মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধের কারণে বৈশ্বিক জ¦ালানি সরবরাহ সঙ্কটের ফলে দেশ এক ভয়াবহ সঙ্কটের মুখে। আর দেশের এ টালমাটাল পরিস্থিতির সুযোগ নিতে বেপরোয়া হয়ে উঠেছে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ। বলা যায় যে সারা দেশে জ¦ালানি তেল নিয়ে চলছে তেলেসমাতি কর্ম-কা-। অসাধু ব্যবসায়ীরা দেশে ডিজেল, পেট্রোলসহ বিভিন্ন ধরনের তেলের মজুতদারি যথেচ্ছভাবে চালাচ্ছে। আবার পেনিক বায়িং (মূল্যবৃদ্ধি ও সঙ্কটের ভয়জনিত অতিমাত্রায় ক্রয় করে মজুত) করছে যে যেখানে যেভাবে পারছে। এর ফলে দিনে দিনে জ¦ালানি তেলের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরির চেষ্টা চলছে। অথচ সরকার যেন এ ব্যাপারে জেগে জেগে ঘুমাচ্ছে। লাগাম টেনে ধরতে কিছু অভিযান পরিলক্ষিত হলেও মজুতদারি বন্ধে এগুলো পর্যাপ্ত নয় বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। জ্বালানির চাহিদা ও সরবরাহের হিসাব-নিকাশের তদারকিও যথাযথ নয়। বৈশ্বিক জ¦ালানি সঙ্কটকে পুঁজি করেই মজুতদারি মুনাফাখোরির মাধ্যমে দেশে নতুন নির্বাচিত গণতান্ত্রিক সরকারকে বেকায়দায় ফেলার রাজনৈতিক অপচেষ্টা থেমে নেই। অথচ কোথাও দেখা মিলছে না সরকারের যথাযথ মনিটরিং। বিশেষ করে নির্বাচিত সরকারের দলীয় নেতাকর্মীদের এ বিষয়ে কোন ভূমিকাই দেখা যাচ্ছে না। বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন শুধু মোবাইল কোর্টের অভিয়ানের মাধ্যমে মজুতদারী বন্ধ করা সম্ভব নয়। এ ক্ষেত্রে সাধারণ মানুষ তথা দলের নেতাকর্মীদের সম্পৃক্ত করে তাদের সার্বক্ষণিক তদারকির মাধ্যমে মজুতদারি বন্ধ করা সম্ভব।
বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ সঙ্কটের প্রভাব এবার সরাসরি নিত্যপণ্যের বাজারে পড়ছে। প্রতিদিরই বাড়ছে বিভিন্ন পণ্যের দাম, অস্থির হচ্ছে নিত্যপণ্যের বাজার। জ্বালানির (কৃত্রিম) সঙ্কটের ফলে ব্যাহত হচ্ছে পণ্য পরিবহন ও বিপনন ব্যবস্থা। সরবরাহ কমে যাওয়ায় মাছ, মুরগি, গোশত, সবজিসহ সবকিছুর দামই ঊর্ধ্বমুখী। ব্যবসায়ীরা বলছেন, পণ্য আনতে খরচ বেড়েছে, তাই দামও বাড়ছে। অন্যদিকে উৎপাদক ও খামারিরা বলছেন, পণ্য উৎপাদনে তেমন ঘাটতি নেই, মূল সমস্যা জ্বালানির কারণে পরিবহন সঙ্কট। এ জন্য চাহিদা অনুযায়ী পণ্য সরবরাহ করা যাচ্ছে না বাজারে। তাই নিত্যপণ্যের দাম বাড়ছে। জ্বালানি না পেয়ে মাছ ধরতে পারছে না জেলেরা। এতে মাছের সরবরাহ কমে গেছে এবং বাজারে দাম বাড়ছে। এক সপ্তাহের ব্যবধানে অনেক পণ্যের দাম বেড়েছে ৫০ থেকে ৭০ টাকা পর্যন্ত। গোশতের বাজারের পরিস্থিতি সবচেয়ে বেশি চোখে পড়ার মতো। গরুর গোশত যা এক সপ্তাহ আগেও ৭৫০ টাকায় মিলত, এখন বিক্রি হচ্ছে ৮২০ টাকায়। খাসির গোশত ১ হাজার ২০০ টাকা। ব্রয়লার মুরগি ১৭০ থেকে বেড়ে এখন ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে, কোথাও কোথাও ২৩০ টাকায়ও কিনতে হচ্ছে। সোনালি মুরগির দাম বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৪২০ টাকা কেজি, আর