‘জুলাই জাতীয় সনদ (সংবিধান সংস্কার) বাস্তবায়ন আদেশ ২০২৫’ নিয়ে তুমুল বিতর্ক হয়েছে জাতীয় সংসদে। সরকারি দল ও বিরোধী দলের বক্তব্য, পাল্টা বক্তব্যে উত্তপ্ত ছিল সংসদ অধিবেশন। বিরোধী দল সংস্কার চায়, সংশোধনী চায় না বলে অভিযোগ করেছেন সরকারি দলের সংসদ সদস্যরা। সংবিধান সংশোধন সাপেক্ষে বাস্তবায়ন করতে হবে বলে মনে করে সরকারি দল। বিদ্যমান সংবিধানকে সামনে রেখেই সংযোজন-পরিমার্জন করা হবে এবং আলাদা কোনো সংস্কার পরিষদের প্রয়োজন নেই বলেও মনে করে সরকারি দল। ওদিকে ঐকমত্য কমিশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ধাপগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন বিএনপি সেই আলোচনা থেকে পিছিয়ে গিয়ে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল ফর্ম’ বা পুরনো অবস্থায় ফিরে যেতে চাইছে বলে মনে করেছেন বিরোধী দল।
এ ছাড়া সংসদে সরকারি চাকরিতে প্রবেশের বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর নির্ধারণ করে অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে জারি করা অধ্যাদেশ এবং সরকারি চাকরি (সংশোধন) অধ্যাদেশ অনুমোদন করে দু’টি আলাদা বিল পাস হয়েছে। মাইক বিভ্রাট ও হট্টগোলের কারণে দু’দফা অধিবেশন মুলতবি করা হয়।
গতকাল ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের অধিবেশনের নোয়াখালী-২ আসনের সংসদ সদস্য জয়নুল আবদিন ফারুকের ‘জুলাই জাতীয় সনদ ২০২৫: “ভবিষ্যতের পথরেখা”-এক মুলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে সরকারি দল ও বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা আলোচনা করেন। বিকাল সাড়ে ৩টায় পবিত্র কোরআন তেলাওয়াতের মধ্যদিয়ে অধিবেশন শুরু হয়। অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমেদ। এর মধ্যে নামাজের জন্য দুই দফায় ১ ঘণ্টা ২০ মিনিট বিরতি দেয়া হয়। অধিবেশন শেষ হয় রাত সাড়ে ৯টায়। আজ বিকাল সাড়ে ৩টা পর্যন্ত অধিবেশন মুলতবি ঘোষণা করেন স্পিকার। সংসদ অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী ও সংসদ নেতা তারেক রহমান, বিরোধীদলীয় নেতা শফিকুর রহমানসহ সংসদ সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এ ছাড়া সংসদের দর্শক গ্যালারিতে সারা দেশ থেকে আসা প্রায় ৬০ জন জুলাই গণ-আন্দোলনে শহীদ হওয়া পরিবারের সদস্য এবং আহতরা উপস্থিত ছিলেন। অধিবেশনের বিরতির ফাঁকে দর্শক গ্যালারিতে গিয়ে তাদের সঙ্গে কথা বলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সংসদে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন বলেন, যারা আদেশ নিয়ে কথা বলছেন, আদেশও তো আইন। ১৫১ এ যে সমস্ত অর্ডারকে রিপিল করা হয়েছে, সেগুলো বাদে। সেগুলো আগে আইন ছিল।
আজকে আমি কনসেন্ট্রেশন দিতে চেয়েছিলাম, অনলি জুলাই জাতীয় সনদ, সেটা কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায়, তার পদ্ধতি নির্ধারণ করি। সেই বিষয়ে আমরা আলোচনা করি। প্রস্তাব দিয়েছিলাম যে, সংবিধান সংশোধন সংক্রান্ত একটা বিশেষ কমিটি (সংসদীয় কমিটি) গঠন করা হোক সবাইকে নিয়ে। যারা জাতীয় সংসদে রিপ্রেজেন্ট করছেন, স্বতন্ত্র সদস্যসহ। সেই বিষয়ে তারা মনোযোগ দিলেই পারতেন।
