বগুড়ার শিবগঞ্জে প্রবেশ করতেই একটি বিষয় দ্রুতই স্পষ্ট হয়ে যায়। গোটা শহরজুড়ে স্থানীয় সংসদ সদস্য মীর শাহে আলমের একচ্ছত্র উপস্থিতি। রাস্তার মোড়, বাজার, ল্যাম্পপোস্ট, দেওয়াল — সবখানেই ব্যানার-ফেস্টুন আর পোস্টারে হাসিমুখে তাকিয়ে আছেন তিনি।
একটু পরপরই চোখে পড়ছিল চকচকে ভিত্তিপ্রস্তর। প্রায় প্রতিটি ফলকে উদ্বোধক হিসেবে জ্বলজ্বল করছে স্থানীয় সরকার ও পল্লী উন্নয়ন প্রতিমন্ত্রীর নাম। কয়েকটি ভিত্তিপ্রস্তরে ঠিকাদার হিসেবে খোদাই করা তারই ছেলের প্রতিষ্ঠানের নাম। এই প্রকল্পগুলোর বেশিরভাগই রাস্তা পাকা করার কাজ।
পৌরসভার তিন নম্বর ওয়ার্ড গরীবপুরে চোখে পড়লো একটি সরু রাস্তা। শুরুতেই দুই পাশে সারি সারি বাড়িঘর। একটু ভেতরে ঢুকতেই ধানক্ষেত আর সরু আল। রাস্তা এতটাই সরু যে গাড়ি ঢোকাতেই গলদঘর্ম হতে হয় — বিপরীত দিক থেকে আরেকটি গাড়ি আসা তো দূরের কথা, কোনো মোটরসাইকেল পার হতেও কসরত করতে হবে। এক পর্যায়ে রাস্তা এতোই সরু হয়ে যায় যে গাড়ি নিয়ে আর এগোনোর উপায় নেই। শুরু হয় কাঁচা পথ। সেখানেও দেখা মিলল আরও দুটি ভিত্তিপ্রস্তরের — শিগগির শুরু হবে রাস্তা বানানোর কাজ।
এভাবেই প্রয়োজনে-অপ্রয়োজনে সড়ক ও পথ বানানোর হিড়িক পড়েছে শিবগঞ্জে। আর অর্থের যোগান আসছে মীর শাহে আলমের মন্ত্রণালয় থেকেই। সরকারি পরিসংখ্যান ও নথিপত্র বিশ্লেষণ করে নেত্র নিউজ দেখেছে, বিএনপি সরকারের চার মাসে সড়ক, পথ ও সেতু নির্মানে শিবগঞ্জ পেয়েছে ৭৪ কোটি টাকার প্রকল্প। সারাদেশে শিবগঞ্জের ধারেকাছেও নেই আর কোনো উপজেলা। দ্বিতীয় অবস্থানে থাকা গাজীপুরের কালীগঞ্জ পেয়েছে অর্ধেকেরও কম: ৩২ কোটি টাকা। মন্ত্রণালয়ের এই ধরনের কাজে বরাদ্দ ছিল ১৪০০ কোটি টাকা। দেশের প্রায় শতাধিক উপজেলা এক টাকারও কাজ পায়নি। ৩৭৩টি উপজেলা গড়ে পেয়েছে ৩ কোটি ৮০ লাখ টাকার প্রকল্প। অর্থাৎ, শিবগঞ্জ একাই পেয়েছে ২০টি উপজেলার সমান প্রকল্প।
শিবগঞ্জের এই উন্নয়ন-যজ্ঞ বগুড়াকে বরাদ্দের দিক থেকে দেশের শীর্ষ জেলায় পরিণত করেছে — যেখানে মোট বরাদ্দ গেছে ১৩২ কোটি টাকা। দ্বিতীয় স্থানে থাকা গাজীপুরের চেয়েও ৯০ শতাংশ বেশি। গড়ে প্রায় ছয়টি জেলার বরাদ্দ একাই পেয়েছে বগুড়া।
আওয়ামী লীগ আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জেলা হিসেবে গোপালগঞ্জে প্রকল্পের এমন আধিক্য দেখা যেতো। তার বিপরীতে বগুড়া ছিল অবহেলিত। নেত্র নিউজের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, ২০১১ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত স্থানীয় সরকার বিভাগ থেকে সিটি কর্পোরেশনের বাইরে মাথাপিছু সড়ক বা সেতু প্রকল্প বরাদ্দের দিক থেকে জেলাগুলোর মধ্যে বগুড়ার অবস্থান ছিল ৫৯তম। অন্যদিকে গোপালগঞ্জের অবস্থান ছিল তৃতীয়। মাথাপিছু বগুড়ার চেয়ে প্রায় পাঁচগুণ বেশি বরাদ্দ পেয়েছিল গোপালগঞ্জ।