দেশী মুরগি ৮০০ টাকা ছুঁয়েছে। মাছের ক্ষেত্রে সব ধরনের মাছের দাম কেজিতে ৫০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে। রুই, কাতলা মাছ কেজি প্রতি ৩০০ থেকে ৪৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া পাবদা ৬৫০, মলা ৬২০, টেংরা ৭৫০, রূপচাঁদা দেড় হাজার, চিংড়ি ১ হাজার ২০০, তেলাপিয়া ৩০০, বোয়াল ৪৫০-৬০০, ছোট ইলিশ ৫০০ ও পাঙাশ ২২০-২৫০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হচ্ছে। অন্যদিকে সব ধরনের সবজি ৮০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। এর মধ্যে ঢেঁড়স ও বরবটি ১০০, করলা, ঝিঙা ও চিচিঙ্গা ১২০, বেগুন ৮০, শিম ১০০, মরিচ ১২০, পটোল ৮০ টাকা বিক্রি হচ্ছে। তবে লাউ, কুমড়ার দাম ৬০ টাকা। বেড়েছে শাকের দামও। সব মিলিয়ে সংসার চালাতে সাধারণ মানুষের এখন ত্রাহি অবস্থা।
রাজধানীর শান্তিনগর বাজারের মুরগী ব্যবসায়ী রমজান বলেন, বর্তমানে মূল সমস্যা সরবরাহে। পর্যাপ্ত মুরগি বাজারে আসছে না। আগের মতো গাড়ি পাওয়া যায় না। পরিবহন সঙ্কটের কারণে বিশেষ করে সোনালি ও দেশী মুরগির সরবরাহ অনেক কমে গেছে। এ কারণে সোনালি মুরগি ৪২০ টাকায় বিক্রি করতে হচ্ছে। দেশী মুরগি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০-৮০০ টাকায়। তবে ব্রয়লার মুরগি তিনি ২০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছেন বলে জানান।
এদিকে মাছ শিকারের ভরা মৌসুমেই জ¦ালানি তেলের অভাবে বেকার লাখো জেলে। ঘাটে ঘাটে অলস বসে আছে হাজারো ট্রলার-নৌযান। বঙ্গোপসাগর এবং বিশাল উপকূল, নদ-নদী মোহনায় মাছ শিকারের এখন ভরা মৌসুম। সমুদ্রে সতর্ক সঙ্কেত নেই। আবহাওয়া মাছ শিকারের জন্য যথেষ্ট অনুকূলে। অথচ জেলেরা হন্যে হয়েও কোথাও পাচ্ছে না ট্রলার নৌযান চালানোর জন্য ডিজেল ও পেট্রোল। কক্সবাজারের টেকনাফ থেকে চট্টগ্রাম, নোয়াখালী, চাঁদপুর, ভোলা-বরিশাল, পটুয়াখালী, বরগুনা, বৃহত্তর খুলনা অঞ্চলের সুবিশাল সমুদ্র উপকূলে এবং দেশের নদ-নদী মোহনায়, খাঁড়িতে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ শিকার অনেকাংশেই বন্ধ রয়েছে। কালেভদ্রে কোনো কোনো জেলে ট্রলার নৌযান চালনার জন্য সামান্য পরিমাণ ডিজেল পেট্রোল কিনতে গিয়ে দেড়-দুই গুণ বেশি দাম গুণতে হচ্ছে। তাতে ট্রলারে শিকার করা মাছের দামের সঙ্গে তেলের আকাশছোঁয়া দামে পোষায় না। তারা প্রায় জীবিকাহীন হয়ে এক-আধ বেলা খেয়ে না খেয়ে অবর্ণনীয় দুঃখ-কষ্টে দিনাতিপাত করছে।
জেলে ও মৎস্যজীবীরা অভিযোগ করেছেন, মেরিন বাংকারিং-এর (সাগর ও নৌপথে জ¦ালানি তেল সংগ্রাহক) ডিলার, এজেন্ট ও ব্যবসায়ীদের বড় একটি অংশ প্রকাশ্যে ও গোপনে ডিজেল পেট্রোল যথেচ্ছ মজুদ করছে। তারাই ট্রলার নৌযানে তেল সরবরাহ ব্যবস্থাকে কব্জায় রেখে নিয়ন্ত্রণ করছে। তারা কখন কী পরিমান তেল মজুত করছে তার কোনো হিসাব ও তদারকি নেই। অন্যদিকে জ¦ালানি না পেয়ে ট্রলার নৌযান ছুটিয়ে মাছ শিকার করতে যেতে না পেরে বেকার হয়ে পড়েছে লাখো জেলে মৎস্যজীবী। উপকূল ও নদী মোহনার ঘাটে ঘাটে অলস বসে আছে হাজারো দেশীয় ট্রলার-নৌযান। মৎস্যসম্পদ আহরণ খাতে বিপর্যয় নেমে এসেছে।
