Image description

ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে শরীর থেকে মাথা বিচ্ছিন্ন লাশের পরিচয় পাওয়া গেছে। মৃত ওই ব্যক্তির নাম কাউসার আলম (৪০)। তিনি দিনাজপুর জেলার বিরামপুরের দেবীপুর এলাকার জাবেদ আলীর ছেলে। দুই ভাই ও তিন বোনের মধ্যে কাউসার সবার ছোট।

পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) ও পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি) আঙুলের ছাপ নিয়ে তার পরিচয় শনাক্ত করে। 

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, গত প্রায় ১৭ বছর আগে কাউসার আলম তার বাবার সঙ্গে অভিমান করে বাড়ি ছাড়েন। বাড়ির অনেকেই মনে করেছিলেন কাউসার আলম হয়তো মারা গেছেন। 

মৃত কাউসার আলমের বোন নিলুফা আক্তার জানান, ২০০৯ সালের দিকে মাইক্রোবাস কেনা নিয়ে বাবার সঙ্গে কথা-কাটাকাটি হয়। এরপর তিনি বাড়ি ছাড়েন। এ অবস্থায় চার বছর পর বাবা মারা গেলেও কাউসার এলাকায় যায়নি।

কিন্তু হঠাৎ প্রায় ১০ বছর পর রাত সাড়ে ১১টার দিকে বড় বোনের মোবাইলে কথা হয়। তিনি ওই সময় জানান, তিনি ঢাকায় বসবাস করছেন। সেখানে অনেক সম্পদ করেছেন। পরিবারের সবাইকে চলে আসার জন্য অনুরোধ করেন। কিন্তু তার এ কথায় কেউ সায় না দিয়ে তাকে বাড়িতে ফিরে আসতে বলা হয়।

তিনি ঢাকায় কোথায় থাকেন এটা বলেননি, কিন্তু এলাকার কিছু মানুষ মাঝেমধ্যে ঢাকায় তাকে দেখেছিলেন।

ওই এলাকার বাসিন্দা সামসুল ইসলাম জানান, দীর্ঘদিন ধরে কাওসার আলম এলাকার বাইরে অবস্থান করতেন। এলাকার কিছু মানুষ তাকে কয়েক বছর আগে ঢাকায় দেখেছিলেন। কিন্তু গফরগাঁও এলাকায় তাকে কে হত্যা করেছে, তা নিয়ে প্রশ্ন থেকেই যায়।

বৃহস্পতিবার সকাল ৯টার দিকে ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ে কাউসার আলমের মাথা ও দেহ বিচ্ছিন্ন মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।