নির্বাচনের আগে এই বগুড়াতেই এক পথসভায় বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান স্পষ্ট প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন এমন জেলা-প্রীতি বন্ধের, “আমরা সরকার গঠন করলে শুধু নিজের এলাকার কথা চিন্তা করলে চলবে না। সমগ্র বগুড়াবাসীকে নিজের জেলার সাথে সাথে সমগ্র দেশের কথা চিন্তা করতে হবে।”
কিন্তু বিএনপি সরকারের প্রথম চার মাসেই তার ওই প্রতিশ্রুতি লঙ্ঘিত হয়েছে উন্নয়নের শিবগঞ্জ মডেলে। কেননা, বগুড়া জেলা সড়ক ও সেতু উন্নয়নে যত টাকা পেয়েছে, তার অর্ধেকের বেশি একাই টেনে নিয়েছে শিবগঞ্জ। এই একই সময়ে বগুড়ার গাবতলী উপজেলা বরাদ্দ পেয়েছে প্রায় ২০ কোটি টাকার প্রকল্প। অর্থাৎ প্রধানমন্ত্রীর পৈতৃক নিবাস হিসেবে পরিচিত এই উপজেলার চেয়ে প্রতিমন্ত্রীর উপজেলা প্রায় চার গুণ প্রকল্প বরাদ্দ পেয়েছে। জেলার অবশিষ্ট ১০টি উপজেলা মিলে পেয়েছে মোট ৩০ শতাংশেরও কম।
আবার শিবগঞ্জের উন্নয়ন-উৎসবে বরাদ্দের সবচেয়ে বড় ভাগটা গেছে খোদ প্রতিমন্ত্রীর নিকটজনদের কাছেই। এখানে এককভাবে সবচেয়ে বেশি মূল্যমানের প্রকল্প বাগিয়ে নিয়েছে স্বয়ং প্রতিমন্ত্রীর সন্তান মীর শাকরুল আলম সীমান্তের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। আর ছেলের পাওয়া এসব প্রকল্পের বেশ কয়েকটির ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেছেন প্রতিমন্ত্রীই।
সীমান্ত নিজে শিবগঞ্জ বিএনপির ছাত্র বিষয়ক সম্পাদক। তার ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান মীর সীমান্ত ইঞ্জিনিয়ারিং এই উপজেলাতে পিতার মন্ত্রণালয় থেকে সড়ক ও সেতুর কাজ পেয়েছে সাড়ে ১৩ কোটি টাকার। উপজেলার মোট প্রকল্পের ১৮ শতাংশই গেছে তার কাছে। অর্থাৎ শিবগঞ্জের সবচেয়ে বড় অঙ্কের কাজ পেয়েছেন যে ঠিকাদার, তারই পিতা সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী।
নেত্র নিউজ এই স্বার্থের দ্বন্দ্ব সম্পর্কে বিস্তারিত লিখিত প্রশ্ন পাঠালে, প্রতিমন্ত্রী হোয়্যাটসঅ্যাপে পাঠানো লিখিত বক্তব্যে শিবগঞ্জে উন্নয়ন হওয়ার বিষয়ে নিজের ভূমিকা স্বীকার করে নেন, “২০২৬ এ এমপি নির্বাচিত হয়ে প্রতিমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পাওয়ার পরে ২০ বছরের উন্নয়ন বঞ্চিত বগুড়া জেলার সকল উপজেলাসহ নিজ নির্বাচনী এলাকার উন্নয়নের জন্য বিভিন্ন দপ্তরে ডিও প্রদান করি। তৎপ্রেক্ষিতে বিভিন্ন দপ্তর থেকে বগুড়া জেলায় রাস্তা ঘাট, ব্রীজ, কালভার্ট ও ভবন নির্মানের জন্য বরাদ্দ প্রদান করা হয় এবং আরও বরাদ্দ প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে।”
তিনি আরও বলেন, তার সন্তান মীর শাকরুল আলম সীমান্তের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের লাইসেন্সসমূহ তিনি এমপি নির্বাচিত হওয়ার “অনেক পূর্বে আমমোক্তারনামা মূলে মালিকানা হস্তান্তর করা হয়েছে।” তার ভাষ্য, “আমার সন্তানের নামে হস্তান্তরকৃত লাইসেন্সে আমমোক্তার গ্রহণকারী মাহাদী হাসান তমাল দরপত্রে অংশগ্রহণ করলেও আমার কিংবা আমার সন্তানের জানা নাই। যেহেতু আমার বা আমার সন্তানের নামে ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান বর্তমান হস্তান্তরিত হওয়ায় আমমোক্তার নামীয় ব্যক্তি দরপত্রে অংশগ্রহণ করতে পারে। সেক্ষেত্রে উক্ত দরপত্রগুলোতে আমার সন্তানের মালিকানা বা স্বার্থ জড়িত নাই। ফলে কনফ্লিক্ট অব ইন্টারেস্ট (স্বার্থের দ্বন্দ্ব) হওয়ার সুযোগ নাই।”
