বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে বিএনপি মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বাণী দিয়েছেন। বাণীতে তিনি বলেছেন, ‘শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা মানুষকে চিরকাল মানবপ্রেম ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এ দেশের মুক্তিযুদ্ধে তার অনেক কবিতা ও গান ছিল প্রভূত সাহস ও অফুরন্ত প্রেরণার উৎস।’
বৃহস্পতিবার (৭ মে) বিএনপির সহ-দপ্তর সম্পাদক মুহম্মদ মুনির হোসেনের পাঠানো এক বার্তায় তিনি এসব কথা বলেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ‘কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে আমি তার অমলীন স্মৃতির প্রতি গভীর শ্রদ্ধা জানাই। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বসাহিত্যের মর্যাদায় উন্নীত করতে তার অসামান্য অবদানের জন্য আমি তাকে শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করছি।’
তিনি বলেন, ‘বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের উৎকর্ষের প্রধান পুরুষ কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর আমাদের বাংলা সাহিত্যের যুগোত্তীর্ণ শ্রেষ্ঠ লেখক ও বিশ্বের শ্রেষ্ঠ মনীষীদের মধ্যে অন্যতম। অমর সৃষ্টির দ্বারা তিনি কবি, ঔপন্যাসিক, ছোট গল্পকার, নাট্যকার, প্রাবন্ধিক, ভাষাবিজ্ঞানী, দার্শনিক, সংগীত রচয়িতা ও সুরকার হিসেবে এক উচ্চমাত্রায় নিজেকে অধিষ্ঠিত করেন।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, ‘বাংলা ভাষার অগ্রণী কবি রবীন্দ্রনাথ শুধু কবিই ছিলেন না, তিনি ছিলেন সমাজ, রাজনীতি, দর্শন ও সামাজিক সম্প্রীতির এক অনবদ্য রূপকার। তার সাহিত্য কর্মে শান্তি, মানবতা, মহত্ত্ববোধ ও পরমতসহিষ্ণুতার বাণী যুগে যুগে মানুষকে প্রেরণা যুগিয়ে যাবে, তাই তার সৃষ্টিকর্ম জাতীয়তার গণ্ডি পেরিয়ে দেশ দেশান্তরে হয়ে উঠেছে কল্যাণের প্রেরণা।’
তিনি বলেন, ‘মানবপ্রেম, প্রকৃতিপ্রেম ও দেশপ্রেম তার লেখনীর প্রধান অনুষঙ্গ হিসেবে কাজ করেছে।
শান্তি ও মানবতার কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের রচনা মানুষকে চিরকাল মানবপ্রেম ও দেশপ্রেমে উদ্বুদ্ধ করবে বলে আমি দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করি। এ দেশের মুক্তিযুদ্ধে তার অনেক কবিতা ও গান ছিল প্রভূত সাহস ও অফুরন্ত প্রেরণার উৎস। আমি কবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের আত্মার শান্তি কামনা করি।