আজকে বিরোধীদলীয় নেতা বলেছেন, সরকারি দল ও বিরোধী দল মিলেমিশে কাজ করবো। রাস্তা খুঁজে বের করুন সংবিধান সংশোধন এবং আইন প্রণয়নের জন্য। ওয়েলকাম জানাই। যারা জুলাই জাতীয় সনদ বাস্তবায়ন চায় তারা প্রত্যেকে বলেছেন। অর্ডারের কথা নিয়ে বলে যে, গণভোট অর্ডার এটার কি হবে। সেটাও আলোচনা করবো আমরা। যদি সংবিধান সংশোধনী কমিটি বিশেষ কমিটি গঠন করা হয় সেখানে। চলুন এখানেই মিলেমিশে আমরা আলোচনা করে বের করি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, সংবিধান সংস্কার হয় না। সংবিধান রহিত হয়, স্থগিত হয়, সংশোধন হয়, বাতিল হয়Ñ ইত্যাদি হয়। সংবিধান তো সংস্কার হয় না। সংশোধনকে আমরা সংস্কার মনে করে যদি একসঙ্গে বসতে পারি ভালো। বিরোধীদলীয় নেতা সংবিধান পরিবর্তন চেয়েছেন। আপনারা রেকর্ড দেখতে পারবেন সংবিধান পরিবর্তন তো সংশোধনের মাধ্যমে হতে পারে। তিনি বলেছেন, জুলাই জাতীয় সনদ এইটা গণ-অভ্যুত্থানের কলিজা। জুলাইকে গণ-অভ্যুত্থান বলেছেন। কেউ কেউ তো বিপ্লব বলতে বলতে ফেনা তুলে ফেলে। গণ-অভ্যুত্থান জুলাই ছাত্র গণ-অভ্যুত্থান, এটা স্বীকৃত। জুলাই জাতীয় সনদের সমস্ত জায়গায় লেখা আছে। এখানে বিপ্লব কোথাও লেখা নাই। আর উনারা যে আদেশের কথা বলছেন। ওখানে কোনো বিপ্লবের নামগন্ধ নাই।
বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান বলেন, একটিমাত্র দল, যে দলের নিবন্ধন কেড়ে নেয়া হয়েছে, প্রতীক কেড়ে নেয়া হয়েছে। শেষ পর্যন্ত জুলাই বিপ্লবকে ব্যর্থ করার জন্য ডাইভার্ট করার জন্য এই দলটাকে নিষিদ্ধ করা হয়েছে। সেই দলের উপর যদি এ ধরনের অপবাদ দেয়া হয় তাহলে এই সংসদের জন্য একটা লজ্জা মাননীয় স্পিকার। একজন সংসদ সদস্য বলেছেন যে, আমরা সংবিধান ছুড়ে ফেলার কথা বলেছি। এই মহান সংসদকে সাক্ষী রেখে বলছি- আমাদের কেউ কখনো এই কথা বলেন নাই। আমরা এই সংবিধানের পরিবর্তন চেয়েছি। যাতে একটি ন্যায়ভিত্তিক ইনসাফভিত্তিক সমাজ কায়েম এবং ফ্যাসিবাদমুক্ত একটা দেশ আমরা পাই।
তিনি বলেন, আমরা কিন্তু কখনো বলিনি আমরা সংবিধানবিরোধী। সংবিধানের ওই জায়গাগুলো আমরা চাই না, যেই জায়গা গত ৫৩ বছরে ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছে। দফায় দফা ওই জায়গাগুলোর সংস্কার চাই।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, আমরা চাচ্ছি আগামীতে এমন একটা বাংলাদেশ হোক, যেই বাংলাদেশে আর কোনো আইন এবং সংবিধানের দোহাই দিয়ে কোনো ফ্যাসিবাদ ফিরে আসবে না। ফ্যাসিবাদের দাফন করতে চাই। এই জন্যই আমরা বলি যে, একটা নতুন বাংলাদেশ দেখতে চাই। যে সমস্ত আইন সংবিধানের ফ্যাসিবাদের জন্ম দিয়েছিল, আমরা ওগুলা ফেলে দিয়ে নতুন বাংলাদেশ চাই। আমরা চাই, যতটুকু সংস্কার হওয়ার সংস্কার হবে, যেখানে সংশোধন হওয়ার সংশোধন হবে।