তবে একজন আইন বিশেষজ্ঞ নেত্র নিউজকে জানান, আমমোক্তারনামা বা পাওয়ার অব অ্যাটর্নির মাধ্যমে কোনো প্রতিষ্ঠানের আইনগত মালিকানা হস্তান্তর করা যায় না। কেবল প্রতিনিধি হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া যায়। প্রতিষ্ঠানের মালিকানা ও লভ্যাংশ অপরিবর্তিত রয়ে যায়। প্রতিমন্ত্রীর পাঠানো নোটারি-কৃত আমমোক্তারনামা রেজিস্ট্রেশন আইনে নিবন্ধিত করা হয়নি।
দলিলে মালিকানা হস্তান্তরের কথা বলাও নেই। সেখানে বরং উল্লেখ আছে, মাহদী হাসান তমাল “বিশ্বস্ত ও নিকটতম আত্মীয় হওয়ায়” তাকে পাওয়ার অব অ্যাটর্নি দেওয়া হচ্ছে। তমাল শিবগঞ্জ পৌর যুবদলের সাধারণ সম্পাদক।
দেখুন প্রতিমন্ত্রীর পূর্ণাঙ্গ জবাব ও পাওয়ার অব অ্যাটর্নির অনুলিপি।
এছাড়া প্রতিমন্ত্রীর উদ্বোধন করা একাধিক প্রকল্পের ভিত্তিপ্রস্তরে মীর সীমান্ত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের প্রোপাইটার হিসেবে মীর সীমান্তের নাম উল্লেখ আছে।
অন্যদিকে সীমান্ত জানান, “নিউজের সাথে কথা বলার পারমিশন নাই আমাদের।”
সম্প্রতি ঈদের জামাতে ঢাকার জাতীয় ঈদগাহে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ডান পাশে দাঁড়াতে দেখা গেছে মীর শাহে আলমকে। নব্বইয়ের দশকের শেষভাগে যিনি ছিলেন একজন ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান, তাকেই সম্প্রতি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমেদ বর্ণনা করেছেন “বাংলাদেশের সবচেয়ে পাওয়ারফুল প্রতিমন্ত্রী” হিসেবে।
ক্ষমতার এই জাদুকাঠি শুধু যে মীর শাহে আলমের সন্তানকেই স্পর্শ করেছে, তা নয় — স্থানীয় বিএনপির নেতাকর্মীরাও লাভবান হয়েছেন। স্থানীয় সরকার বিভাগের মোট কাজের ১৪ শতাংশ পেয়ে সীমান্তের পরেই আছেন শিবগঞ্জ পৌর বিএনপির সভাপতি বুলবুল ইসলাম। এরপর প্রায় ১২ শতাংশ কাজ পেয়ে তৃতীয় স্থানে আছেন সোহানী খাতুন নামে এক নারী, যিনি শিবগঞ্জ উপজেলা যুবদলের সভাপতি খালিদ হাসান আরমানের বোন। আরমানের নিজের প্রতিষ্ঠান মেসার্স আরমান ট্রেডার্সও আছে এই ঠিকাদারির বাটোয়ারায়। সব মিলিয়ে শিবগঞ্জের সড়ক বরাদ্দের অর্ধেকের বেশি পড়েছে বিএনপির সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তত সাতটি প্রতিষ্ঠানের ভাগে। অঙ্কের হিসাবে প্রায় ৫৩ শতাংশ — অর্থাৎ, ৫২টির মধ্যে অন্তত ৩০টি প্রকল্প। বুলবুল ও আরমান নেত্র নিউজের প্রশ্নের জবাব দেননি।
