Image description

খুব সামান্য হলেও ধীরে ধীরে রাজধানীর ফিলিং স্টেশনগুলোতে তেলের অপেক্ষায় দাঁড়িয়ে থাকা দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে। ঢাকার সব স্টেশনে এ ভোগান্তি একই সঙ্গে না কমলেও কিছু কিছু স্টেশনে এরই মধ্যে তেল নেওয়ার জন্য দীর্ঘ লাইন কমতে শুরু করেছে। একই সঙ্গে কমেছে লাইনে দাঁড়িয়ে থাকার সময়ও। কিছু কিছু পাম্পে আগের থেকে তেল সরবরাহ করার প্রক্রিয়া দ্রুত হওয়ায় গাড়িগুলোও আগের চেয়ে দ্রুত তেল নিতে পারছেন। ভোগান্তি পুরোপুরি কমতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে বলে ঢাকার ফিলিং স্টেশনের দায়িত্বশীলরা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানিয়েছেন। গতকাল সরেজমিন দেখা যায়, রাজধানীর আসাদ গেট এলাকার একটি ফিলিং স্টেশনে গতকাল সকাল সাড়ে ৮টার দিকে মোটরসাইকেলের লাইন থাকলেও তা এর আগের দুই দিনের তুলনায় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। সুমাত্রা ফিলিং স্টেশনে গতকাল দুপুর ৩টায় গিয়ে দেখা যায়, আগের তুলনায় লাইন সামান্য কমেছে। এর আগে সোমবার একই সময়ে লাইন আরও বড় ছিল। একই অবস্থা রাজধানীর  নিকুঞ্জ মডেল সার্ভিস সেন্টারেও। গতকাল দুপুওে সেখানে প্রাইভেটকারের জন্য অপেক্ষামান চালকদের সারি সেভাবে চোখে পড়েনি। তিন-চার দিন আগেও এ স্টেশনে তেল বিক্রি বন্ধ থাকলেও তেলের গাড়ির অপেক্ষায় থাকা প্রাইভেটকারের লাইন কুর্মিটোলা হাসপাতাল কখনোবা বনানী পর্যন্ত চলে গিয়েছিল।

মিরপুর-২ নম্বর শাহ আলীবাগের স্যাম অ্যাসোসিয়েটস ফিলিং স্টেশনের ক্যাশিয়ার মো. আরাফাত জানান, তেলের জন্য লাইনে দাঁড়িয়ে থাকা চালকদের লাইন কিছুটা কমেছে। তবে ভোগান্তি পুরোপুরি যায়নি। এটি স্বাভাবিক হতে আরও কিছুদিন সময় লাগবে। রাজধানীর টেকনিক্যাল এলাকার মোহনা ফিলিং স্টেশন থেকে তেল নিতে আসা মোটরসাইকেল চালক আসাদুর রহমান জানান, আগে তেল কিনতে যেখানে ১০ ঘণ্টা অপেক্ষা করতে হতো, এখন দুই ঘণ্টার মধ্যেই তা পাওয়া যাচ্ছে। এ স্টেশনে প্রাইভেটকার চালক সজীব ভূঁইয়া বলেন, আগের তুলনায় এখন তেল নিতে অনেক কম সময় লাগছে। প্রায় ঘণ্টাখানেক ধরে লাইনে আছি। সামনে এখনো প্রায় ৩০টি গাড়ি আছে। অথচ এক সপ্তাহ আগে এই দূরত্বে আসতেই  ৫ থেকে ৬ ঘণ্টা দাঁড়াতে হয়েছিল।  সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দাম বৃদ্ধির ফলে চাহিদা কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসায় লাইনের চাপ কমেছে। তবে সরবরাহ পুরোপুরি স্বাভাবিক না হওয়া পর্যন্ত পরিস্থিতি স্বস্তিদায়ক হবে না।