জুলাই সনদের প্রতিটি শিরা-উপশিরায় সংবিধানকে গ্রহণ করা হয়েছে: জুলাই জাতীয় সনদ নিজেই স্ব-ব্যাখ্যায়িত ও স্বচ্ছ একটি দলিল এবং এর বাস্তবায়নের একমাত্র পথ হলো সংসদীয় প্রক্রিয়ায় সংবিধানের সংশোধন। সংবিধানকে পাশ কাটিয়ে অন্য কোনো পদ্ধতিতে এর বাস্তবায়ন সম্ভব নয় বলে মন্তব্য করেছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান। একইসঙ্গে তিনি গণভোটের কিছু প্রক্রিয়াকে ‘ফ্রড অন দি কনস্টিটিউশন’ বা সংবিধানের ওপর প্রতারণা হিসেবে অভিহিত করেছেন। মূলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। আইনমন্ত্রী জুলাই সনদ নিয়ে রাজনীতি না করে সাংবিধানিক প্রক্রিয়ায় একে বাস্তবায়নের জন্য সকলের প্রতি আহ্বান জানান।
জুলাইয়ের টেন্ডার কি একাই নিয়েছেন? বিরোধী দলকে প্রশ্ন আন্দালিব পার্থের: জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের শহীদ ও যোদ্ধাদের আত্মত্যাগের ওপর দাঁড়িয়েই আজকের এই সংসদ। তাই জুলাইযোদ্ধাদের দাবির বিষয়ে সরকারকে আরও ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। একইসঙ্গে সংবিধানের বাইরে গিয়ে কোনো ‘সংস্কার পরিষদ’ নয়, বরং সংবিধানের রীতিনীতি মেনেই প্রয়োজনীয় সংশোধন করতে হবে বলে মন্তব্য করেছেন সরকারি জোটের অন্যতম শীর্ষ নেতা ও সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার আন্দালিব রহমান পার্থ। পার্থ বলেন, আমাদের জুলাইযোদ্ধাদের সঙ্গে ডিল করার জন্য আরও অনেক ধৈর্যের পরিচয় দিতে হবে। উনারা আহত হয়েছেন, অনেকে নিহত হয়েছেন। উনারা মূল্য দিয়েছেন বলেই আমরা আজ এখানে আছি। তাই আমাদের সহ্য ক্ষমতা আরও বাড়াতে হবে।
‘জুলাই সনদ’ বাস্তবায়নে বিএনপি কেন ব্যাকস্টেপে যেতে চায়: জুলাই সনদের বাস্তবায়ন ও সংবিধান সংস্কার ইস্যুতে বিএনপি’র অবস্থানের সমালোচনা করেছেন রংপুর-৪ আসনের সংসদ সদস্য আখতার হোসেন। তিনি অভিযোগ করেছেন, ঐকমত্য কমিশনে জুলাই সনদ বাস্তবায়নের ধাপগুলো চূড়ান্ত হওয়ার পর এখন বিএনপি সেই আলোচনা থেকে পিছিয়ে গিয়ে ‘প্রেসিডেন্সিয়াল ফর্ম’ বা পুরোনো অবস্থায় ফিরে যেতে চাইছে। সংসদ অধিবেশনে সংবিধান সংস্কার ও জুলাই সনদ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত এক মূলতবি প্রস্তাবের ওপর আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যের শেষে তিনি জুলাই সনদ বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া নিয়ে উত্থাপিত প্রস্তাবটি গ্রহণ না করার জন্য স্পিকারের প্রতি বিনীত আহ্বান জানান তিনি।
ঈদযাত্রায় হতাহতদের জন্য সংসদে দোয়ার অনুরোধ বিরোধীদলীয় নেতার: ঈদযাত্রায় বাস-ট্রেন ও ফেরিতে ওঠার মুহূর্তে বাস ডুবিতে হতাহতের ঘটনায় সংসদে দোয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন জামায়াতে ইসলামীর আমীর ও বিরোধীদলীয় নেতা ডা. শফিকুর রহমান। সংসদের প্রথম অধিবেশনের দ্বিতীয় কার্যসূচি শুরুর আগে এ অনুরোধ জানান তিনি।
বিরোধীদলীয় নেতা বলেন, ঈদুল ফিতরের সময় যেভাবেই হোক অনেকগুলো মানুষের জীবন চলে গেছে। এর মধ্যে দুটি ঘটনা খুবই হৃদয়বিদারক। একটা কুমিল্লায় বাস-ট্রেন সংঘর্ষ, আরেকটা ফেরিতে ওঠার সময় বাস ডুবিতে অনেকগুলো মানুষের মৃত্যুবরণ করেছেন।
তিনি বলেন, আমরা কি অনুরোধ করতে পারি কিনা যে, আজকের এই মহান সংসদ থেকে তাদের জন্য দোয়া, মাগফিরাত কামনা করতে পারি কিনা, যারা মৃত্যুবরণ করেছেন, তাদের আত্মীয়স্বজনদের জন্য।
