Image description

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের ৯ মাস পর আগামী ১২ নভেম্বর স্থানীয় সরকার কাঠামোর সর্বনিম্ন স্তর ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) প্রথম ধাপের নির্বাচন শুরু করার পরিকল্পনা নিয়েছে নির্বাচন কমিশন (ইসি)। এর মাধ্যমে প্রত্যাশিত স্থানীয় সরকার নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে।

আসন্ন শীতে এ নির্বাচন উত্তাপ ছাড়াবে সারা দেশেই। প্রথম ধাপে ৮০টি উপজেলার ইউপিগুলোর নির্বাচন হবে। ঠাকুরগাঁও জেলা বাদে দেশের ৬৩ জেলার সদর বা কাছাকাছি উপজেলার ইউপিগুলো প্রথম ধাপের নির্বাচনের জন্য বেছে নেওয়া হবে। মোট সাতটি ধাপের এ নির্বাচনের দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল, সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোটগ্রহণের প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
 
প্রথম পাঁচটি ধাপেই বেশির ভাগ ইউপির নির্বাচন শেষ করা হতে পারে।

গতকাল সোমবার বিকেলে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে ইসির প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ সাংবাদিকদের এসব তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আমরা আজ (সোমবার) স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন নিয়ে প্রাক-প্রস্তুতিমূলক সভা করেছি এবং সভায় কতগুলো প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই সিদ্ধান্তগুলো চূড়ান্ত নয়।

তবে আপনারা এগুলোকে খসড়া সিদ্ধান্ত হিসেবে নিতে পারেন। আগামী ১৭ সেপ্টম্বর আমাদের ইন্টার-ডিপার্টমেন্টাল (আন্ত বিভাগীয়) একটি সভা রয়েছে, সেখানে এটি চূড়ান্ত হবে।’

আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘বাংলাদেশে মোট ইউনিয়ন পরিষদের সংখ্যা চার হাজার ৫৮০। এর মধ্যে প্রায় চার হাজার ২৭২টি ইউনিয়ন পরিষদ আগামী ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে নির্বাচনী তফসিলের মধ্যে ঢুকে যাবে। স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন অনুযায়ী, মেয়াদ শেষের আগের ১৮০ দিনের মধ্যে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার বিধান রয়েছে।

বিভিন্ন বাস্তবতার কারণে এর মধ্যে কিছু ইউনিয়ন পরিষদের মেয়াদ এরই মধ্যে উত্তীর্ণ হয়ে গেছে। সে কারণে আমরা (নির্বাচনের) প্রক্রিয়াটি শুরু করতে চাচ্ছি।’

এই নির্বাচন কমিশনার বলেন, ‘আমরা বাৎসরিক বিভিন্ন সময়সূচি বিবেচনায় নিয়েছি; যেমন—স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীদের বার্ষিক পরীক্ষা, জুনিয়র বৃত্তি পরীক্ষা, টেস্ট পরীক্ষা, এসএসসি পরীক্ষা, এইচএসসি পরীক্ষা, দুর্গাপূজা, রোজা, ঈদ এবং সব শেষে ঈদুল আজহা। এগুলো বিবেচনায় নিয়ে যে সময়টুকু পেয়েছি, তা থেকে আশা করছি, সাতটি ধাপে এই নির্বাচন সম্পন্ন করতে পারব। আমাদের চেষ্টা থাকবে প্রথম পাঁচটি ধাপের মধ্যেই বেশির ভাগ নির্বাচন সম্পন্ন করে ফেলা। আর শেষ দুটি ধাপ (ষষ্ঠ ও সপ্তম ধাপ) অপেক্ষাকৃত হালকা রাখা হবে। এতে প্রথম ধাপগুলোতে কোনো কারণে কাজ সম্পন্ন করতে না পারলে তা যেন শেষ ধাপে করা যায়; পাশাপাশি আইনি জটিলতা বা চলমান মামলার কারণে যে ৫৬টি ইউনিয়নে এখন নির্বাচন সম্ভব হচ্ছে না, সেগুলো যেন শেষ ধাপগুলোতে সম্পন্ন করা যায়।’