আগামী ১৫ এপ্রিল থেকে সমুদ্রে মাছ শিকারের নিষিদ্ধ সময় শুরু হবে ৫৮ দিনের জন্য। এর আগেই দেশীয় ট্রলারের জেলেদের জীবন-জীবিকা মারাত্মক সঙ্কটের মধ্যে পড়েছে। অসহায় জেলেরা কীভাবে চরম দুঃখ-দুর্দশায় দিনাতিপাত করছেন তা সরেজমিনে দেখতেও যাননি সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী-এমপি কর্তা-আমলারা। অন্যদিকে এই সুযোগে প্রতিবেশী ভারত ও মিয়ানমারের চোরা শিকারীদের পোয়াবারো। নিষিদ্ধ সময়ে মৎস্যসম্পদ লোপাট বৃদ্ধির শঙ্কা রয়েছে। দেশীয় ট্রলার নৌযানে নানান জাতের মাছ শিকার অনেকটা বন্ধ থাকায় বর্তমানে খাঁ খাঁ করছে মৎস্য অবতরণকেন্দ্র আড়তসমূহ। হাটবাজারে মাছের দামে আগুন। প্রতিকেজি মাছ প্রকারভেদে পঞ্চাশ-একশ’ টাকা থেকে ৩শ’ টাকা পর্যন্ত বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে।
জ¦ালানি তেলের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরি এবং তাতে অসহায় জেলেদের জীবনধারণে দুর্দিন প্রসঙ্গে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ^বিদ্যালয়ের (সিভাসু) মৎস্যসম্পদ ব্যবস্থাপনা বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. শেখ আহমাদ আল নাহিদ গতকাল শুক্রবার দৈনিক ইনকিলাবকে বলেন, সরকার বলছে এখনো জ¦ালানির পর্যাপ্ত সরবরাহ আছে। রেশনিং করেও তেল দেওয়া হচ্ছে। অন্যদিকে নিরীহ প্রান্তিক জনগোষ্ঠি জেলেরা কেন জ¦ালানি তেল পাচ্ছে না বা কেন তাদের কাছে পর্যন্ত পৌাঁছানো যাচ্ছে না, বাধাগুলো কোথায়Ñ এ সম্পর্কে সুষ্ঠু মনিটরিং, নজরদারি, মোবাইল কোর্ট সক্রিয় হওয়া প্রয়োজন। মজুতদারি হচ্ছে কিভাবে যাচাই করাটা আবশ্যক।
তিনি বলেন, সামুদ্রিক মাছ শিকারের এখন উপযুক্ত সময় এখন। দেশীয় জেলেরা তেলের কৃত্রিম সংকটের কারণে মাছ শিকার করতে না পারায় পরিযায়ী হরেক প্রজাতির মূল্যবান মাছ প্রতিবেশী ভারত, মিয়ানমার কিংবা অন্যান্য দেশের সমুদ্রসীমায় চলে যাবেÑ এটাই নিয়ম। তদুপরি কোস্ট গার্ডের নজর ফাঁকি দিয়ে অবৈধ বিদেশী ট্রলার নৌযান মাছ চুরির সুযোগও নিতে পারে। এ অবস্থার উত্তরণে প্রকৃত জেলেদের কাছে যাতে দ্রুত জ¦ালানি তেল পৌঁছানোর নিশ্চিত ব্যবস্থা করা যায়, প্রয়োজনে কার্ড প্রথা চাুলর মাধ্যমে তাদেরকে শনাক্ত করে অবিলম্বে আনুষঙ্গিক সহায়তা দেওয়া এখন জরুরি।
দেশে জ্বালানি তেলের কোনো সংকট নেই বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রী ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু। তিনি বলেন, গত বছরের তুলনায় সরবরাহ বাড়ানো হয়েছে এবং জনগণের স্বস্তি নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে। বিশ্ববাজারে অস্থিরতা থাকলেও এপ্রিল মাসজুড়ে জ্বালানির পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে এবং নতুন চালান আসছে। এছাড়া জ্বালানি সাশ্রয়ে কিছু পদক্ষেপও সরকার গ্রহণ করেছে। অন্যদিকে অসাধু ব্যবসায়ীদের কৃত্রিম সংকট তৈরির অপচেষ্টা রোধে সরকার কঠোর অবস্থানে রয়েছে।
