জুলাই আন্দোলনের সময় রাজধানীর আদাবরে পোশাক শ্রমিক রুবেল হত্যা মামলায় প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা মহাপরিদপ্তরের (ডিজিএফআই) সাবেক কর্মকর্তা মাঞ্জিল হায়দার চৌধুরীকে ফের তিন দিনের রিমান্ডে নেওয়ার অনুমতি দিয়েছেন আদালত। একই মামলায় গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিএম সাহাবুদ্দিন আজমের জামিন আবেদন নামঞ্জুর করা হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (৭ মে) ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ এহসানুল ইসলাম এ আদেশ দেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপ-পরিদর্শক মিজানুর রহমান।
মামলা সূত্রে জানা গেছে, গত ৯ এপ্রিল রাজধানীর মহাখালীর ডিওএইচএস এলাকা থেকে মাঞ্জিল হায়দারকে গ্রেফতার করা হয়। পরে বিভিন্ন মামলায় একাধিক দফায় তাকে রিমান্ডে নেওয়া হয়। এর মধ্যে নিউমার্কেট থানার একটি হত্যা মামলা, রমনা মডেল থানার সন্ত্রাসবিরোধী আইনের মামলা এবং রুবেল হত্যা মামলাও রয়েছে।
সর্বশেষ রিমান্ড শেষে তাকে আদালতে হাজির করে আরও সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন তদন্ত কর্মকর্তা ও ডিবি পুলিশের রমনা জোনাল টিমের পরিদর্শক মো. আমজাদ হোসেন তালুকদার। শুনানি শেষে আদালত তিন দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
আসামিপক্ষে আইনজীবী কামাল হোসেন রিমান্ড বাতিল ও জামিনের আবেদন করেন। অন্যদিকে রাষ্ট্রপক্ষে প্রসিকিউটর মুহাম্মদ শামছুদ্দোহা সুমন রিমান্ডের পক্ষে যুক্তি তুলে ধরেন।
এদিকে সাহাবুদ্দিন আজমের পক্ষে আইনজীবী মেহেদী ইসলাম জামিন আবেদন করলেও আদালত তা নাকচ করে দেন।
মামলার বিবরণে বলা হয়, গত বছরের ৫ আগস্ট জুলাই আন্দোলনের শেষ দিনে আদাবরের রিংরোড এলাকায় কয়েকশ ছাত্র-জনতা প্রতিবাদ মিছিল বের করেন। এ সময় পুলিশ ও আওয়ামী লীগের সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীদের গুলিতে পোশাক শ্রমিক রুবেল আহত হন। পরে হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার পর রুবেলের বাবা রফিকুল ইসলাম আদাবর থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
অন্যদিকে, সেনাবাহিনীর ওপর হামলা ও গাড়ি পোড়ানোর মামলায় গত বছরের ১২ জুন ভারত যাওয়ার সময় বেনাপোল ইমিগ্রেশন থেকে সাহাবুদ্দিন আজমকে গ্রেফতার করা হয়। এরপর বিভিন্ন মামলায় তাকে গ্রেফতার দেখানো হয়।
শীর্ষনিউজ