Image description

লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার ধবলগুড়ি সীমান্তে গুলিতে আলী হোসেন নামে এক বাংলাদেশি নিহতের ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ)। এ ছাড়া বাংলাদেশ সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিজিবি) কাছে এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

 

বুধবার (৮ এপ্রিল) দুপুরে ধবলগুড়ি সীমান্তের ৮৭৪/৫-এস নং পিলার এলাকায় বা বিজিবি-বিএসএফ ব্যাটালিয়ন কমান্ডার পর্যায়ে অনুষ্ঠিত এক পতাকা বৈঠকে এসব জানানো হয়।

 

এর আগে মঙ্গলবার (৭ এপ্রিল) মধ্যরাতে ৭-৮ জনের একটি দল ধবলগুড়ি সীমান্তের শূন্যরেখা দিয়ে ভারতের ৫০০ গজ অভ্যন্তরে ঢুকে পড়লে বিএসএফ গুলি চালায়। এতে বিদ্ধ হয়ে ঘটনাস্থলে আলী হোসেন মারা যান। পরে বিএসএফ তার মরদেহ নিয়ে যায়।

 

এ ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে বিজিবি পতাকা বৈঠকের আহ্বান জানায়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষে নেতৃত্ব দেন তিস্তা ব্যাটালিয়ন-৬১ এর অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম।

 

লেফটেন্যান্ট কর্নেল সৈয়দ ফজলে মুনীম জানান, বিএসএফ গুলির ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেছে। এই ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি না ঘটার প্রতিশ্রুতি দিয়েছে তারা।

 

বিএসএফের দাবি, অনুপ্রবেশকারীদের সতর্ক করতে প্রথমে ফাঁকা গুলি ছোড়া হয়েছিল। কিন্তু তারা বিএসএফ সদস্যদের ওপর আক্রমণ করলে আত্মরক্ষার্থে গুলি ছুড়তে বাধ্য হয়। এতেই আলী হোসেনের মৃত্যু হয়।

 

ফজলে মুনীম আরও জানান, আইনি প্রক্রিয়া ও ময়নাতদন্ত শেষে দ্রুত সময়ের মধ্যে আলী হোসেনের মরদেহ বাংলাদেশে ফেরত পাঠানো হবে বলে বিএসএফ নিশ্চিত করেছে।