তবে জ্বালানি মন্ত্রীর এ বক্তব্যের সাথে বাস্তবতার ফারাক অনেক। দেশের সর্বত্রই জ্বালানি তেল সংগ্রহে গ্রাহকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে। ফিলিং স্টেশনগুলোতে দেখা যাচ্ছে গাড়ির দীর্ঘ লাইন। জ্বালানি জন্য রাতভর লাইনে দাঁড়িয়ে থেকেও অনেকে তা সংগ্রহ করতে পারছেন না। সরবারাহ সঙ্কটের কারণে অনেক ফিলিং স্টেশন বন্ধ রাখা হয়েছে। অনেক পাম্পে দীর্ঘ লাইন থাকলেও তেল না থাকায় গ্রাহকরা ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছেন। জ্বালানি না পেয়ে অনেকের গাড়ি বন্ধ রয়েছে। ফলে রাস্তায় এখন আগের চেয়ে প্রায় অর্ধেক গাড়ি চলাচল করছে। এতে পন্য পরিবহনে সঙ্কট দেখা দিচ্ছে। ফলে বাড়ছে পরিবহন ব্যয় এবং বাজারে পণ্যের ঘাটতি দেখা দিচ্ছে। বাজার বিশেষজ্ঞগণ বলছেন, এক ধরনের অসাধু ব্যবসায়ী চক্র এ ধরনের কৃত্রিম সঙ্কট তৈরী করে বাজারকে অস্থির করার চেষ্টা করছে। শুধু তাই নয় রাজনৈতিক প্রতিপক্ষও সরকারকে বিপদে ফেলতে কৌশলে নানান ষড়যন্ত্র করছে। অবৈধ ব্যবসায়ীদের তারা মদদ দিচ্ছে। এসব অসাধু ব্যবসায়ী অবৈধভাবে তেল মজুদ করেও জ্বালানির কৃত্রিম সঙ্কট তৈরী করার চেষ্টা করছে। আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর নিয়মিত অভিযানে অবৈধভাবে মজুত করা লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধার হচ্ছে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন শুধু আইন শৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানের মাধ্যমে অসাধু ব্যবসায়ীদের মজুতদারী বন্ধ করা সম্ভব নয়। এতে সাধারণ মানুষকে সম্পৃক্ত করতে হবে। বর্তমান সরকারের তৃণমূল পর্যায়ে অর্থাৎ সারাদেশে তাদের ওয়ার্ড পর্যায়ে কমিটি রয়েছে। তাদের মাধ্যমে যথাযথ তদারকি করলে অবৈধ মজুতদারি রোধ করা সম্ভব এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা যাবে। এ অবস্থায় বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হলে আইনশৃঙ্খলাবাহিনীর অভিযানের পাশাপাশি সারাদেশে দলের নেতাকর্মীদের এ বিষয়টি সততার সাথে তদারকি করতে হবে।
সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) গবেষক ও বাজার বিশেষজ্ঞ ড. গোলাম মোয়াজ্জেম ইনকিলাবকে বলেন, দেশের জ্বালানি সরবরাহে যে বিশৃঙ্খল অবস্থা তার সুযোগ নিতে চাচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ী এবং রাজনৈতিক পতিপক্ষরা। সরকারকে এক্ষত্রে আরও তৎপর হতে হবে। এক্ষত্রে শুধু প্রশাসন নয় তাদের দলীয় নেতাকর্মীদেরও সম্পৃক্ত করতে হবে। মনে রাখতে হবে আমাদের দেশে অতীতে যে দুর্ভিক্ষ হয়ে ছিল তা কিন্তু খাদ্য পণ্যের অভাবে নয়। সমন্বহীন সরবরাহ এবং অবৈধ মজুতদারীর কারণে চুয়াত্তরে দুর্ভিক্ষ হয়েছিল। এসব বিষয় মাথায় রেখে সরকারকে মজুতদারি নিয়ন্ত্রণ এবং বাজারে পণ্য সরবরাহে যথাযথ মনিটরিংয়ের ব্যবস্থায় এখনই গুরুত্ব দেওয়া জরুরি। তা না হলে পরিস্থিতি ভয়াবহ রূপ নিতে পারে।