কাপ্তাই হ্রদে পানি আশঙ্কাজনকভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় খুলে দেওয়া হলো স্প্রিলওয়ের ১৬টি জলকপাট। শনিবার রাত ১০টার পরিবর্তে রাত ৮টায় গেটগুলো ৬ ইঞ্চি করে খুলে দিয়ে পানি নিষ্কাশন শুরু করে কর্তৃপক্ষ।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বিষয়টি বাংলা ট্রিবিউনকে নিশ্চিত করেছেন।
বিদ্যুৎকেন্দ্র সূত্রে জানা গেছে, বাঁধের স্প্রিলওয়ের দিয়ে প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ৯ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে। গেট খোলার সময় কাপ্তাই হ্রদে পানির উচ্চতা ছিল ১০৫.৯৮ ফুট এমএসএল (মিন সি লেভেল)। যেখানে হ্রদের সর্বোচ্চ ধারণক্ষমতা ১০৯ ফুট এমএসএল।
এর আগে দুপুরে বিদ্যুৎকেন্দ্র থেকে জারি করা এক জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, হ্রদে পানির সঞ্চয় বৃদ্ধি পেতে থাকায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখতে রাত ৮টার দিকে পানি ছাড়ার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। এ কারণে কাপ্তাই, রাঙ্গামাটি ও চট্টগ্রামের কর্ণফুলী নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চলের বাসিন্দাদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
এর আগে গত মাসের ১৮ জুলাই প্রথম ধাপে একইভাবে বাঁধের ১৬টি গেট খোলা হয়েছিল। পরে পানি কমে আসায় ২৩ জুলাই বন্ধ করা হয় বাধের জলকপাট।
কর্ণফুলী পানি বিদ্যুৎ কেন্দ্রের ব্যবস্থাপক প্রকৌশলী মাহমুদ হাসান বলেন, বর্তমানে বিদ্যুৎকেন্দ্রের সচল ৫টি ইউনিটের মাধ্যমে উৎপাদনের জন্য প্রতি সেকেন্ডে আরও প্রায় ৩২ হাজার কিউসেক পানি নিষ্কাশন করা হচ্ছে। ফলে স্পিলওয়ে ও বিদ্যুৎ উৎপাদন উভয় মাধ্যম মিলে এখন প্রতি সেকেন্ডে মোট ৪১ হাজার কিউসেক পানি কর্ণফুলী নদীতে গিয়ে পড়ছে। বিপদসীমা কাটলে গেটগুলো বন্ধ করে দেওয়া হবে।