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা আশা করছি, ১২ নভেম্বর আমরা প্রথম ধাপের নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে পারব। এরপর দ্বিতীয় ধাপে ১৩ ডিসেম্বর, তৃতীয় ধাপে ৩০ ডিসেম্বর, চতুর্থ ধাপে ২০২৭ সালের ১৭ জানুয়ারি, পঞ্চম ধাপে ৪ ফেব্রুয়ারি, ষষ্ঠ ধাপে ২২ এপ্রিল এবং সপ্তম ধাপে ২৭ মে ভোট গ্রহণ হবে।’

প্রথম ধাপে যেসব ইউপিতে নির্বাচন : আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ বলেন, ‘কোন কোন ইউনিয়নে নির্বাচন হবে তা পরবর্তী সময়ে নির্ধারণ করা হবে। তবে কমিশন থেকে প্রাপ্ত প্রাথমিক গাইডলাইন অনুযায়ী প্রথম ধাপে আমরা আশা করছি, আনুমানিক ৮০টি উপজেলার সব ইউপিতে (আইনি জটিলতায় থাকা ইউপি বাদে) নির্বাচন সম্পন্ন করা যাবে। যেসব ইউনিয়নের মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে, সেগুলোকে অগ্রাধিকার দিয়ে প্রথম ধাপে শেষ করা। আমরা চেষ্টা করব ৬৩টি জেলায়ই একসঙ্গে এই নির্বাচন প্রক্রিয়া শুরু করতে। প্রথম ধাপে শুধু ঠাকুরগাঁও জেলা বাদ থাকবে।

কারণ সেখানে জাতীয় সংসদের একটি আসনে উপনির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে। আমরা চাই না একসঙ্গে দুটি নির্বাচনের প্রচার চলুক। ঠাকুরগাঁও জেলার ইউপির প্রথম ধাপের নির্বাচনটি দ্বিতীয় ধাপে স্থানান্তর করা হবে। আমরা চেষ্টা করছি, যেসব জেলায় সদর উপজেলা রয়েছে, সেগুলোর সদর উপজেলার ইউপিগুলোকে প্রথম ধাপে রাখতে। আর যেসব জেলায় সদর উপজেলা নেই (সিটি করপোরেশন এলাকা) সেগুলোতে সদর উপজেলার সংলগ্ন সহজ ব্যবস্থাপনাযোগ্য উপজেলার ইউপিগুলো প্রথম ধাপে থাকবে। এ ছাড়া আদালতের আদেশের কারণে দুটি ইউপিতে আগেই নির্বাচন করার বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এই দুই ইউপি অন্তর্ভুক্ত করেই ৮০টি উপজেলার সব ইউনিয়ন দিয়ে নির্বাচন শুরু হবে।’

‘তবে যেসব জেলায় উপজেলার সংখ্যা অনেক বেশি, যেমন—চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় তিনটি করে উপজেলা প্রথম ধাপে থাকবে। আর যেসব জেলায় ১০টি বা তার বেশি উপজেলা রয়েছে, সেখানে দুটি করে উপজেলা প্রথম ধাপে অন্তর্ভুক্ত হবে। হিসাবটি হলো ৬৩টি জেলা এবং আদালতের আদেশের কারণে দুটি ইউনিয়নের নির্বাচন করতে হবে এবং বড় জেলাগুলোতে আনুপাতিক সমতা আনার জন্য অতিরিক্ত উপজেলা যুক্ত করে মোট ৮০টি উপজেলা নির্ধারণ করা হয়েছে।’

পরবর্তী সভা ও রাজনৈতিক দলগুলোর সঙ্গে আলোচনা : ইসি সানাউল্লাহ আরো বলেন, ‘আগামী ১৭ সেপ্টেম্বর আন্ত বিভাগীয় একটি বৈঠক আহবান করা হয়েছে। সেখানে সংশ্লিষ্ট সব মন্ত্রণালয় ও বিভাগের প্রতিনিধিরা উপস্থিত থাকবেন। এ জন্য ১৭ তারিখে নির্ধারিত আইন-শৃঙ্খলাসংক্রান্ত বৈঠকটি পিছিয়ে ২১ সেপ্টেম্বর নির্ধারণ করা হয়েছে। এ ছাড়া আমরা নিবন্ধিত সব রাজনৈতিক দলের সঙ্গে আলোচনা করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী ২৩, ২৪ ও ২৫ সেপ্টেম্বর ইসির নিবন্ধন ক্রম অনুযায়ী প্রতিটি দল থেকে দুজন করে প্রতিনিধিকে আমন্ত্রণ জানানো হবে। এই আলোচনার মূল উদ্দেশ্য হলো জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো স্থানীয় সরকার নির্বাচনও যেন আমরা সুশৃঙ্খল ও শান্তিপূর্ণভাবে সম্পন্ন করতে পারি। সে জন্য দলগুলোর সহযোগিতা কামনা করা।’

তফসিল ঘোষণার আগে আইন সংশোধন হবে কি না, এমন প্রশ্নের জবাবে এই কমিশনার বলেন, ‘এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানাবেন নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ। তবে প্রাথমিকভাবে বলতে পারি, আইন সংশোধন না হলে বিদ্যমান আইনের অধীনেই নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।’

স্থানীয় সরকার (ইউনিয়ন পরিষদ) আইন সংশোধনে নির্বাচন কমিশনের প্রস্তাব রয়েছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা নির্বাচনে অংশ নিতে পারবেন না। জাতীয় সংসদের প্রধান বিরোধী দল এই প্রস্তাবের বিপক্ষে। এই অবস্থায় নির্বাচন কর্মকর্তারা মনে করেন, আইন সংশোধন না হলেও এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের নির্বাচনে অংশ নেওয়ার বিষয়টি অস্পষ্ট থাকবে। কারণ সংশ্লিষ্ট আইনে এটি উল্লেখ নেই। তবে গত ডিসেম্বরে জারি হওয়া বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের (স্কুল ও কলেজ) জনবলকাঠামো ও এমপিও নীতিমালা- ২৫ নীতিমালায় বলা হয়েছে, এমপিওভুক্ত কোনো শিক্ষক-কর্মচারী একই সঙ্গে একাধিক কোনো পদে বা চাকরিতে বা আর্থিক লাভজনক কোনো পদে নিয়োজিত থাকতে পারবেন না।

শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় রাখাই বড় চ্যালেঞ্জ : কবে ইউপি নির্বাচন শুরু হতে যাচ্ছে, নির্বাচন কমিশন থেকে তা জানানোর অনেক আগে থেকেই মাঠ পর্যায়ে নির্বাচনী প্রচারে নেমে পড়েছেন অনেকে। সম্ভাব্য প্রার্থীরা তাঁদের নিজ নিজ নেতাকর্মীদের নিয়ে ভোটারদের কাছে প্রচার শুরু করেছেন। কিছু জেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই বিএনপির একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। জামায়াত ঘোষণা করেছে একক প্রার্থী। এ দলের প্রার্থীদের অনেকেই এমপিওভুক্ত শিক্ষক। ইসলামী আন্দোলনসহ আরো কিছু রাজনৈতিক দলের তৎপরতাও থেমে নেই। চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষমতাচ্যুত আওয়ামী লীগের পলাতক স্থানীয় নেতাকর্মীরা এ নির্বাচনে অংশ নিতে পারেন বলে অনেকের ধারণা।

স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে জানা যায়, চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেড় হাজার ইউনিয়নের চেয়ারম্যানরা আত্মগোপনে চলে যান। তাঁদের অনেকের নামে হত্যা মামলা করা হয়। বাকি তিন হাজারের কিছু বেশি ইউপি চেয়ারম্যান নিয়মিত অফিস করছেন। যেসব ইউনিয়নে চেয়ারম্যান অনুপস্থিত ছিলেন, সেখানে প্রশাসক নিয়োগ দেয় অন্তর্বর্তী সরকার। আবার কোথাও প্যানেল চেয়ারম্যান দায়িত্ব পালন করে আসছেন। প্রায় সব ইউনিয়ন পরিষদেরই মেয়াদ শেষ হওয়ার পথে।

নির্বাচন বিশেষজ্ঞরা অতীত অভিজ্ঞতা থেকে বলছেন, এবারের স্থানীয় সরকার নির্বাচন, বিশেষ করে ইউপি নির্বাচনের জন্য নির্বাচন কমিশনের বড় চ্যালেঞ্জ হচ্ছে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের মতো শান্তিপূর্ণ পরিস্থিতি বজায় রাখা। এ নির্বাচনে রক্তপাত এড়ানো না গেলে নির্বাচনব্যবস্থা ও গণতন্ত্র আবারও প্রশ্নের মুখে পড়তে পারে। এবারের নির্বাচনে দলীয় প্রতীক না থাকলেও দলীয় প্রভাব বহাল থাকতে পারে। ২০১৫ সালের স্থানীয় সরকার নির্বাচনে দলীয় প্রতীক ব্যবহারের বিধান করা হলেও তার আগের নির্বাচনগুলোতেও প্রার্থী নির্ধারণের ক্ষেত্রে দলীয় সমর্থন বহাল ছিল। এ ছাড়া আওয়ামী লীগ সরকার আমলে দলীয় ও ব্যক্তি প্রভাবে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার যে অপকৌশল চালু ছিল, আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনে তা বন্ধের জন্য আইনগত কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান রেখে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার পথ বন্ধ করা হয়; কিন্তু স্থানীয় সরকার আইনে এমন কোনো বিধান যুক্ত করা হয়নি।

এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ সম্প্রতি কালের কণ্ঠকে বলেন, “সামাজিক ও অর্থনৈতিক বাস্তবতায় স্থানীয় সরকার নির্বাচনে ‘না’ ভোটের বিধান রাখা ঝামেলাপূর্ণ হবে বলে আমি মনে করি। আমার ব্যক্তিগত ধারণা, আগের নির্বাচনগুলোর মতো এবার বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ার ঘটনা তেমন ঘটবে না।”

এই নির্বাচনের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ কী, এ প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘রক্তপাত এড়ানো। আমরা একাধিক ধাপে নির্বাচন করব। প্রথম ধাপের নির্বাচনে সহিংসতা ও অনিয়ম কিছু হলে পরবর্তী ধাপগুলোতে প্রতিকারমূলক প্রযোজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে অনিয়ম : ২০২১-২২ সালে অনুষ্ঠিত সর্বশেষ ইউপি নির্বাচনে বিনা ভোটে জনপ্রতিনিধি হওয়ার নতুন রেকর্ড তৈরি হয়। মোট এক হাজার ৭২৩ জন ভোট ছাড়াই নির্বাচিত হন। এর মধ্যে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দলের ৩৬৫ জনসহ ৩৬৯ জন। এ ছাড়া নারীদের জন্য সংরক্ষিত ওয়ার্ড সদস্য পদে ৩৯৬ জন এবং সাধারণ ওয়ার্ড সদস্য পদে ৯৫৮ জন বিনা ভোটে নির্বাচিত হন। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ক্ষমতাসীন দলের প্রার্থীদের মূল প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন স্বতন্ত্র প্রার্থীরা। মোট সাত ধাপের নির্বাচনে তিন হাজার ৯৫৮ ইউপির মধ্যে আওয়ামী লীগের প্রার্থীরা দুই হাজার ১৩৪টিতে জয়ী হন। আর স্বতন্ত্র প্রার্থীরা জয়ী হন এক হাজার ৬৯৫টি ইউপিতে। স্বতন্ত্র প্রার্থীদের মধ্যে বেশির ভাগই আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী। এই নির্বাচনে সহিংসতাও বেশি ছিল এবং সহিংসতায় নিহত হন ১১৫ জন।