর রহমান আযাদ। যুগান্তরকে তিনি বলেন, সদ্য প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া দেশের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ছিলেন। তিনি আমাদের জোটের নেত্রী ছিলেন। দেশের জন্য তার অবদান আছে, এসব অস্বীকার করার উপায় নেই। তারপরও তিনি একজন মা। মা মারা গেলে সন্তানের কাছে যাওয়া, সহানুভূতি প্রকাশ করা-এটা আমরা দায়িত্ব মনে করে গিয়েছি। অন্য রাজনৈতিক দলগুলোও গিয়েছে। অনেকেই তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন। শোক জানিয়েছেন। এতে অতি উৎসাহী হয়ে যদি প্রশাসনের লোকজন ও মিডিয়া একদিকে ঝুঁকে পড়ে, তাহলে এটা তাদের এক ধরনের দেউলিয়াত্বের প্রকাশ।
বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাধারণ সম্পাদক সাইফুল হকের মতে, তারেক রহমানের সঙ্গে অনেকের সাক্ষাৎ করার ঘটনা স্বস্তি-অস্বস্তির বিষয় নয়। বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান ১৭ বছর পর দেশে এসেছেন। তার মা সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া মারা গেছেন। সেই জায়গা থেকে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল শোক জানিয়েছে। তারেক রহমানের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছে, এটা স্বাভাবিক। এটিও রাজনীতিরই অংশ। তিনি আরও বলেন, বিএনপি এখন রাজনীতিতে প্রধান কেন্দ্র। আগামী নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রধান ভূমিকা পালন করছে। ফলে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল ও সংগঠন স্বাভাবিকভাবেই বিএনপির শীর্ষ নেতা হিসাবে তারেক রহমানের সঙ্গে কথা বলবে।
বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির (সিপিবি) সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ ক্বাফি রতন যুগান্তরকে বলেন, বেগম খালেদা জিয়া একটি দলের প্রধান। তিনি একাধিকবার দেশের প্রধানমন্ত্রীর দায়িত্ব পালন করেন। তার মৃত্যুর পর আমরা শোক প্রকাশ করতে গিয়েছি। তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করাটাও সেই সৌজন্যতার অংশ।
গত এক সপ্তাহে বিভিন্ন রাজনৈতিক দল, সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেছেন। সর্বশেষ বুধবার তারেক রহমানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন চীনের রাষ্ট্রদূত ইয়াও ওয়েন। এর আগের দিন ইউরোপীয় ইউনিয়নের (ইইউ) রাষ্ট্রদূত মাইকেল মিলারের নেতৃত্বে একটি প্রতিনিধিদল তারেক রহমানের সঙ্গে দেখা করেন। সোমবার তার সঙ্গে দেখা করেন দেশের ব্যবসায়ী নেতারা। বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে গভীর শোক ও সমবেদনা জানানোর পাশাপাশি রাজনৈতিক দল, সামাজিক এবং পেশাজীবী সংগঠনের নেতারা তার কাছে নানা দাবি জানাচ্ছেন। পাশাপাশি আগামী দিনের প্রত্যাশার কথাও বলছেন। গত এক সপ্তাহে তারেক রহমানের সঙ্গে দেশের শীর্ষ ব্যবসায়ী ও একাধিক উদ্যোক্তা, বিভিন্ন দেশের কূটনীতিক ছাড়াও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, জাতীয় প্রেস ক্লাব নেতারা, শীর্ষস্থানীয় জাতীয় দৈনিকের সম্পাদকসহ সাংবাদিক নেতারা, বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের পরিচালকরা দেখা করেন। এছাড়া রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে বাম দলগুলোর জোট গণতান্ত্রিক যুক্তফ্রন্ট, জামায়াতে ইসলামী, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টি, নাগরিক ঐক্য, আমার বাংলাদেশ পার্টি (এবি পার্টি), গণসংহতি আন্দোলন, জমিয়তে উলামায়ে ইসলাম বাংলাদেশ, লেবার পার্টি, ডাকসুর নির্বাচিত নেতারাসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার অনেকে দেখা করেছেন তারেক রহমানের সঙ্গে।
গত দুসপ্তাহের মধ্যে কোনো রাজনৈতিক দলকে জামায়াতের সঙ্গে বৈঠক করতে দেখা যায়নি। তবে বুধবার জামায়াতের আমিরের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ইউরোপীয় এক্সটার্নাল অ্যাকশন সার্ভিসের এশিয়া ও প্রশান্ত মহাসাগরীয় বিভাগের পরিচালক পাওলা পাম্পালোনি। এছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নিয়াজ আহমেদ খান মঙ্গলবার দেখা করেন জামায়াতের আমিরের সঙ্গে। জামায়াত ও এনসিপির নির্বাচনি সমঝোতার উদ্যোগ বিএনপির জন্য বাড়তি স্বস্তি যোগ করেছে। কারণ ওই উদ্যোগে এনসিপি থেকে প্রভাবশালী বেশকিছু নেতা পদত্যাগ করেছেন। এতেও কিছুটা অস্বস্তিতে পড়েছে দুই দল। আবার জামায়াত ও ইসলামী আন্দোলনসহ ১১ দলের মধ্যে আসন সমঝোতার বিষয়টি এখনো নিষ্পত্তি হয়নি।
সবকিছু মিলিয়ে জামায়াত ক্ষমতায় আসতে পারবে, এমন বিষয়টি এখন আর জনমনে নিশ্চিত নয়। আর এ কারণেই দলটি প্রশাসন ও নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে নানা অভিযোগ করে যাচ্ছে বলে রাজনৈতিক পর্যবেক্ষক মহলে আলোচনা উঠেছে। দলটি বলছে, দেশে অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচনের পরিবেশ এখনো সৃষ্টি হয়নি।
ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনার সরকারের পতন ঘটে। ৮ আগস্ট অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে দায়িত্ব নেন ড. মুহাম্মদ ইউনূস। সেই থেকে আওয়ামী লীগবিহীন রাজনীতির চাকা ঘুরতে থাকে নতুন গন্তব্যের দিকে। কিছুদিন আগেও আওয়ামীবিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো একাট্টা ছিল। কিন্তু পিআর এবং জুলাই সনদ নিয়ে মতভেদের পাশাপাশি আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টিকে নিষিদ্ধ করার দাবি নিয়ে বিএনপির সঙ্গে জামায়াত ও এনসিপির দূরত্ব বাড়তে থাকে। এসব ইস্যুতে আন্দোলনে জামায়াতের সঙ্গে ইসলামি দলগুলো একাত্মতা প্রকাশ করে। আন্দোলন চলাকালে পরিস্থিতি এমন দাঁড়ায় যে, জামায়াতই নির্বাচনি মাঠ দখলে নিচ্ছে। একপর্যায়ে ইসলামি দলগুলোকে নিয়ে সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে বিশাল সমাবেশ করে নিজেদের শক্তিমত্তার জানান দেয় জামায়াত। ডাকসুসহ চারটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র সংসদ নির্বাচনে জামায়াতের ছাত্র সংগঠন ইসলামী ছাত্রশিবিরের ভূমিধস জয়ে জনমনে দলটির উত্থান নিয়ে নানা আলোচনা আরও গতি পায়। তবে আলোচনা ফিকে হয়ে আসে তারেক রহমানের দেশে ফেরার পরই।