কীভাবে স্থানীয় সরকার বিভাগের উন্নয়নমূলক এসব প্রকল্প প্রতিমন্ত্রীর ছেলে ও তার দলীয় লোকজনের মধ্যে ভাগ-বাটোয়ারা হলো, তা বুঝতে চেষ্টা করেছে নেত্র নিউজ। উপাত্ত বলছে, শিবগঞ্জের ৭৪ কোটি টাকার কাজের মধ্যে ৫২ কোটি ৬০ লাখ টাকার কাজে ঠিকাদার বেছে নেওয়া হয়েছে “লিমিটেড টেন্ডার মেথড” বা এলটিএম নামে একটি বিশেষ পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে উন্মুক্ত প্রতিযোগিতামূলক দরপত্র না ডেকে, দরপত্র নেওয়া হয় পূর্বনির্ধারিত কিছু ঠিকাদারের কাছ থেকে।
বাংলাদেশের সরকারি ক্রয় পদ্ধতি নিয়ে বিস্তর গবেষণা রয়েছে ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশের। সংস্থাটির পরিচালক মোহাম্মদ তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “এলটিএম টেন্ডারিং মেথডটা কেন আসলে রাখা হয়েছিল? এটা আসলে একটা স্পেশালাইজড সার্ভিস নেওয়ার জন্য তৈরি করা হয়েছিল... যেমন ধরেন আপনি সনির একটা টেলিভিশন কিনবেন। তাহলে আপনি সনির যারা ভেন্ডর তাদের কাছে যাবেন।”
টিআইবির গবেষণা বলছে, এই এলটিএম পদ্ধতির বহুল ব্যবহার শুরু হয় আওয়ামী লীগ আমলে। বিশেষ সক্ষমতাসম্পন্ন ঠিকাদার বাছাইয়ের জন্য পদ্ধতিটি তৈরি হলেও, ব্যবহার হয়েছে এমন সব কাজে, যেখানে বিশেষ কোনো সক্ষমতার প্রয়োজন হয় না। সংস্থাটির হিসাবে, এলটিএমে দেওয়া কাজের ৪৮ শতাংশই ছিল সাধারণ মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ, আর ৩৯ শতাংশ সাধারণ নির্মাণ কাজ। অর্থাৎ ৮৭ শতাংশ কাজের জন্যই দরকার ছিল না কোনো বিশেষ কারিগরি দক্ষতার।
আর বিএনপি সরকারের প্রথম চার মাসে দেশজুড়ে এলটিএম পদ্ধতিতে নেওয়া সবচেয়ে বড় অঙ্কের ৫০টি সড়ক প্রকল্পের মধ্যে ১৬টিই গেছে শিবগঞ্জে। বাংলাদেশের পাবলিক প্রকিউরমেন্ট আইন অনুযায়ী, কেবল সাড়ে ৩ কোটি টাকার কম বরাদ্দের ক্ষেত্রে সীমিত দরপত্র পদ্ধতি অনুসরণ করা যাবে। তাই এলটিএম পদ্ধতির সুবিধা নিতে বড় প্রকল্পগুলোকে খণ্ড খণ্ড করে ছোট করে ফেলা হয়েছে, যেন সহজে পছন্দের ঠিকাদারদের কাজ দেওয়া যায়।
টিআইবির তৌহিদুল ইসলাম বলেন, “নিজেদের লোকদের মধ্যে [কাজ] দেওয়ার একটা প্রবণতা তৈরি হচ্ছে। যদি উদাহরণ দেই — ১০ কিলোমিটার একটা রোডের কাজ। সেটাকে আপনি যদি একসাথে করতেন এটার ভ্যালু হতো ৩০ কোটি টাকা। এখন আপনি এটাকে ১০ ভাগে ভাগ করছেন... করে দিচ্ছেন সাড়ে তিন কোটি টাকার নিচে। তার মানে আপনি ১০ জন টেন্ডারারকে এটা দিতে পারবেন। এটা তো ভাগাভাগির জন্য খুব সুবিধাজনক সিস্টেম হয়ে গেছে।”
শিবগঞ্জেও এই প্রবণতার ব্যত্যয় ঘটেনি।
যেমন “ইম্পর্ট্যান্ট আরবান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট (২য় পর্যায়)” প্রকল্পের আকার ছিল ৪২ কোটি টাকা। আইন অনুযায়ী এই বিশাল প্রকল্প যাওয়ার কথা উন্মুক্ত দরপত্রে। কিন্তু তা এড়াতে পুরো কাজটিকে কৃত্রিমভাবে ভেঙে ফেলা হয়েছে ১৬টি ছোট প্যাকেজে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি — পাঁচটি প্যাকেজ — গেছে প্রতিমন্ত্রীর ছেলে মীর সীমান্তের প্রতিষ্ঠান মীর সীমান্ত ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের নামে। বাকি ১১টির অন্তত আটটি গেছে বিএনপি নেতা-কর্মীদের মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানে।