Image description

ভাদ্রের শেষ সময়ে এসে আবারও তীব্র গরমে অস্বস্তিতে পড়েছেন ফেনীর মানুষ। সোমবার (১৪ সেপ্টেম্বর) দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ফেনীতে। এদিন জেলার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ফেনী আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মজিবুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, সোমবার ফেনীতে দিনের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ৩৭ দশমিক ০ ডিগ্রি সেলসিয়াস রেকর্ড করা হয়েছে। দেশের অন্যান্য অঞ্চলের তুলনায় এদিন ফেনীতেই সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড হয়েছে।

এদিকে সকাল থেকেই ফেনীতে গরমের অনুভূতি ছিল বেশি। বেলা বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে তাপমাত্রা বাড়তে থাকায় বাইরে চলাচলকারী মানুষের ভোগান্তিও বেড়ে যায়। বিশেষ করে রিকশা, অটোরিকশা ও অন্যান্য যানবাহনের চালক, শ্রমজীবী মানুষ এবং খোলা আকাশের নিচে কাজ করা ব্যক্তিদের গরমে বেশি দুর্ভোগ পোহাতে হয়েছে।

শহরের বিভিন্ন সড়কে দুপুরের দিকে গরমের কারণে মানুষের স্বাভাবিক চলাচলেও কিছুটা অস্বস্তি দেখা যায়। প্রয়োজন ছাড়া অনেকে ঘরের বাইরে বের হননি। বাইরে বের হওয়া মানুষকে ছাতা ব্যবহার ও পানি পান করতে দেখা গেছে। শহরের স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, কয়েকদিন ধরে আকাশে মেঘ ও বৃষ্টির প্রবণতা থাকলেও সোমবার দিনের বড় একটি সময় গরমের তীব্রতা অনুভূত হয়েছে। দুপুরের দিকে রোদের তেজ বাড়ায় গরম আরও অসহনীয় হয়ে ওঠে।

অন্যদিকে, প্রচণ্ড গরমে শিশু ও বয়স্কদের বিশেষভাবে সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন সংশ্লিষ্টরা। প্রয়োজন ছাড়া অতিরিক্ত গরমের সময় বাইরে না থাকা, পর্যাপ্ত পানি পান করা এবং দীর্ঘসময় সরাসরি রোদে অবস্থান না করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। ফেনী শহরের রিকশাচালক আবদুল কাদের বলেন, সকাল থেকে গরম ছিল। দুপুরের দিকে রোদের তাপ আরও বেড়ে যায়। রাস্তায় রিকশা চালাতে গিয়ে শরীর ঘেমে যাচ্ছে। গরমের কারণে আগের তুলনায় যাত্রীও কম পাওয়া যাচ্ছে।

শহরের ব্যবসায়ী মো. সোহেল বলেন, গত কয়েকদিন তুলনামূলক স্বস্তি থাকলেও সোমবার হঠাৎ গরম বেশি অনুভূত হয়েছর। দুপুরের দিকে দোকানে বসেও অস্বস্তি লাগছে। বাইরে বের হলে রোদের তাপ আরও বেশি মনে হচ্ছে। ফেনী শহরের বাসিন্দা মো. জাহাঙ্গীর আলম বলেন, দুপুরে প্রয়োজন ছাড়া বাইরে বের হওয়া কঠিন হয়ে পড়েছে। রাস্তায় প্রচণ্ড গরম, আবার বাতাসেও স্বস্তি নেই।