এমন অনুরোধের পরিপ্রেক্ষিতে স্পিকার বলেন, আমরা বিষয়টি দেখবো। ‘আয়নাঘর’ থেকে ফেরা মীর কাসেমের আবেগঘন বক্তৃতা: মৃত্যুর প্রহর গুনছিলাম সেই অন্ধকার ঘরে। মনে হতো জীবন্ত কবরে আছি। বাইরে দিন না রাত, কিছুই বুঝতে পারতাম না। ভেবেছিলাম হয়তো ওখানেই মৃত্যু হবে।’ জাতীয় সংসদে দাঁড়িয়ে এভাবেই ‘আয়নাঘর’-এর লোমহর্ষক বর্ণনা দিলেন ঢাকা-১৪ আসনের সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম। পয়েন্ট অব অর্ডারে দাঁড়িয়ে তিনি এসব কথা বলেন।
ব্যারিস্টার মীর আহমদ বিন কাসেম বলেন, এই সংসদকে বলতে হবে মজলুমদের মিলনমেলা। এখানে এমন একজনকেও পাওয়া যাবে না, যে গত ফ্যাসিস্ট আমলে জুলুমের শিকার হয়নি। আমি সেই অন্ধকার ঘর থেকে ফিরে এসেছি যেখানে আমার মতো আরও শত শত লোককে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল, যারা আর ফিরে আসেনি। আইনমন্ত্রী তার বক্তব্যে গুম প্রতিরোধে বর্তমান অর্ডিন্যান্সের সমালোচনা করে বলেন, উনারা যে আইন নিয়ে হইচই করছেন, সেটি হয়তো ভালো করে দেখেননি। আইসিটি অ্যাক্ট ১৯৭৩-এ গুমকে ‘ক্রাইম এগেইনস্ট হিউম্যানিটি’র মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে, যেখানে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদণ্ড। কিন্তু বর্তমান অর্ডিন্যান্সে সাজা রাখা হয়েছে মাত্র ১০ বছর। এটি গুমের শিকার ব্যক্তিদের প্রতি এক ধরনের অবিচার।
বিদেশের বাজারে যুদ্ধের প্রভাব, শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকারের একগুচ্ছ পরিকল্পনা:
বর্তমান ইরান এবং ইসরাইল-যুক্তরাষ্ট্রের চলমান যুদ্ধের কারণে সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ (দুবাই) মধ্যপ্রাচ্যের কয়েকটি শ্রমবাজারে বাংলাদেশি কর্মী প্রেরণ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। তবে এই সংকট কাটিয়ে উঠতে এবং নতুন নতুন শ্রমবাজার সম্প্রসারণে সরকার ১৮০ দিনের বিশেষ কর্মপরিকল্পনা নিয়ে কাজ করছে। শরীয়তপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য মো. সফিকুর রহমান (কিরণ)-এর এক লিখিত প্রশ্নের জবাবে এসব তথ্য জানান প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আরিফুল হক চৌধুরী।
লিখিত জবাবে মন্ত্রী জানান, ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতার কারণে দুবাইসহ মধ্যপ্রাচ্যের কিছু দেশে জনশক্তি রপ্তানি বর্তমানে চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে। তবে সরকার বসে নেই। নির্বাচনী ইশতেহার অনুযায়ী প্রবাসীদের কল্যাণ ও কর্মসংস্থান বৃদ্ধিতে ১৮০ দিনের একটি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। ইতিমধ্যে ১৮টি দেশের সঙ্গে কর্মী প্রেরণের বিষয়ে সমঝোতা স্মারক বা চুক্তি সই হয়েছে।
জাপানের শ্রমবাজারে বড় সুযোগের কথা উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, আগামী ৫ বছরে জাপানে ১ লাখ কর্মী পাঠানোর লক্ষ্যমাত্রা নেয়া হয়েছে। এজন্য ‘জাপান সেল’ গঠন করা হয়েছে এবং জাপানি ভাষায় দক্ষ জনবল তৈরিতে বিশেষ জোর দেয়া হচ্ছে।