Image description

বয়সভিত্তিক ক্রিকেটে ভারতের হয়ে একসঙ্গে লড়েছেন বিরাট কোহলি-আমানপ্রীত সিং গিল। অনূর্ধ্ব-১৯ দলে খেললেও পরে দুজনের পথ গেছে বদলে। কোহলি জাতীয় দলের হয়ে এখনো বিশ্ব মাতিয়ে রাখলেও তার কখনো সুযোগই হয়নি নীল জার্সিটা গায়ে চড়ানোর।

ক্যারিয়ার বড় করতে না পেরে পরে খেলা বাদ দিয়ে পাঞ্জাব ক্রিকেটের প্রশাসনিক কাজে যুক্ত হন আমানপ্রীত।

কিন্তু এবার সেই দায়িত্ব থেকেও ছুটি নিলেন পাঞ্জাবের সাবেক পেসার। পৃথিবীর মায়া ত্যাগ করে পরপারে পাড়ি জমালেন ৩৬ বছর বয়সী পেসার। অথচ, এই বয়সে ক্যারিয়ারকে আরো এগিয়ে নেওয়ার কথা ছিল তার। তবে কিভাবে মারা গেছেন তিনি তা এখনো জানা যায়নি।

২০০৭ সালে শ্রীলঙ্কায় ভারতের অনূর্ধ্ব-১৯ দলের হয়ে ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলেন আমানপ্রীত। সেই সিরিজ তার সতীর্থ ছিলেন কোহলি-মনীশ পান্ডে। ৫ ম্যাচে ৯ উইকেট নেন তিনি। ফাইনালে বাংলাদেশকে হারানোর ম্যাচে নেন ১৪ রানে ২ উইকেট।

অন্যদিকে প্রথম শ্রেণীতে ৬ ম্যাচ খেলা মিডিয়াম পেসার আইপিএলেরও অংশ ছিলেন। ২০০৮ সালে শুরুর আসরে কিংস ইলেভেন পাঞ্জাবের  (বর্তমানে পাঞ্জাব কিংস) সদস্য ছিলেন তিনি। এক ম্যাচেও অবশ্য খেলার সুযোগ পাননি তিনি। গতকাল তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে সানরাইজার্স হায়দরাবাদের বিপক্ষে কালো আর্মব্যান্ড পরে মাঠে নামেন পাঞ্জাব কিংসের ক্রিকেটাররা।

 

আমানপ্রীতের হঠাৎ মৃত্যুতে মর্মাহত হয়েছেন কোহলি-যুবরাজ সিং।

সামাজিক মাধ্যম এক্সে কোহলি লিখেছেন, ‘আমানপ্রীতের মৃত্যুর সংবাদ শুনে আমি মর্মাহত। তার পরিবার ও প্রিয়জনের জন্য প্রার্থনা ও শক্তি কামনা করছি। শান্তিতে ঘুমা। ওম শান্তি।’

 

আমানপ্রীতের সঙ্গে শৈশবে ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছেন যুবরাজও। সাবেক সতীর্থর মৃত্যু নিয়ে তিনি এক্সে লিখেছেন, ‘আমানপ্রীতের মুত্যুতে আমি গভীরভাবে মর্মাহত। শৈশবে একসঙ্গে ড্রেসিংরুম শেয়ার করেছি, সে খুবই শান্ত এবং পরিশ্রমী ক্রিকেটার ছিল। খেলাটাকে খুবই ভালোবাসত। তার পরিবার ও প্রিয়জনের প্রতি আমার আন্তরিক সমবেদনা। শান্তিতে ঘুমাও। ওম শান্তি।’ তার  মৃত্যুতে গভীর সমবেদনা জানিয়ে বিবৃতি দিয়েছে পাঞ্জাব ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনও।