Image description

নিছক কোনো রাজনৈতিক স্লোগান নয় বরং আগামীর উন্নত বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বাস্তবায়নে কোমর বেঁধে নেমেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি রক্ষা এবং জনগণের দোরগোড়ায় সেবার মান পৌঁছে দিতে প্রশাসনের সর্বস্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতের পাশাপাশি দলীয় সংসদ সদস্য, মন্ত্রী এমনকি দলের নেতাকর্মীদের প্রতি কঠোর নির্দেশনা দিয়েছেন তিনি। আর স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিতে দলীয় সংসদ সদস্য এবং মন্ত্রীদের কর্মকাণ্ড নিজস্ব লোকদের দিয়ে মনিটরিং করা ছাড়াও সরকারের গোয়েন্দা সংস্থাকে নির্দেশ দিয়েছেন তিনি। সরকারের প্রথম দুইমাসে দুই মন্ত্রী, তিন প্রতিমন্ত্রী এবং অন্তত ২৩ জন সংসদ সদস্যের বেশকিছু ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ আমলনামা প্রধানমন্ত্রীর হাতে জমা হয়েছে।

দলের সিনিয়র নেতারা বিভিন্ন কর্মসূচিতে বলছেন, প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান কেবল দুর্নীতিই নয় বরং যে কোনো ধরনের পেশিশক্তি বা চাঁদাবাজির বিরুদ্ধেও কঠোর। তারা বিশ্বাস করেন, প্রধানমন্ত্রীর এই পদক্ষেপে দেশে সুশাসন এবং আইনের শাসন পুনঃপ্রতিষ্ঠিত হবে।

লন্ডনে দীর্ঘ ১৭ বছরের নির্বাসিত জীবন শেষে গত বছরের (২০২৫ সাল) ২৫ ডিসেম্বর শেষে দেশে ফেরেন তারেক রহমান। ২০০৮ সালের ১১ সেপ্টেম্বর চিকিৎসার উদ্দেশ্যে তিনি লন্ডন পাড়ি জমিয়েছিলেন এবং সেখানে প্রায় ১৭ বছর ৩ মাস ১৪ দিন (মোট ৬,৩০৯ দিন) অবস্থান করেন। তার দেশে ফেরার পর ২০২৬ সালের জানুয়ারিতে তিনি বিএনপির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং পরবর্তীতে চলতি বছরের ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ১৭ ফেব্রুয়ারি শপথ গ্রহণের মাধ্যমে স্বাধীন বাংলাদেশের ১১তম প্রধানমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। 

দেশে ফিরে তারেক রহমান যে ‘আই হ্যাভ এ প্ল্যান’ বা নতুন বাংলাদেশের রূপরেখা দিয়েছিলেন, তা বাস্তবায়নে এবার কঠোর অবস্থানে প্রধানমন্ত্রী। দেশ পুনর্গঠন, অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা এবং জনকল্যাণ নিশ্চিত করতে নিজের পরিকল্পনা বাস্তবায়নে কোনো ধরনের আপোষ করবেন না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন তিনি।

বিএনপি ও সরকারের সূত্র জানায়, বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতায় একটি বিষয় পরিষ্কার জনগণের প্রত্যাশা এখন আগের চেয়ে অনেক বেশি। শুধু ক্ষমতায় আসা নয়, ক্ষমতায় টিকে থাকতে হলে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করা বাধ্যতামূলক হয়ে গেছে যেকোনো রাজনৈতিক দলের জন্য। এই প্রেক্ষাপটে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান সরকার ও দলের নেতাকর্মীদের উপর প্রতিরোধমূলক কৌশল হিসেবে নজরদারি ব্যবস্থা চালু করেছেন। যা সুশাসন ও দুর্নীতি-অনিয়ম নিয়ন্ত্রণে একটি গুরুত্বপূর্ণ কৌশল হিসেবে দেখছেন দলের নেতারা। কারণ দুর্নীতি বা অনিয়ম ঘটার পর ব্যবস্থা নেওয়ার চেয়ে আগেই তা ঠেকানোই প্রশাসনিকভাবে বেশি কার্যকর। সব মিলিয়ে দেখা যাচ্ছে ৫ আগস্ট পরবর্তী নতুন বাংলাদেশ গঠনের প্রক্রিয়ায় সরকার একটি স্পষ্ট বার্তা দিতে চাইছে-ক্ষমতা আর ব্যক্তিগত সুবিধার হাতিয়ার এক নয় বরং একটি আমানত এবং নিয়ন্ত্রিত দায়িত্ব। 

সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী বলেন, প্রধানমন্ত্রী প্রশাসনের সর্বস্তরে এবং দলীয় রাজনীতিতে স্বচ্ছতা ফিরিয়ে আনতে কাজ করছেন। সম্প্রতি জেলা পরিষদের নবনিযুক্ত প্রশাসকদের প্রতি প্রধানমন্ত্রী কড়া বার্তা দিয়ে বলেছেন, অনিয়ম হলে তাৎক্ষণিক অপসারণ। প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্য দলের (বিএনপি) ভেতরেও কঠোর শৃঙ্খলার বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। 

চব্বিশের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নতুন রাষ্ট্র ব্যবস্থার সামনে জনমনে সবচেয়ে বড় প্রশ্ন ছিল ক্ষমতার কেন্দ্র কি আবারো পুরনো পথেই হাঁটবে নাকি বদলে যাবে দেশের শাসন ব্যবস্থা। দীর্ঘ দেড় দশকের আওয়ামী ফ্যাসিবাদী শাসনামলে দুর্নীতি তদবিরবাজি পরিবারতন্ত্র ও প্রশাসনিক নিয়ন্ত্রণের যে অভিযোগ গুলো বারবার সামনে এসেছে সেগুলোর পুনরাবৃত্তি ঠেকানোই এখন নতুন সরকারের জন্য সবচেয়ে বড় পরীক্ষা। আর সেই পরীক্ষায় শুরু থেকেই কঠোর বার্তা দিতে চাইছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাষ্ট্রপরিচালনার দায়িত্ব নেওয়ার পরপরই তারেক রহমান মন্ত্রী ও সংসদ সদস্যদের উপর সরাসরি নজরদারি করছেন। 

সূত্র জানায়, সরকারের একটি গোয়েন্দা সংস্থাকে বিশেষ দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে মন্ত্রী ও এমপিদের কর্মকাণ্ড নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করতে। তাদের সম্পদ ও ব্যাবসায়িক কার্যক্রম খতিয়ে দেখতে এবং সম্ভাব্য অনিয়মের তথ্য সংগ্রহ করে নির্দিষ্ট সময় পর পর প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন উপস্থাপন করতে।

সূত্র বলছে, প্রতি দুই সপ্তাহ অন্তর অন্তর এই আপডেট দেওয়ার একটি কাঠামোবদ্ধ ব্যবস্থা ইতোমধ্যে চালু হয়েছে। নজরদারি ব্যবস্থার বাস্তব ফলও এরই মধ্যে সামনে আসতে শুরু করেছে। প্রাথমিক পর্যবেক্ষণে দুইজন মন্ত্রী, তিনজন প্রতিমন্ত্রী এবং অন্তত ২৩ জন সংসদ সদস্যের বেশকিছু ‘প্রশ্নবিদ্ধ’ কার্যক্রম সম্পর্কে সরকারকে অবহিত করা হয়েছে। এটি কেবল একটি প্রশাসনিক পদক্ষেপ নয় বরং একটি রাজনৈতিক বার্তা। ক্ষমতার অবস্থানে থাকা মানেই দায়মুক্তি নয় বরং ক্ষমতার সঙ্গে জবাবদিহির সম্পর্ক আরো ঘনিষ্ঠ করার চেষ্টা করা হচ্ছে। এছাড়া সচিবালয় ও মন্ত্রণালয় কেন্দ্রিক তদবির বাজদের একটি পূর্ণাঙ্গ তালিকা তৈরির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। এই তালিকা শুধু তৈরি করাই নয়, সেটিকে আবার অন্য একটি সংস্থার মাধ্যমে চেক ও ক্রস চেক করার ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রাখা হয়েছে তথ্য যাচাইয়ের দ্বৈত ব্যবস্থা। যাতে ভুল বা পক্ষপাতের সুযোগ কম থাকে।

সরকার সূত্র জানায়, সরকারের অভ্যন্তরীণ আলোচনায় একটি বিষয় স্পষ্ট হয়ে উঠেছে, অতীতের শাসনামলের ভুল ত্রুটি যেন নতুন করে পুনরাবৃত্তি না হয়। বিশেষ করে আওয়ামী লীগের দীর্ঘ শাসনামলের অভিজ্ঞতা নতুন সরকারকে সতর্ক করেছে। তাই মন্ত্রীসভা গঠনের পরপরই গোয়েন্দা সংস্থার প্রধানের সঙ্গে আলোচনায় একটি পরিকল্পনা চূড়ান্ত করা হয়। সেখানে সিদ্ধান্ত হয় রাজনৈতিক আনুগত্য নয় বরং তথ্যভিত্তিক মূল্যায়নের মাধ্যমে মন্ত্রী ও এমপিদের কর্মকাণ্ড পর্যালোচনা করা হবে।

সেই সিদ্ধান্তের পরপরই গোয়েন্দা সংস্থার রাজনৈতিক শাখার কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ শুরু করেন। গঠন করা হয় একটি বিশেষ টিম যারা নিয়মিতভাবে মন্ত্রী ও এমপিদের সম্পদ ব্যবসা বাণিজ্য এবং প্রশাসনিক আচরণ পর্যবেক্ষণ করছেন। নজরদারির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো সচিবালয়ের অভ্যন্তরীণ চলাচল পর্যবেক্ষণ।

সূত্র জানায়, মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের কক্ষে কারা প্রবেশ করছে, তাদের পরিচয় কি; অতীতে তাদের কর্মকাণ্ড কি ছিল, এসব তথ্য সংগ্রহ করা হচ্ছে। যদি কোনো ব্যক্তির নাম তদবিরবাজের তালিকায় পাওয়া যায় তাহলে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী বা এমপিকে সরাসরি সতর্ক করা হচ্ছে। এরপরও যদি তারা বিষয়টি গুরুত্ব না দেন বা উপেক্ষা করেন তা লিখিত প্রতিবেদন আকারে প্রধানমন্ত্রীর কাছে পাঠানো হচ্ছে। 

সূত্র জানায়, এই পুরো কার্যক্রমটি মনিটরিং করছেন প্রধানমন্ত্রীর আস্থাভাজন দুইজন কর্মকর্তা। এতেই স্পষ্ট হয় যে, বিষয়টি শুধু প্রশাসনিক নয়, রাজনৈতিকভাবে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত। গোয়েন্দা সংস্থাকে বিশেষভাবে যেসব বিষয়ে নজর দিতে বলা হয়েছে, সেগুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে টেন্ডারবাজি, কমিশন বাণিজ্য, চাঁদাবাজি, পরিবারতন্ত্র, নিয়োগ বাণিজ্য ও সরকারি দলের নাম ভাঙিয়ে অপকর্ম। অর্থাৎ ক্ষমতার অপব্যবহারের যেসব পথ অতীতে সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়েছে, সেগুলোকেই চিহ্নিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক তদন্তে কিছু নির্দিষ্ট অভিযোগ উঠে এসেছে যা সরকারের জন্য সতর্ক বার্তা হিসেবে দেখা হচ্ছে। ইতোমধ্যেই একজন নারী প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে অভিযোগ পাওয়া গেছে যে তার নির্বাচনী এলাকায় বিদ্রোহী প্রার্থীর সমর্থকদের উপরে হামলা চালানো এবং তাদের সম্পদও ধ্বংস করা হয়েছে। ঘটনা জানার পর তিনি কোনো পদক্ষেপ নেননি বলে অভিযোগ উঠেছে। 

অন্যদিকে বিমানবন্দর কেন্দ্রিক ব্যবসা পাইয়ে দেওয়ার নামে বিশেষ সুবিধা আদায়ের অভিযোগ রয়েছে একজন মন্ত্রীর ঘনিষ্ঠজনের বিরুদ্ধে। আবার আরেক প্রতিমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ট্রাভেল এজেন্সি মালিকদের কাছ থেকে সুবিধা আদায়ের অভিযোগ উঠেছে। কিছু ক্ষেত্রে দেখা গেছে দায়িত্ব নেওয়ার পর বিভিন্ন ব্যাংকের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কাছে ব্যক্তিগত উদ্দেশ্যে ফোন দেওয়া হয়েছে। ঈদের আগে অবৈধ সুবিধা নেওয়ার অভিযোগ উঠেছে একজন মন্ত্রীর বিরুদ্ধে। এছাড়া বিভিন্ন সংসদ সদস্যের এপিএস হিসেবে নিয়োগ পাওয়া পারিবারিক বা দলীয় সদস্যদের বিরুদ্ধে অনৈতিক সুবিধা আদায়ের অভিযোগ পাওয়া গেছে বলে গণমাধ্যমে আসতে শুরু করেছে।  

সরকারের উপর মহলে উত্থাপন করা গোয়েন্দা প্রতিবেদনে সতর্ক করে বলা হয়েছে, এই প্রবণতাগুলো এখনই নিয়ন্ত্রণ করা না গেলে পরিস্থিতি দ্রুত ভয়াবহ আকার নিয়ে দিতে পারে। সরকার গঠনের পর থেকে সচিবালয়ে দলীয় নেতাকর্মীদের ভিড় বেড়ে যাওয়ার বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে দেখা হচ্ছে। নানা ধরনের আবদার ও তদবির নিয়ে তারা মন্ত্রীদের কাছে আসছেন যা প্রশাসনিক কাজে বাধা সৃষ্টি করছে। 

বিএনপি সূত্র জানায়, এই পরিস্থিতি মোকাবেলায় প্রধানমন্ত্রী একটি প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। মন্ত্রী ও প্রতিমন্ত্রীদের সপ্তাহে দুইদিন দলীয় সাংগঠনিক কার্যালয়ে বসার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ফলে সরকারি অফিসে অপ্রয়োজনীয় ভিড় কমবে এবং প্রশাসনিক কাজের গতি বাড়বে বলে ধারণা করা হচ্ছে। 

বিএনপির নেতারা জানান, চব্বিশের ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পট পরিবর্তনের পর নতুন বাংলাদেশ গঠনের যে প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল তার বাস্তবরূপ এখন ধীরে ধীরে দৃশ্যমান হচ্ছে। এই রাষ্ট্র গঠনের মূল দর্শন তিনটি স্তম্ভের উপর দাঁড় করানোর চেষ্টা চলছে। এক. ক্ষমতার উপর নিয়ন্ত্রণ, দুই. প্রশাসনিক জবাবদিহি এবং তিন হলো-রাজনৈতিক শৃঙ্খলা অতীতে ক্ষমতার কেন্দ্রে থাকা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়ার উদাহরণ কম ছিল। নতুন সরকার সেই জায়গাটিতে পরিবর্তন আনতে চাইছে। নজরদারি ব্যবস্থা চালু করা এবং নিয়মিত প্রতিবেদন দেওয়ার সিদ্ধান্ত সেই পরিবর্তনের একটি বাস্তব উদ্যোগ হিসেবে দেখা হচ্ছে। এই নজরদারি শুধু বিরোধী পক্ষ বা নিম্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের উপর নয় বরং ক্ষমতাসীন দলের মন্ত্রী ও এমপিদের উপর সমানভাবে প্রয়োগ করা হচ্ছে। 

দুইজন মন্ত্রী তিনজন প্রতিমন্ত্রী এবং ২৩ জন এমপির বিরুদ্ধে প্রাথমিক অভিযোগের তথ্য সামনে আসাকে সতর্ক সংকেত হিসেবে দেখছেন বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্ব। এই নজরদারি ব্যবস্থা ধারাবাহিকভাবে চালু রাখা এবং প্রয়োজন হলে দ্রুত ও নিরপেক্ষভাবে ব্যবস্থা নিয়ে নতুন রাষ্ট্রব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা অর্জনের প্রচেষ্টা হিসেবে নিয়েছেন দলের হাইকমান্ড। 

তারেক রহমান বাংলাদেশের ইতিহাসে ৯ম পুরুষ প্রধানমন্ত্রী। দীর্ঘ ৩৫ বছর পর বাংলাদেশ একজন পুরুষ প্রধানমন্ত্রী পেয়েছে, যার আগে প্রায় সাড়ে তিন দশক নারী নেতৃত্ব (খালেদা জিয়া ও শেখ হাসিনা) দেশ শাসন করেন।