Image description
ওসিসহ দুই পুলিশকে কুপিয়ে আহত

রাজধানীর আদাবরে বিকাশের দোকানে ছিনতাই এবং বাধা দিতে গিয়ে ওসিসহ দুই পুলিশ সদস্যকে ধারালো চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে আহতের ঘটনায় মূল হোতাসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে অবস্থিত র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান র‍্যাব-২ এর অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান।

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোহাম্মদপুরের শীর্ষ সন্ত্রাসী ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে এক্সেল বাবু (৫৭) এবং ছিনতাইকারী ‘কব্জিকাটা আনোয়ার’ গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাইদ (৩৩), রাশেদ খন্দকার (৩২), মো. লিটন (২৮), মো. তৌসিফ (৩০) ও মো. তরিকুল ইসলাম (৩২)।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, মঙ্গলবার (১৬ জুন) বিকেলে আদাবরের শেখেরটেক-৭ নম্বর এলাকায় একটি বিকাশের দোকানে ঢুকে এজেন্টকে প্রকাশ্যে চাপাতি দিয়ে কুপিয়ে তিন লাখ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনতাই করে একদল দুর্বৃত্ত। খবর পেয়ে আদাবর থানা পুলিশ তাৎক্ষণিকভাবে ছিনতাইকারীদের আস্তানায় অভিযান পরিচালনা করতে যায়। এ সময় ছিনতাইকারীরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে পুলিশের ওপর অতর্কিত হামলা চালায়। তাদের চাপাতির আঘাতে আদাবর থানার ওসি জাহিদুল ইসলাম এবং এসআই তরুণ গুরুতর আহত হন। পরে তাঁদের উদ্ধার করে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠানো হয়।

গ্রেপ্তার ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে এক্সেল বাবু। ছবি : সংগৃহীত
গ্রেপ্তার ফরিদ আহমেদ বাবু ওরফে এক্সেল বাবু। ছবি : সংগৃহীত

অতিরিক্ত ডিআইজি নয়মুল হাসান বলেন, ঘটনাটি জানার পরপরই ছিনতাইকারী চক্রের মূল হোতাদের গ্রেপ্তার এবং অস্ত্র উদ্ধারে র‍্যাব-২ এর গোয়েন্দা টিম নজরদারি বৃদ্ধি করে। পরে শেখেরটেক এলাকায় অভিযান চালিয়ে শীর্ষ সন্ত্রাসী এক্সেল বাবু ও কব্জিকাটা আনোয়ার গ্রুপের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড আবু সাইদসহ এই ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হয়।

র‍্যাব জানায়, গ্রেপ্তারকৃত আবু সাইদ একজন ওয়ারেন্টভুক্ত পলাতক আসামি। তাঁর বিরুদ্ধে রাজধানীর বিভিন্ন থানায় ছিনতাই ও চুরিসহ একাধিক মামলা রয়েছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে আসামিদের কাছ থেকে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে, যার ভিত্তিতে র‍্যাবের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তারকৃতদের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে বলেও র‍্যাবের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।