ধর্ষণ ও ভ্রূণ নষ্টের অভিযোগে করা মামলায় গ্রেপ্তার ইসলামী ছাত্রশিবিরের বহিষ্কৃত নেতা জিসান মিয়া প্রধানকে দু’দিনের রিমান্ড শেষে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণ করা হয়েছে।
মঙ্গলবার (২৩ জুন) বিকেল পৌনে ৫টার দিকে কুমিল্লার চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত-৩ এর বিচারক তৈয়ব উদ্দিন আহমেদ এই আদেশ দিয়েছেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন পাটোয়ারী কালের কণ্ঠকে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
আদালত সূত্র জানায়, গত ১১ জুন শিবির নেতা জিসান আহমেদ প্রধান নিখোঁজ হন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে দাবি করা হয়। পরদিন এ বিষয়ে দাউদকান্দি মডেল থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি (জিডি) করা হয়।
একই দিন রাতে দাউদকান্দি থানায় ২৫ বছর বয়সী এক বিধবা নারী তার বিরুদ্ধে ধর্ষণ মামলা করেন। পরে পুলিশ জিসানকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে ১৬ জুন বিকেলে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে কুমিল্লা আদালতে হাজির করে। পরে বিচারক তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
এরপর গত রবিবার (২১ জুন) দুপুরে তাকে কুমিল্লার জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ৩ নম্বর আমলি আদালতের বিচারক তৈয়র উদ্দিন আহমেদ আহমেদের আদালতে হাজির করে ৭ সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন মামলার তদন্ত কর্মকর্তা কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম। শুনানি শেষে বিচারক দুই দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পরে ওই দিন বিকেলেই জিসানকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য হেফাজতে নেয় ডিবি পুলিশ। জিজ্ঞাসাবাদ শেষে বিকেলে তাকে পূনরায় আদালতে হাজির করা হলে বিচারক কারাগারে পাঠানো নির্দেশ দেন।
আসামিপক্ষের আইনজীবী মনির হোসাইন পাটোয়ারী বলেন, ‘জিসানের দুই দিনের রিমান্ড শেষে আদালতে হাজির করেন ডিবি পুলিশ।
কুমিল্লা জেলা ডিবি পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শামসুল আলম শাহ বলেন, ‘রিমান্ড শেষে জিসানকে আদালতে হাজির করা হয়েছে। পরে আদালত তাকে কুমিল্লা কেন্দ্রীয় কারাগারে প্রেরণের নির্দেশ দেন। দুই দিনের জিজ্ঞাসাবাদে জিসান থেকে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গিয়েছে। তদন্তের স্বার্থে সেটি এখন বলা যাচ্ছে না।’