নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির (এনএসইউ) নতুন উপ-উপাচার্য হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেছেন আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন শিক্ষাবিদ ও গবেষক ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ। আজ বৃহস্পতিবার (০১ জানুয়ারি) আনুষ্ঠানিকভাবে তিনি এই পদে যোগদান করেন।
দায়িত্ব গ্রহণের আগে ড. নেছার উদ্দিন আহমেদ যুক্তরাষ্ট্রের ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটিতে এপিডেমিওলজি বিষয়ে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত ছিলেন। তার গবেষণার প্রধান ক্ষেত্র দীর্ঘমেয়াদি রোগ, ক্যান্সার এপিডেমিওলজি, জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষণসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ জনস্বাস্থ্য বিষয়।
তিনি যুক্তরাষ্ট্রের টাফটস ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেন। এছাড়া ফিলিপাইনের ইউনিভার্সিটি অব দ্য ফিলিপাইনস অ্যাট লস বানোস থেকে এমপিএস ডিগ্রি এবং জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করেন।
ড. নেছার উদ্দিন আহমেদের গবেষণা প্রবন্ধ আমেরিকান জার্নাল অব পাবলিক হেলথ, এথনিসিটি অ্যান্ড ডিজিজ এবং ক্যানসার ডিটেকশন অ্যান্ড প্রিভেনশন-সহ আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বিভিন্ন জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ফ্লোরিডা ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটির এপিডেমিওলজি অ্যান্ড বায়োস্ট্যাটিস্টিকস বিভাগের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান ছিলেন এবং ২০০৪ থেকে ২০১২ সাল পর্যন্ত এ দায়িত্ব পালন করেন।
এছাড়া তিনি আন্তর্জাতিক সংগঠন কাউন্সিল অব এপিডেমিওলজি চেয়ারস অ্যান্ড ডিরেক্টরস (সিইসি)-এর প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন। গবেষণায় বিশেষ অবদানের জন্য তিনি চারবার আমেরিকান অ্যাসোসিয়েশন ফর ক্যান্সার রিসার্চ ও ন্যাশনাল ক্যান্সার ইনস্টিটিউট (এনসিআই)-এর ফ্যাকাল্টি স্কলার ইন ক্যান্সার রিসার্চ অ্যাওয়ার্ড লাভ করেন। সর্বশেষ ২০২৩ সালে তিনি ফুলব্রাইট স্কলার হিসেবে মনোনীত হন।
ড. নেছার উদ্দিন আহমেদের যোগদান উপলক্ষে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটির বোর্ড অব ট্রাস্টিজের প্রতিষ্ঠাতা আজীবন সদস্য ও সাবেক চেয়ারম্যান এম. এ. কাশেম, বোর্ড সদস্য মোহাম্মদ শাহজাহান, উপাচার্য অধ্যাপক আবদুল হান্নান চৌধুরী, কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক আবদুর রব খান, রেজিস্ট্রার ড. আহমেদ তাজমীনসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ডিন, বিভাগীয় চেয়ারম্যান, পরিচালক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাঁকে আন্তরিকভাবে স্বাগত জানান।
বিশ্বমানের বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে নর্থ সাউথ ইউনিভার্সিটিকে আরও এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে ড. নেছার উদ্দিন আহমেদের সুদক্ষ নেতৃত্ব, আন্তর্জাতিক একাডেমিক অভিজ্ঞতা ও গবেষণাভিত্তিক দৃষ্টিভঙ্গি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আশাবাদ ব্যক্ত করেছে।